ঠাকুরগাওয়ে দুই বাংলার মিলন মেলা
আব্দুল আউয়াল, ঠাকুরগাঁও প্রাতনিধি: বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে ঠাকুরগাঁও সীমান্তে প্রতিবারের ন্যায় এবারও দুই বাংলার মিলন মেলা বসেছে।
বহুদিন পর আপনজনের দেখা পেয়ে আবেগে কেঁদে ফেলেন অনেকে। বিনিময় করেন মনের জমানো হাজারো কথা।
১৫ এপিল শনিবার ঠাকুরগাঁও হরিপুর ও রাণীশংকৈল উপজেলার জনগাঁ, বুজরুক, বেতনা, ডাবরী সীমান্তের নোম্যান্স ল্যান্ডে দুই বাংলার এই মিলন মেলা বসে।
ঠাকুরগাঁও ৩০ বিজিবি ব্যাটালিয়ন ও ভারতের সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বিএসএফ এর উদ্যোগে এ মিলন মেলার আয়োজন করা হয়।
এদিন সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ঠাকুরগাঁও হরিপুর উপজেলার ডাবরী সীমান্তের প্রায় ১৫ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে বাংলাদেশ ও ভারতের হাজার হাজার মানুষ এই মিলন মেলায় অংশ নেয়।
মিলন মেলাকে কেন্দ্র করে উভয় দেশের সীমান্তে পর্যাপ্ত বিজিবি ও বিএসএফ মোতায়েন করা হয়। কঠোর পাহারায় কাঁটা তারের বেড়ার ফাঁক দিয়ে স্বজনদের একপলক দেখতে লাখো মানুষের ঢল নামে। এই সময় আবেগে অনেকে চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি।

ঠাকুরগাঁও জেলার ভুল্লী থেকে আসা ছত্রমোহন রায় (৭০) বলেন, ‘আমার পাঁচ মেয়ে ও এক ছেলের মধ্যে তিন মেয়েরই বিয়ে হয়েছে ভারতের চাউলহাটিতে। আজকে নববর্ষের দিনে সুযোগ হয়েছে তাই মেয়ে-জামাই আর নাতী-নাতনীদের সঙ্গে দেখা করতে এসেছি। ওদের জন্য কিছু কাপড় আর খাবার নিয়ে এসেছি।’
হরিপুর উপজেলা চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম বলেন, ‘হরিপুর উপজেলার অধিকাংশ এলাকা পাকিস্তান-ভারত বিভক্তির আগে ভারতের দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার অধীনে ছিল। এ কারণে দেশ বিভাগের পর আত্মীয় স্বজনেরা দুই দেশে ছড়িয়ে পড়ে। তাই সারা বছর এদের সঙ্গে দেখা করতে পারেনা। অপেক্ষা করে থাকে এই দিনের।’
Related News
সিজারের কয়েক ঘণ্টা পর প্রসূতির মৃত্যু, নিউ অতিথি ক্লিনিক সিলগালা
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: লালমনিরহাটের নিউ অতিথি ক্লিনিক অ্যান্ড নার্সিং হোমে সিজার অপারেশনের কয়েক ঘণ্টা পরRead More
পঞ্চগড়ের আকাশে মায়াবী কাঞ্চনজঙ্ঘা, মেঘ সরতেই ধরা দিল হিমালয়ের রূপালি মুকুট
সফিকুল আলম দোলন, পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি: অপেক্ষার প্রহর শেষে মেঘের আড়াল ভেদ করে উত্তরের আকাশেRead More



Comments are Closed