বিশ্বনাথে স্বাস্থ্য কর্মকর্তা করোনায় আক্রান্ত
বিশ্বনাথ প্রতিনিধি: সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আবদুর রহমান মুসা করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। রোববার তার করোনার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। গত ৪ মে তার করোনার স্যাম্পল সংগ্রহ করা হয়। তিনি স্বেচ্ছায় এ পরীক্ষা করতে উদ্যোগী হন বলে তার সাথে সংশ্লিষ্টরা জানান।এনিয়ে উপজেলায় করোনা আক্রান্তের সংখা দাঁড়ালো ৩ জনে।
প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, এপর্যন্ত বিশ্বনাথ উপজেলার ৩৯ জনের নমুনা সংগ্রহ করে টেস্ট করা হলে ৩ জনের রিপোর্ট আসে করোনা পভেটিভ হিসেবে। এরমধ্যে একজন পুরুষ, একজন নারী ও একজন শিশু। আর একজনের রিপোর্ট এখনও আসেনি। বাকীগুলোর রিপোর্ট এসেছে নেগেটিভ।
নমুনা টেস্টের রিপোর্ট আসার ভিত্তিতে গত ৩ মে বিশ্বনাথের প্রথম করোনা রোগী হিসেবে সনাক্ত হন উপজেলার রামপাশা ইউনিয়নের ঘুড়াইল গ্রামের সুমন মালাকারের স্ত্রী শান্তি রাণী মালাকার (২০), ৮ মে দ্বিতীয় করোনা রোগী হিসেবে সনাক্ত হন একই ইউনিয়নের বৈরাগীবাজারের পল্লীচিকিৎসক সুকুমার দাশের নাতনী শ্রাবন্তী রাণী দাশ (১০)। এরপূর্বে করোনায় আক্রান্ত হয়ে ২৮ এপ্রিল মৃত্যুবরণ করেন সুকুমার দাশের পুত্র সবুজ দাশ। আর রোববার দ্বিতীয় করোনা রোগী হিসেবে সনাক্ত হয়েছেন রামপাশা ইউনিয়নের কাদিপুরস্থ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আবদুর রহমান মুসা।
এব্যাপারে বিশ্বনাথ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আবদুর রহমান মুসা বলেন, গত ২৫ এপ্রিল প্রসব ব্যাথা নিয়ে শান্তি রাণী মালাকার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসলে তাকে (শান্তি) চিকিৎসা প্রদান করেন তিনি (মুসা)। পরবর্তিতে শান্তি রাণীকে ওসমানী হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। এরপর ৩ মে শান্তি রাণী করোনায় পজেটিভ হলে নিজের থেকেই ৪মে নিজের নমুনা টেস্টের জন্য প্রেরণ করেন। আর আজ সেই নমুনার রিপোর্ট আসে করোন পজেটিভ হিসেবে।
Related News
গোলাপগঞ্জে গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার
Manual3 Ad Code বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলায় গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।Read More
গোলাপগঞ্জে স্ত্রী মোহনা হত্যা মামলায় স্বামী গ্রেফতার
Manual4 Ad Code বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেটের গোলাপগঞ্জে গৃহবধূ ফাহমিদা আক্তার মোহনা হত্যা মামলার প্রধানRead More



Comments are Closed