শিশু ধর্ষণকারীদের প্রতিকী কুশপুত্তলিকা দাহ ও স্মারকলিপি প্রদান
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেট কল্যাণ সংস্থা (সিকস), সিলেট বিভাগ যুব কল্যাণ সংস্থা ও সিলেট প্রবাসী কল্যাণ সংস্থার যৌথ আয়োজনে ২৪ মে রবিবার দুপুরে সিলেট মহানগরীর ক্বীন ব্রীজের পাশে শিশুদের পাশবিক নির্যাতন ও নৃশংস হত্যাকারী ধর্ষকদের প্রতিকী কুশপুত্তলিকা দাহ ও ১ নভেম্বর জাতীয় যুব দিবস বহাল রাখার দাবীতে সিলেটের জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের বরাবর (মাধ্যমঃ জেলা প্রশাসক, সিলেট) স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।
সংস্থাগুলোর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও সিলেট কল্যাণ সংস্থার কার্যকরী কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ এহছানুল হক তাহেরের সভাপতিত্বে ও সিবিযুকস’র বিভাগীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন রশিদ চৌধুরীর পরিচালনায় কুশপুত্তলিকা দাহ কর্মসূচী স্বাগত বক্তব্য রাখেন সিবিযুকস’র বিভাগীয় কমিটির সভাপতি আলহাজ্জ মুখতার আহমেদ তালুকদার, বক্তব্য রাখেন সিকস’র কার্যকরী কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক মোঃ তালেব হোসেন তালেব, সিবিযুকস’র বিভাগীয় কমিটির সিনিয়র সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক চিত্ত রঞ্জন দাস, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মহিবুর রহমান মুহিব, সিলেট মহানগর কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ ইব্রাহীম। স্মারকলিপি প্রদান ও কুশপুত্তলিকা দাহ কর্মসূচীতে উপস্থিত ছিলেন সিবিযুকস’র বিভাগীয় কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি হাজী মোঃ আশরাফ উদ্দিন, দ্বীপক রঞ্জন রায় তালুকদার, সহ-সভাপতি অবিনাশ চন্দ্র দাস, সাংগঠনিক সম্পাদক মুসলেহ উদ্দিন চৌধুরী মিলাদ, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক কবি কামাল আহমদ, জামাল আহমদ, সহ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মোঃ সাহেদ আহমদ শান্ত, যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক মোঃ আল-আমিন আহমদ, তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক সাংবাদিক আব্দুর রাজ্জাক শাওন, যোগাযোগ ও সমন্বয় সম্পাদক শংকর বিশ্বাস, সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক কবি মকসুদ আহমদ লাল, আইন বিষয়ক সম্পাদক মুহাম্মদ কামাল মিয়া, সিলেট মহানগর কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান, সদস্য মোঃ জুয়েল মিয়া, সমাজ সচেতন নাগরিকদের মধ্য থেকে মোঃ সানি আহমেদ, মহেন্দ পাত্র ও সাবেক ইউ/পি চেয়ারম্যান জালাল আহমদ। প্রচন্ড বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে ধর্ষণকারী ধর্ষকদের প্রতিকী কুশপুত্তলিকা দাহ কর্মসূচীতে প্রায় শতাধিক নাগরিকবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশের জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ যুব সমাজের জন্য ধার্যকৃত জাতীয় যুব দিবস-এর তারিখ ১ নভেম্বর থেকে পরিবর্তন করায় আমরা যুবরা ব্যথিত। পূর্বকার সময়ে জাতীয় যুব দিবস রাষ্ট্র প্রধানদের দেওয়া বিভিন্ন তারিখে পালন করা হতো। দীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রাম করে ২০১২ খ্রীষ্টাব্দ থেকে ১ নভেম্বর জাতীয় যুব দিবস পালনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। ২০১২ খ্রীষ্টাব্দ হতে ২০২৪ খ্রীষ্টাব্দ পর্যন্ত ১৩ বছর ধারাবাহিকভাবে ১ নভেম্বর জাতীয় যুব দিবস উদযাপন করা হয়। হঠাৎ করে ২০২৫ খ্রীষ্টাব্দের ১২ আগষ্ট আন্তর্জাতিক যুব দিবসে “জাতীয় ও আন্তর্জাতিক যুব দিবস” উদযাপনে আমরা যুবরা হতবাক। পৃথিবীর মধ্যে বাংলাদেশ পরিচিত রাষ্ট্র। আন্তর্জাতিক শব্দের সাথে বাংলাদেশ এমনিতেই সংযুক্ত। এরমধ্যে জাতীয় শব্দ সম্পৃক্ত করার কারণ কি? আমরা যুবরা ১ নভেম্বর পূণরায় স্বতন্ত্রভাবে জাতীয় যুব দিবস ফেরত চাই। বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ যুবদের জাতীয় যুব দিবস আবারও ১ নভেম্বর আমাদেরকে ফেরত দেওয়া হউক। আমাদের বাংলাদেশের মাতৃভাষা দিবস আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাওয়ায় আমরা ২১ ফেব্রুয়ারী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করি। আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাওয়ায় পর ২১ ফেব্রুয়ারীতো জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসাবে পালন করা হয়না, শুধুমাত্র আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসাবে পালন করা হয়। জাতীয় যুব দিবসকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক যুব দিবস হিসাবে পালন করায় জাতীয় যুব দিবস-এর স্বার্থকতা হারিয়ে গেছে। তাই আমরা আশাকরি ১ নভেম্বর জাতীয় যুব দিবস-এর তারিখ আবার আমরা যুবদের ফিরিয়ে দেওয়া হবে। বাংলাদেশের এক-তৃতীয়াংশ যুবদের জাতীয় যুব দিবস ফিরিয়ে দিতে আপনার সুদৃষ্টি কামনা করছি।
Related News
সিলেটে প্রতিবন্ধী ও দরিদ্র পরিবারের মধ্যে নগদ অর্থ বিতরণ
Manual6 Ad Code বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেটে রহমানীয়া প্রতিবন্ধী কল্যাণ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এবং প্রবাসী ব্যক্তিরRead More
শিশু ধর্ষণকারীদের প্রতিকী কুশপুত্তলিকা দাহ ও স্মারকলিপি প্রদান
Manual4 Ad Code বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেট কল্যাণ সংস্থা (সিকস), সিলেট বিভাগ যুব কল্যাণ সংস্থাRead More



Comments are Closed