Main Menu

যমুনা নদীতে ময়লা-আবর্জনা ফেলে পরিবেশ দুষণ


মোস্তাফিজুর রহমান সুমন, ফুলবাড়ী (দিনাজপুর) প্রতিনিধি: দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে পৌর শহরের আবর্জনা শহরের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত ছোট যমুনা নদীতে ফেলায় পরিবেশ দুষণ হচ্ছে। ছোট যমুনা নদী এখন অস্তিত্ব সংকটে ভুগছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, প্রতিদিন পৌর এলাকার ময়লা-আবর্জনা কাঁচাবাজার সংলগ্ন ফুটব্রিজের পূর্ব পার্শ্বে ফেলছেন পৌরসভার পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা। এরই মধ্যে পৌর এলাকার ময়লা-আবর্জনার স্তূপে নদীর চার ভাগের এক ভাগ ভরাট হয়ে গেছে। নদীর বুকে ময়লা-আবর্জনা ফেলার কারণে দুর্গন্ধে ফুটব্রিজ দিয়ে নাকে রুমাল দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে।

এই ব্রিজ দিয়েই ব্রিজের পশ্চিম পার্শ্বের সরকারি কলেজ, সুজাপুর মডেল উচ্চ বিদ্যালয়, চাঁদপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়, সুজাপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বঙ্গবন্ধু কলেজ, মাদিলাহাট ডিগ্রী কলেজ, আদর্শ বিদ্যাপিঠসহ অর্ধশত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ও অধ্যয়নরত শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের প্রতিনিয়ত চলাচল করতে হচ্ছে। ময়লা-অবর্জনার দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ায় ব্রিজের উভয় প্রান্তে বসবাসকারী পরিবারগুলোকে সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

ব্রিজ সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা শিক্ষক সামিউল ইসলাম ও বিশ্বনাথ প্রসাদ বলেন, পৌর এলাকার ময়লা-আবর্জনা নদীতে ফেলে নদীটিকে ধ্বংসের মুখে নিয়ে গেছে পৌর কর্তৃপক্ষ। গোটা দেশের নদী রক্ষার জন্য মানুষ আন্দোলন করছে, সরকার নদীকে বাঁচাতে নানামুখী উদ্যোগ নিচ্ছে, আর আমাদের ছোট যমুনা নদী ভরাট করে সেটির অস্তিত্ব সংকটে ফেলছে পৌর কর্তৃপক্ষ।

কলেজ শিক্ষার্থী জোবায়েদ হোসেন বলেন, কলেজে যাতায়াত করতে ফুটব্রিজে এসেই নাকে রুমাল অথবা নাক চেপে চলাচল করতে হচ্ছে। ময়লা-আবর্জনার দুর্গন্ধে অনেক শিক্ষার্থীই ওই এলাকায় এসেই বমি করে দেয়।

এ বিষয়ে পৌর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে পৌর মেয়র মুরতুজা সরকার মানিক বলেন, ময়লা-আবর্জনা ফেলার নির্ধারিত জায়গার অভাবেই নদীর পূর্ব প্রান্তে সেগুলো ফেলা হচ্ছে।

Share





Related News

Comments are Closed