Main Menu

ঘূর্ণিঝড় রোয়ানুর সর্বশেষ অবস্থা

Manual7 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় রোয়ানু। গভীর নিম্নচাপ থেকে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার তিন দিন পর অনেকটা দূর্বল হয়ে শনিবার দুপুরে বাংলাদেশের উপকূলে আঘাত হানে ঘূর্ণিঝড়টি।

ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে উপকূলীয় জেলাগুলোতে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাচ্ছে, সেই সঙ্গে চলছে বৃষ্টি।

Manual2 Ad Code

উপকূলীয় জেলাগুলোর নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৪ থেকে ৫ ফুট বেশি উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসেপ্লাবিত হয়েছে।

অতি ভারি বর্ষণে চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের পাহাড়ি এলাকার কোথাও কোথাও ভূমিধসেরও শঙ্কা রয়েছে বলে আবহাওয়ার পূর্বাভাসে সতর্ক করা হয়েছে।

সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Manual6 Ad Code

আবহাওয়ার বিশেষ বুলেটিন থেকে এক নজরের জেনে নিন ঘূর্ণিঝড়ের সর্বশেষ খবর।

অবস্থান: শনিবার বেলা দেড়টার দিকে চট্টগ্রম উপকূলের সন্দ্বীপ, হাতিয়া, কুতুবদিয়া, সীতাকুণ্ডু এবং ফেনী উপকূল দিয়ে উপকূল অতিক্রম করতে শুরু করে ঘূর্ণিঝড় রোয়ানু।

শক্তি: আঘাত হানার সময় ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৫৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ৬২ কিলোমিটার, যা দমকা বা ঝড়োহাওয়ার আকারে ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছিল।

Manual4 Ad Code

সময়: ঝড়ের পুরো পরিধি সাগর থেকে স্থলভাগে উঠে আসতে বিকাল পেরিয়ে যেতে পারে বলে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে।

সংকেত: চট্টগ্রাম, মংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরকে ৭ নম্বর এবং কক্সবাজার সমুদ্র বন্দরকে ৬ নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

ক্ষয়ক্ষতি: ঝড়ে গাছ ভেঙে ও ঘর বিধ্বস্ত হয়ে ছয়জনের মৃত্যুর খবর এসেছে। এর মধ্যে ভোলায় ২, চট্টগ্রামে ৩ এবং পটুয়াখালীতে ১ জনের মৃত্যু হয়েছে।
পটুয়াখালীতে রাঙ্গাবালীতে বাঁধ ভেঙে তিন শতাধিক পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। ভোলায় বিধ্বস্ত হয়েছে বহু বাড়িঘর। সড়কে গাছ পড়ে সড়ক যোগাযোগও বিঘ্নিত হচ্ছে।

প্রভাব: খারাপ আবহাওয়ার কারণে মংলা ও চট্টগ্রাম বন্দরের মালামাল খালাস বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

চট্টগ্রাম শাহ আমানত বিমানবন্দরে উড়োজাহাজ ওঠানামা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

Manual8 Ad Code

সব ধরনের নৌ চলাচল বন্ধ ঘোষণা রেখেছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌচলাচল কর্তৃপক্ষ।

চট্টগ্রামের দুটি ইপিজেডের সব কারখানায় ‍ছুটি ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ।

ঝড়ের কারণে ঝালকাঠি ও বরগুনা জেলায় বিদ্যুৎ বন্ধ রাখা হয়েছে।

প্রস্তুতি: উপকূলীয় ১৪ জেলার ৫ লাখ মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া সাড়ে তিন হাজার আশ্রয়কেন্দ্রে। উদ্ধার ও ত্রাণ কাজের জন্য এসব জেলায় প্রস্তুত এক লাখ স্বেচ্ছাসেবী।

নাম: এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের সাগর তীরের আট দেশের আবহাওয়া দপ্তর ও বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার দায়িত্বপ্রাপ্ত প্যানেলের তালিকা থেকে ক্রম অনুসারে ঠিক হয়েছে এবারের ঘূর্ণিঝড়ের নাম। রোয়ানু নামটি প্রস্তাব করেছিল মালদ্বীপ। স্থানীয় ভাষায় এর অর্থ নারকেলের ছোবড়ার দড়ি।

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code