সাগরের নিচে হারানো শহর, মূল্যবান বস্তু পাওয়ার আশা
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: ভূমধ্যসাগরের তলদেশে সন্ধান পাওয়া গেছে মিশরের হারিয়ে যাওয়া দুটি বড় শহরের। সেখানে পাওয়া গেছে দেবতা ও রানির মূর্তিসহ নানা ধরনের অনেক প্রত্ন নিদর্শন। লন্ডনের এক প্রদর্শনীতে ‘মিশরের হারানো পৃথিবী’ শিরোনামে এর নিদর্শন সমুহ দেখানো হচ্ছে।
৮০০ খ্রিস্টাব্দের দিকে সমুদ্রের করাল গ্রাসে তলিয়ে যায় এই শহর। সম্প্রতি তা খুঁজে পান প্রত্নতাত্ত্বিকরা। সেখানেই আবিষ্কৃত হলো নীল নদে বন্যার দেবতা হ্যাপির মূর্তি।
পাওয়া গেছে আরো দুইশোর বেশি মূর্তি, হায়ারোগ্লিফিক শিলালিপি, ধাতব ও ফারাও রাজাদের স্বর্ণালঙ্কার। পরীক্ষা-নীরিক্ষা করে পুরাতাত্ত্বিকরা নিশ্চিত হয়েছেন তলিয়ে যাওয়া শহর দুটি হলো- হেরাক্লিওন বা থনিস ও ক্যানোপাস। যে শহরগুলোতে মিশেল ঘটেছিল গ্রীক ও মিশরীয় সভ্যতার।
প্রদর্শনীর প্রধান কিউরেটর অরেলিয়া ম্যাসন বার্গফ বলেন যে, বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন সভ্যতায় সংস্কৃতির মেলবন্ধন ঘটে। কিন্তু রানি আর্সিনো দ্বিতীয়’র এই মূর্তির সাজ পোশাকে গ্রীক ও মিশরীয় সভ্যতার যে পরিষ্কার নমুনা দেখতে পেয়েছি তা আগে কখনো দেখিনি।
১৯৯৬ সালে মিশরের পুরাতত্ত্ব মন্ত্রণালয়ের সাথে হারানো শহর অনুসন্ধানে মূল ভূমিকা রাখেন, ইউরোপীয়ান ইন্সটিটিউট অব আন্ডারওয়াটার আর্কিওলজির পরিচালক ফ্র্যাঙ্ক গডিও। ২০১২ সাল পর্যন্ত সমুদ্রের তলদেশ খননে বের হতে থাকে নানান প্রত্নবস্তু।
ইন্সটিটিউট অব আন্ডারওয়াটার আর্কিওলজি পরিচালক ফ্র্যাঙ্ক গডিও বলেন যে, ‘পানির নিচে থাকায়, এগুলো খুব একটা নষ্ট হয়নি। আমার কাছে মনে হয় পানির নিচে যা আছে, তার মাত্র পাঁচ শতাংশ খনন করতে পেরেছি আমরা। আরো অনেক আবিষ্কারই এখনো বাকি।’
Related News
পত্নীতলায় তৃণমূলে গণমানুষের নেতৃত্বে গড়ে উঠছে পুষ্টি সমৃদ্ধ গ্রাম
Manual6 Ad Code মহসিনা ফেরদৌস, পত্নীতলা (নওগাঁ) প্রতিনিধি: পত্নীতলার পাটিআমলাই গ্রামের নাহিদা সুলতানা একজন গৃহবধু।Read More
বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য যে সুযোগ দিলো ডেনমার্ক
Manual2 Ad Code বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে পড়তে আসা শিক্ষার্থীদের জন্য খন্ডকালীনRead More



Comments are Closed