Main Menu

সিলেটে শিশুকে যৌন নিপীড়নের ৩ বছর পর ভিডিও ভাইরাল, আটক ১

Manual6 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেটের গোয়াইনঘাটে শিশু মেয়েকে যৌন নিপীড়নের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে পড়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত মৌলভী মো. শরিফ উদ্দিন শরিফকে আটক করেছে পুলিশ। তিনি কানাইঘাট উপজেলার সিঙ্গারীপাড় গ্রামের মুহিবুর রহমানের পুত্র।

Manual7 Ad Code

বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) ভোরে সিলেটের বালাগঞ্জ উপজেলার তাজপুর এলাকা থেকে তাকে আটক করেছে পুলিশ। ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর থেকে তিনি পলাতক ছিলেন।

আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কানাইঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল আউয়াল। তিনি জানান, ভিডিওতে শিশুটিকে যৌন নিপীড়নের দৃশ্য ধরা পড়েছে। সেটি ২০২২ সালে গোয়াইনঘাট উপজেলার নন্দিগাও ইউনিয়নের মানাগাঁও গ্রামের মানাউরা উত্তর পাড়া জামে মসজিদের ঘটনা। অভিযুক্ত মৌলভী শরিফ উদ্দিন সে সময় মানাউরা জামে মসজিদের ইমাম ছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, তিনি ওই গ্রামের এক শিশুকে যৌন হয়রানি করেন এবং সেই ঘটনার ভিডিও মোবাইলে ধারণ করেন।

Manual3 Ad Code

তিনি আরও বলেন, ভিডিওটি ভাইরালের পর বুধবার রাতে শরিফ উদ্দিনের কানাইঘাটের সিঙ্গারীপাড়ের বাড়িতে অভিযান চালায় থানা পুলিশ। এরপর হরিপুর ও বালাগঞ্জে তার অবস্থান পাওয়া গেলেও তাকে আটক করা সম্ভব হয়নি। পরবর্তীতে কানাইঘাট ও বালাগাঞ্জ থানা পুলিশের সহযোগিতায় আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১১টার দিকে তাজপুর থেকে আটক করা হয়েছে। এই ঘটনায় তার কাছে থাকা মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত শরিফ উদ্দিনের বিরুদ্ধে শিগগিরই আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ঘটনাটি প্রকাশ হওয়ার পর স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় উঠেছে।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, শরিফ উদ্দিন বিবাহিত এবং দুই স্ত্রী ও দুই সন্তানের জনক। অতীতে নারী আসক্তির কারণে কানাইঘাটের কোনো মসজিদ বা মাদ্রাসায় তাকে স্থায়ীভাবে চাকরি দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।

Manual7 Ad Code

এদিকে ওই শিশুর পিতা বাদী হয়ে গোয়াইনঘাট থানায় বৃহস্পতিবার একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন বলে জানিয়েছে তার পারিবারিক সূত্র।

Manual1 Ad Code

শিশুটির স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি ধারণ করা হয়েছে ২০২২ সালে। তখন মৌলভী শরীফ গোয়াইনঘাটের নন্দীরগাঁও ইউনিয়নের একটি মসজিদে মোয়াজ্জিন হিসাবে কর্মরত ছিলেন।

তখন একদিন মসজিদের পড়ার ঘরটি ঝাড়ু দিতে মৌলভী শরীফ দুই শিশু শিক্ষার্থীকে ডেকে আনেন। তারা ঝাড়ু দেওয়ার পর একটি শিশু চলে গেলেও ওই সময় আনুমানিক ১০ বছর বয়সী কন্যা শিশুটিকে তিনি ডেকে নিয়ে যৌণনিপীড়ন করেন।

শুধু তাই নয়, পরে সেই ভিডিওটি তিনি তার এক বা একাধিক বন্ধুকে দিতে পারেন বা তার মোবাইল থেকে সেটি চুরি হতে পারে।

ওই ভিডিওটি ভাইরাল করা হয় বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর)। এরপর নড়েচড়ে বসে পুলিশ প্রশাসন।

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code