Main Menu

জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন আজ

Manual7 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সারাদেশে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন আজ রবিবার। এর আওতায় ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী প্রায় ২ কোটি ২৬ লাখ শিশুকে এই ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

Manual7 Ad Code

বৃহস্পতিবার (১৩ মার্চ) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের এক প্রেস বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় স্বাস্থ্যসেবাকে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। সেই লক্ষ্যে সারাদেশে ৬-৫৯ মাস বয়সী ২ কোটি ২৬ লাখ শিশুকে ১ লাখ ২০ হাজার স্থায়ী ইপিআই কেন্দ্রের মাধ্যমে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

Manual8 Ad Code

কর্মসূচি বাস্তবায়নে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় প্রস্তুতি নিয়েছে জানিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়, ক্যাম্পেইন সফল করতে জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ প্রয়োজন। ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন পর্যালোচনার জন্য ক্যাম্পেইনের দিন প্রতিটি উপজেলা, জেলা ও কেন্দ্রে সার্বক্ষণিক কন্ট্রোল রুম চালু থাকবে। একটি শিশুও যেন বাদ না পড়ে, সব শিশুকেই যেন ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়। যাদের ঘরে ছয় মাস থেকে পাঁচ বছর বয়সী শিশু আছে সেই সব মা-বাবা এবং অভিভাবকরা যেন অবশ্যই তাদের শিশুদের নিকটস্থ কেন্দ্রে (ইপিআই টিকাদান কেন্দ্র, কমিউনিটি ক্লিনিক ও অন্যান্য স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র) নিয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ান।

Manual7 Ad Code

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এরই মধ্যে ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে বছরে ২ বার শতকরা ৯৮ শতাংশ শিশুকে ক্যাপসুল খাওয়ানোর ফলে ভিটামিন এ-এর অভাবজনিত অন্ধত্বের হার শতকরা ১ শতাংশের নিচে কমে এসেছে এবং শিশুমৃত্যুর হারও কমেছে। এই সাফল্য ধরে রাখতে জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইনে ৬-৫৯ মাস বয়সী সব শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো চলমান রাখতে হবে। বছরে দুবার ভিটামিন এ ক্যাপসুল গ্রহণের মাধ্যমে শিশুদের অন্ধত্বের অভিশাপ থেকে বহুলাংশে মুক্ত করা যায়।

প্রসঙ্গত, ১৯৭৪ সালে রাতকানা রোগ প্রতিরোধে শিশুদের ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো শুরু হয়। বর্তমানে ভিটামিন এ–এর অভাবে রাতকানা রোগে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা প্রায় নেই বললেই চলে।

Manual1 Ad Code

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code