সিলেটে বছরের প্রথম দিনে সবাই পায়নি বই
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: নতুন বছরের প্রথম দিন মানেই শিক্ষার্থীদের নতুন বইয়ের ঘ্রাণ। ১ জানুয়ারি দেশের প্রতিটি প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষার্থীদের কাছে বিনামূল্যের বই পৌঁছে দেয়ার কথা থাকলেও এ বছর তা সম্ভব হয়নি।
সিলেট জেলার ১৩টি উপজেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের জন্য শতভাগ বই দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস। তবে চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের কোন বই আসেনি বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
সিলেট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শাখাওয়াত এরশাদ এসব তথ্য জানান।
উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণীতে সিলেট জেলার ১৩টি উপজেলার মধ্যে ৬টি উপজেলায় ১ লাখ ৩০ হাজার বই এসেছে বলে জানিয়েছেন জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আবু সাঈদ মো: আব্দুল ওয়াদুদ।
তিনি বলেন, ‘যেসব শ্রেণীর বই প্রস্তুত আছে তা বাকি ৭ উপজেলায় আগামীকালের (বৃহস্পতিবার) মধ্যে পৌঁছে যাবে। পাঠ্যক্রম পরিবর্তনের জন্য এবছর কিছু বই আসতে একটু বিলম্ব হচ্ছে। আশা করা যাচ্ছে ১৫ তারিখের মধ্যে সকল বিদ্যালয়ে বই বিতরণ হয়ে যাবে।’
এদিকে বছরের প্রথমদিন সকল শিক্ষার্থীদের হাতে বই দিতে না পেরে দুঃখ প্রকাশ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ।
আজ সকালে রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘নতুন বছরের প্রথম দিনে সারা দেশের সব শিক্ষার্থীর হাতে নতুন বই তুলে দিতে না পেরে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের কাছে আমরা আন্তরিক দুঃখিত।’
এর আগে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনটিসিবি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এ কে এম রিয়াজুল হাসান বলেন, ‘মাত্র আড়াই মাসে ৪৪১টি বই পরিমার্জন করেছি। ছয় কোটি বই গেছে। চার কোটি ট্রাকে ওঠার অপেক্ষায়। ‘আগামী ৫ জানুয়ারি প্রাথমিক ও দশম শ্রেণির সব বই, ১০ জানুয়ারি মাধ্যমিকের আটটি বই এবং ২০ জানুয়ারির মধ্যে সব বই পাঠানোর চেষ্টা করব।’
এদিকে, দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনে পাঠ্যপুস্তকে এসেছে বেশ কিছু পরিবর্তন, যার জন্যে অনেক সংশোধন-পরিমার্জন করেছে এনসিটিবি। ফলে বই ছাপানোর কাজও শুরু হয়েছে দেরিতে। এসব কারণে বিগত বছরগুলোর মতো এবার বছরের প্রথমদিনে শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দিতে পারছে না সরকার। তবে, ওয়েবসাইটে উন্মুক্ত হচ্ছে পরিমার্জিত পাঠ্যবইয়ের অনলাইন ভার্সন।
নতুন বই সবার হাতে দিতে না পারায় পাঠ্যবইয়ের অনলাইন ভার্সনে প্রকাশের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। প্রাথমিক ও মাধ্যমিকের ৪৪১টি বই পরিমার্জন করা হয়েছে, যা অনলাইনে এনসিটিবির ওয়েবসাইটে বইয়ের পিডিএফ কপি পাওয়া যাবে আজ থেকে। বুধবার (১ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে ওয়েবসাইটটি উদ্বোধন করেন অন্তর্বর্তী সরকারের শিক্ষা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ।
Related News
বিয়ানীবাজারে ইউপি চেয়ারম্যানকে বহিষ্কার
Manual6 Ad Code বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলার ১ নম্বর আলীনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানRead More
গোয়াইনঘাটে যুবক হত্যা মামলায় বাবা-মেয়ে কারাগারে
Manual2 Ad Code বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলায় পূর্ব বিরোধ ও এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকেRead More



Comments are Closed