Main Menu

জয়পুরহাটে সোনালী ব্যাংক থেকে গ্রাহকের দেড় লক্ষ টাকা চুরি

মোঃ অালী হাসান, জয়পুরহাট প্রতিনিধি: গত ১০ দিনেও জনতা ব্যাংকের চুরি হওয়া ৪৫ লাখ টাকার হদিস বের না হতেই সোনালী ব্যাংক জয়পুরহাট শাখার ভেতরে এক গ্রাহকের ব্যাগ কেটে দেড় লাখ টাকা চুরির অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সোনালী ব্যাংক জয়পুরহাট শাখার ম্যানেজার এ কে এম মাহবুব উল ইসলাম গ্রাহকের অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনাটি ক্ষতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এদিকে সিসি ক্যামেরা থাকা সত্ত্বেও একের পর এক ব্যাংকে এ ধরনের চুরির ঘটনায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা।
জয়পুরহাট সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক খলিলুর রহমান কাপড়ের ব্যাগে করে চার লাখ টাকা নিয়ে সোনালী ব্যাংকে যান গত বুধবার বেলা সাড়ে ১০টায়। পাঁচ লাখ টাকা পূর্ণ করে পূবালী ব্যাংকে পারিবারিক সঞ্চয়পত্র কিনবেন। এ জন্য এক লাখ টাকা সোনালী ব্যাংক থেকে তোলার জন্য চেক দিয়ে ক্যাশ কাউন্টারে অপেক্ষা করতে থাকেন। এরমধ্যে একটি চক্র ব্যাগ কেটে ৫শ টাকার তিনটি বান্ডিল চুরি করে বলে অভিযোগে জানা যায়।
অপর দিকে, জনতা ব্যাংক জয়পুরহাট শাখার ক্যাশ কাউন্টার থেকে রহস্যজনক ভাবে ৪৫ লাখ টাকা চুরির ঘটনায় চিফ ক্যাশিয়ারসহ তিন জনকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বৃহস্পতিবার জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। গত ৫ ডিসেম্বর ওই তিন জনকে আদালতের মাধ্যমে দুই দিনের রিমান্ড নেয় পুলিশ। গত ২৮ নভেম্বর বেলা ১০টা ৫৩ মিনিটে জেলা শহরের জনাকীর্ণ এলাকা পুরাতন বাটারমোড় এলাকায় অবস্থিত জনতা ব্যাংক জয়পুরহাট শাখায় রহস্যজনক এই চুরির ঘটনা ঘটে। টাকা চুরির ঘটনায় ওই দিনই অজ্ঞাত আসামি করে ম্যানেজার শাহ আলম বাদী হয়ে জয়পুরহাট থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। ব্যাংকের কারো না কারো সংশ্লিষ্টতা ছাড়া এ ধরনের ঘটনা ঘটতে পারে না এমন ধারণা থেকে ব্যাংকের চিফ ক্যাশিয়ার রায়হান আলম, ক্যাশিয়ার সাইফুল ইসলাম ও পিয়ন আমানত হোসেনকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তারপরও ঘটনার গত ১০ দিনেও পুলিশের পক্ষে টাকা উদ্ধার বা চুরির কোন হদিস বের করা সম্ভব হয়নি বলে জানান মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক আব্দুল খালেক। দায়িত্বে অবহেলার কারণে গ্রেফতার হওয়া চিফ ক্যাশিয়ার রায়হান আলম, ক্যাশিয়ার সাইফুল ইসলাম ও পিয়ন আমানত হোসেনকে ইতোমধ্যে সাসপেন্ড করা হয়েছে।

Share





Related News

Comments are Closed