চুয়াডাঙ্গায় আমের সঙ্গে মানকচু চাষ
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক : চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার জয়রামপুর শেখ পাড়ার আঃ মান্নান দেড় বিঘা জমিতে প্রায় দেড় হাজার আম্রপালি আমগাছের সঙ্গে মান কচুর চাষ করেছে। আমগাছ বাড়তে বাড়তে আরো এক বার এই জমিতে মানকচুর আবাদ করে নিতে পারবেন। এতে সে ভালো লাভোবান হবে বলে আশা করছেন।
চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার জয়রামপুর শেখপাড়া গ্রামের লাল মোহাম্মদের ছেলে আঃ মান্নান জানান, গত বছর এ সময় সে শেখ পাড়ার মাঠে দেড় বিঘা জমিতে ২ হাজার মানকচুর চারা লাগায়। সার, সেচ, শ্রমিকসহ প্রায় ১৫ হাজার টাকা খরচ হয়েছে । কচু তুলতে আরো ৫ হাজার টাকার মত খরচ হবে। সব মিলিয়ে তার দেড় বিঘা জমিতে ২০ হাজার টাকা খরচে ফসল উঠে যাবে। ইতি মধ্যে কচু তোলা শুরু হয়েছে।
তিনি আরো জানান, দামুড়হুদা উপজেলা উপ-সহকারী কৃষিকর্মকর্তা সাইফুল ইসলামের পরামর্শে এ চাষ শুরু করেছেন। দীর্ঘ মেয়াদী ১ বছরের ফসল হলে প্রকৃতির কোন প্রভাব না পড়ায় এ মানকচু প্রতিটি গাছে ৬ থেকে ১০ কেজি মানকচু হয়েছে। গড় তার গাছ প্রতি ৮ কেজি করে মানকচু হবে। বাজার দরও ভালো প্রতি কেজি ২০/২৫ টাকা বিক্রি হচ্ছে। বাজার দর এমন থাকলে সে প্রায় ২ লক্ষাধিক টাকার মানকচু বিক্রি করতে পারবে। এতে খরচ বাদে তার প্রায় লক্ষাধিক টাকা লাভ হবে। মান্নান একই জমিতে দেড় হাজার আম্রপালি আমগাছের চারা লাগিয়েছে। এ আম্রপালি গাছ বড় হতে হতে আরো এক বার এই মানকচুর আবাদ করতে পারবে। আগামী বছর তিনি আরো ২বিঘা জমিতে এই কচুর আবাদ করবেন বলে জানান।
চুয়াডাঙ্গা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ভারপ্রাপ্ত) উপ-পরিচালক প্রবীর কুমার বিশ্বাস জানান, মানকচু সাধারনত বসত ভিটায় লাগানো হয়। এটা একটি ভালো মানের সবজি, বাণিজ্যিক ভাবে এর কোন চাষ এখোনো আমাদের এলাকায় হয়নি। আমরা এর চাষ করার জন্য চাষিদেরকে উৎসাহিত করবো। বাণিজ্যিক ভাবে চাষ করলে আমরা চাষিদেরকে সহায়তা করবো। এতে করে চাষিরা ভালো লাভোবান হবে।-বাসস
Related News
পরিত্যক্ত জমিতে লাউ চাষে সাফল্য, বিষমুক্ত সবজিতে হাসি ফুটেছে কৃষক ফারুকের মুখে
আনোয়ার হোসেন রনি, ছাতক সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জের ছাতকে বাড়ির সামনে দীর্ঘদিনের পরিত্যক্ত জমিতে উচ্চফলনশীল লাউRead More
নড়াইলের পাট চাষিরা দাম নিয়ে দুঃচিন্তায়
নড়াইল সংবাদদাতা: নড়াইলের গ্রামীণ জনপদে পাট কাটা,পচানো এবং ধোঁয়ায় ব্যস্ত সময় পার করছেন পাট চাষিরা।অনেকেRead More



Comments are Closed