হবিগঞ্জের কৃঞ্চপুর ট্রাজেডি দিবস সোমবার
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক : হবিগঞ্জের কৃষ্ণপুর ট্রাজেডি দিবস ১৮ সেপ্টেম্বর সোমবার। ১৯৭১ সালের এ দিনে লাখাই উপজেলার হাওর এলাকায় ১২৭ জনকে হত্যা করা হয়েছিল।
হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার অবহেলিত গ্রামের নাম কৃষ্ণপুর। স্বাধীনতার যুদ্ধে ওই গ্রামের ১২৭ জন শহীদ হয়েছেন। পঙ্গুত্ব বরণ করে এখনও বেঁচে আছেন অন্তত ১৫/২০ জন।
কৃষ্ণপুরের পার্শ্ববর্তী চন্ডিপুর। ১৬টি বাড়ি ছিল সেখানে। ৭১ সালে পাক বাহিনী সবকটি বাড়ি পুড়িয়ে দেয়। এখন সেখানে একটি পুকুর রয়েছে। গ্রামের ছিটেফুটাও নেই।
প্রিয়তোষ রায় জানান- ১৯৭১ সালের ২ সেপ্টেম্বর পাক বাহিনীর গুলিতে কে কোনদিকে মরছে তা দেখার উপায় ছিলনা। চোখ বেধে আমাকে অনেক মারপিট করছে। লাশ গুলো ভাসিয়ে দেয়া হয়। লাশ কোথায় গেছে তা আমরা জানি না। লাশের গলায় কলসি বা ইট বেধে লাশ গুলো পাশের নদীতে ফেলা দেয়া হয়। সৎকার করার কোনো লোক ছিল না গ্রামে। তাছাড়া বর্ষা ছিল। লাশ গুলো কোথায় রাখা যাবে? তাই আমরা লাশ গুলোকে এক এক করে নদীতে ভাসিয়ে দিয়েছি। একজন স্বজনের লাশ সৎকার না করে নদীতে ভাসিয়ে দেয়া যে কত কষ্টের তা আমরা ছাড়া আর কে বুঝবে?
স্থানীয়রা জানান, খেলু রাজাকার ও লাল খা রাজাকার মিলিত হয়ে কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রামে অবস্থানকারী পাক বাহিনীর সদস্যদের দিয়ে কৃষ্ণপুর গ্রামের ১২৭ জনকে হত্যা করে।
কৃষ্ণপুরের গণহত্যার জন্য দায়ী করা হয় মুড়াকরি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান লিয়াকত আলীকে। কার বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধ ট্রাইবুন্যালে মামলা হয়েছে। চলছে স্বাক্ষ্য গ্রহণ। এরই মধ্যে গোপনে বিদেশ পাড়ি দিয়েছেন লিয়াকত আলী।
এদিকে কৃষ্ঞপুর গণহত্যা দিবস উপলক্ষে স্থানীয় লোকজন বিভিন্ন কর্মসূচীর আয়োজন করেছেন। লাখাই উপজেলা প্রশসানও সেখানকার বধ্যভূমিতে নির্মিত স্মৃতি সৌধে পুষ্প স্তবক অর্পণ করবে।
Related News
হবিগঞ্জে মোটরসাইকেল-টমটম সংঘর্ষ, দুই বন্ধু নিহত
বৈশখী নিউজ ডেস্ক: ঢাকা-সিলেট পুরাতন মহাসড়কের হবিগঞ্জের চুনারুঘাটের চান্দপুর চা বাগান এলাকায় মোটরসাইকেলের সাথে টমটমRead More
হবিগঞ্জে শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: হবিগঞ্জ শহরের প্রধান সড়কের পাশে ফুটপাত দখল করে গড়ে ওঠা শতাধিক অবৈধRead More



Comments are Closed