Main Menu

কু প্রস্তাব প্রত্যাখান করায় চাকরী হারালেন মমতা

Manual3 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ২৪ ডটকম: শেখ রাসেল শিশু প্রশিক্ষন ও পূণর্বাসন কেন্দ্রের উপপরিচালক কর্তৃক যৌন হয়রানি ও অমানবিক অশ্লীল আচরণের শিকার হয়েছেন কেন্দ্রের এক নারী কর্মচারী। শুধু তাই নয় কেন্দ্র থেকে বের করে দেয়া হয়েছে শিশু কন্যা ও বোনকে। সোমাবার (৩০ জানুয়ারী) সিলেট জেলা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেছেন শেখ রাসেল শিশু প্রশিক্ষন ও পূণর্বাসন কেন্দ্রের কুক মমতা বেগম।
নগরীর ৩৪ কুয়ারপারের বাসিন্দা মরহুম বাছন মিয়ার স্ত্রী মমতা বেগম সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলেন তিনি প্রতিষ্ঠানে আউট সোর্সিং কর্মচারী হিসেবে কুক পদে ২০১৫ সালের নভেম্বর মাসে নিয়োগ পান। কাজ করার কিছুদিন পর তার উপর কু নজর পড়ে প্রতিষ্ঠানের উপপরিচাল নূরে আলম সিদ্দিকীর। বিভিন্ন সময়ে কু প্রস্তাব প্রত্যাখান করলে সর্বশেষ ২০১৬ সালের ২৭ আগষ্ট তিনি আমার উপর ক্ষিপ্ত হয়ে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করেন। এ সময় তিনি আমার জীবননাশ সহ ভিবিন্ন ধরণের ক্ষয় ক্ষতি করবেন বলে ভয়ভীতি দেখান। পরে আমাকে চাকরিচ্যুত করা হয়। তারপর প্রতিষ্ঠানে থাকা আমার শিশু কন্যা আশা (১১) ও বোন ফৌজিয়া (১২) কে জোরপূর্বক বের করে দেওয়ার চেষ্টা করেন। এ ঘটনায় শাহপরান থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়। যার নম্বর ৫০৯। সাধারণ ডায়রীর পেক্ষিতে শাহপরান থানা পুলিশ তদন্ত করে ২১ অক্টোবর সিলেটের অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ২য় আদলতে প্রতিবেদন দাখিল করে। যা গত ১ জানুয়ারি তারিখে আদালতে শুনানী হয়। বর্তমানে মামলাটি বিচারাধীন রয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে মমতা বেগম বলেন, যৌন হয়রানী ও চাকরীচ্যুত হয়ে আদালতে বিচার প্রার্থী হয়েও অসহায় বোধ করছি। প্রতিনিয়ত নূরে আলম সিদ্দিকী আমাকে হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। শিশু প্রশিক্ষন ও পূণর্বাসনে থাকা আমার মেয়ে ও বোনের সাথে যোগাযোগ করতে দিচ্ছে না । তাদের পড়ালেখাও বন্ধ করে দিয়েছে। বছরের শুরুতে উক্ত প্রতিষ্ঠানে কোন শিক্ষার্থী ভর্তি করছে না। যারা প্রতিষ্ঠানে আছে তাদের পড়ালেখা বন্ধ করে দেওয়ায় তাদের জীবন হুমকির সম্মুখিন।
মমতা বেগম শেখ রাসেল শিশু প্রশিক্ষন ও পূণর্বাসন কেন্দ্রে সুষ্টু পরিবেশ ও মানসম্মত শিক্ষা ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনতে এ ব্যাপারে প্রশাসনের উর্ধতন কর্তৃপক্ষসহ সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code