সিসিকের দুর্নীতির তদন্তে নেমেছে দুদক
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেট সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন প্রকল্পে অনিয়ম দুর্নীতিসহ কর্মকর্তাদের অবৈধ উপায়ে সম্পদ অর্জনের তদন্তে নেমেছে দুদক। এ নিয়ে দুদক-সিসিক চিঠি চালাচালি চলছে। দুদক নথি তলব করেছে, সম্পদের হিসাব চেয়েছে। জবাবে সিসিক প্রকল্পের নথি জমা দিয়েছে আর কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত সম্পদের হিসাব জমা দেওয়ার জন্য সময় চেয়েছে।
সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এনামুল হাবীব বরাবরে গত ১ নভেম্বর দুটো চিঠি ইস্যু করে দুদক। দুটো চিঠিই দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপ সহকারী পরিচালক রঞ্জিত কুমার কর্মকার স্বাক্ষরে সিসিকে পৌঁছে। এর মধ্যে একটি চিঠিতে চাওয়া হয়েছে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভারপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলীসহ প্রকৌশলীদের সম্পদ-আয়ের হিসাব। ঐ পত্রে ৮ নভেম্বরের মধ্যে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাসহ প্রত্যেকের সিটি কর্পোরেশনে জমা দেওয়া সম্পদ বিবরণীর সত্যায়িত কপি, তাদের নামে বা স্ত্রী সন্তান ও তাদের উপর নির্ভরশীল ব্যক্তিদের নামে অর্জিত স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির বিবরণ, আয়কর নথি, ব্যাংক হিসাব বিবরণীসহ সংশ্লিষ্ট রেকর্ডপত্রের সত্যায়িত কপি সরবরাহ করতে বলা হয়।
জানা গেছে, ভারপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলীসহ সিসিকে সব মিলিয়ে এক ডজন প্রকৌশলী কর্মরত রয়েছেন। এরা হলেন- প্রধান প্রকৌশলী নূর আজিজুর রহমান, নির্বাহী প্রকৌশলী আলী আকবর, সামসুল হক পাটোয়ারী ও রুহুল আলম, সহকারী প্রকৌশলী অরবিন্দ দেব, আবদুস সোবহান, হাসিবুর রহমান ও জয়দেব বিশ্বাস, উপ সহকারী প্রকৌশলী ইসমাইল হোসেন, লিপু সিংহ, সুমন দেব, মনসুরুল হক রাজু, মুজিবুর রহমান, অংসুমান ভট্টাচার্য রাখু, জুবেদ আলম ও এম এ মহসিন। স্বল্প সময়ের মধ্যে এতো জনের বিস্তারিত হিসাব তৈরি সম্ভব না হওয়ায় সিটি কর্পোরেশন ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত সময় বৃদ্ধির অনুরোধ করে দুদকের কাছে। সে হিসেবে সম্পদের হিসাব জমা দেওয়ার শেষ দিন হচ্ছে আজ বুধবার।
দুদক থেকে পাঠানো অন্য চিঠিতে ৮ নভেম্বরের মধ্যে সিসিকের আওতাধীন নদী সংরক্ষণ সংক্রান্ত প্রকল্পসমূহ, বোরহান উদ্দিন বাইপাস রাস্তায় গৃহীত প্রকল্পসমূহ, বাগবাড়ি থেকে এলজিইডি সিলেটের সামনের রাস্তা নির্মাণ সংক্রান্ত গৃহীত প্রকল্পসমূহ, রিকাবীবাজারের ডা. চঞ্চল রোডে গৃহীত প্রকল্পসমূহের বিস্তারিত তথ্য সরবরাহ করতে বলা হয়। এ তথ্যগুলো অবশ্য যথা সময়েই দুদককে সরবরাহ করে সিসিক। প্রাপ্ত তথ্যগুলোর ভিত্তিতে তদন্তের কাজও ইতোমধ্যে শুরু হয়ে গেছে। তথ্য বিশ্লেষণের জন্য শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর সিলেটের সহকারী প্রকৌশলী মো. আবু সাঈদকে প্রধান করে ২২ নভেম্বর ৪ প্রকৌশলীর একটি টিমও গঠন করেছে দুদক।
দুদক সিলেটের বিভাগীয় পরিচালক শিরিন পারভীন সিটি কর্পোরেশনে নথিপত্র তলব করার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, নির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতেই কাগজপত্র তলব করা হয়েছে। তিনি বলেন, দুর্নীতির প্রমাণ পেলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Related News
ষষ্ঠীতে উমা আসার রঙিন আয়োজন
বিশেষ সংবাদদাতা: বাংলার আকাশে শরতের শুভ্র কাশফুল আর মৃদুমন্দ বাতাসের ছোঁয়া মানেই দুর্গাপূজার আগমনী বার্তা।Read More
‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ স্লোগান এলো কীভাবে?
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: নতুন রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে দলের প্রায় সবRead More



Comments are Closed