Main Menu

প্রেমের ফাঁদে ফেলে দুই স্কুল ছাত্রীকে গনধর্ষণ, আটক ৩

বিশেষ প্রতিনিধি: প্রেমের ফাঁদে ফেলে সিলেট শহরতলীর চিকনাগুলে দুই স্কুল ছাত্রীকে গনধর্ষন করেছে বখাটেরা। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে নিজাম উদ্দিন, কবির মিয়া, উজ্জল মিয়া নামের ৩ যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার দুপুরে শহরতলীর চিকনাগুল এলাকার খান বাগানে এ ঘটনা ঘটে।
ধর্ষিতরা হলো, সিলেট নগরীর পুর্ব শাপলাবাগের সেলিম মিয়ার কলোনীর বাসিন্দা তারা মিয়ার মেয়ে ইউসুফ স্কুলের অষ্টম শ্রেনীর ছাত্রী তাহেরা বেগম (১৩) ও নগরীর রাজপাড়ার মনি মিয়ার কলোনীর বাসিন্দা শহীদ মিয়ার মেয়ে ইউসুফ স্কুলের অষ্টম শ্রেনীর ছাত্রী সোনিয়া বেগম (১৩)। ধর্ষিতা তাহেরাকে মঙ্গলবার রাত ১২টার দিকে সিলেট এমসি কলেজের সামন থেকে এবং সোনিয়াকে বেলা ৩টার দিকে খান বাগান থেকে উদ্ধার করে স্থানীয় জনতা। প্রচুর রক্ত ক্ষরনের ফলে তাদেরকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এ ঘটনায় ধর্ষনকারি সিলেট নগরীর টিলাগড় টিকর পাড়ার আবুল কালামের ছেলে নিজাম উদ্দিন (১৫), শাপলাবাগ ২নং রোডের ১৭নং বাসার নজরুল ইসলামের ছেলে কবির মিয়া (১৭) ও টিলাগড় গোপাল টিলা ২নং রোডের ৬০নং বাসার আজিম মিয়ার ছেলে উজ্জল মিয়া (১৫)কে আটক করেছে পুলিশ।
জানা যায়, সোনিয়ার সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে নিজাম উদ্দিনের এবং তাহেরার সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে কবির মিয়ার। মঙ্গলবার ঈদুল আযহা উপলক্ষে নিজাম ও কবির তাহেরা ও সোনিয়াকে বেড়াতে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে। তাহেরা ও সোনিয়া তাদের কথায় সরল বিশ্বাসে রাজি হয়ে যায়। আর এসব খবর আদান প্রদানে কাজ করে নিজাম ও কবিরের অপর বন্ধু উজ্জল। ঘটনার দিন সকালে তাহেরা ও সোনিয়া কবির, নিজাম ও উজ্জলের সাথে চিকনাগুল খান বাগানে বেড়াতে যায়। এসময় ওখানে আগে থেকেই থাকা নিজাম, কবির ও উজ্জলের অন্যান্য বন্ধরা অপেক্ষা করছিল। পরে তাহেরা ও সোনিয়াকে পালাক্রমে নিজাম, উজ্জল, কবির ও তাদের অন্যান্য বন্ধুরা মিলে ধর্ষন করে ফেলে আসে। তাহেরা নিজেকে কোন রকম সামলে নিয়ে বাসায় ফিরে আসার চেষ্টা করে। রাত ১২টার দিকে এমসি কলেজের সামনে এসে অজ্ঞান হয়ে পড়ে যায়। এসময় তাকে স্থানীয় জনতা উদ্ধার করে ওসমানী হাসপাতালে প্রেরন করেন।
এদিকে সোনিয়াকে গনধর্ষনের ফলে তার প্রচুর রক্তক্ষরন হয়। সে খান বাগানেই পড়ে থাকে। বিকেল ৩টার দিকে স্থানীয় জনতা তাকে উদ্ধার করে টুলটিকর ইউনিয়ন পরিষদের ৩নং ওয়ার্ডের সদস্য হাবিবুর রহমান ফয়সলের হাতে তুলে দেন। পরে সোনিয়া ঘটনাটি খুলে বললে টুলটিকর ইউনিয়ন পরিষদের ৩নং ওয়ার্ডের সদস্য হাবিবুর রহমান ফয়সল স্থানীয় জনতাকে সাথে নিয়ে ধর্ষনকারিদের আটক করে শাহপরান থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন।
এ ব্যাপারে শাহপরান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহজালাল মুন্সি জানান, ঘটনাস্থল জৈন্তাপুর থানাধীন হওয়ায় মামলা হবে জৈন্তাপুর থানায়। আমরা আসামীদেরকে জৈন্তাপুর থানায় পাঠিয়ে দিব।

Share





Related News

Comments are Closed