Main Menu

ছাতক সাবরেজিষ্ট্রি অফিসে অনিয়ম দূর্নীতি

বিশেষ প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জের ছাতক সাবরেজিষ্ট্রি অফিসে সরগরম ঘুষের বাজার। ক্রমশঃ বৃদ্ধি পেয়ে চলেছে এ অফিসের ঘুষ কেলেংকারী। সাব-রেজিষ্ট্রারের বদলে দলিল রেজিষ্ট্রি করে থাকেন অবসরপ্রাপ্ত একজন অফিস সহকারী। হর-হামেশা এমন অভিযোগ ভোক্তভোগীদের।
অভিযোগে প্রকাশ, ছাতক সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসের অফিস সহকারী বাবু রানা দত্ত চৌধুরী অনেক আগেই এলপিআর-এ (অবসরে) চলে গেলেও তিনি এখনো নিয়মিত অফিস করছেন। সাব-রেজিষ্ট্রারের অবর্তমানে তিনিই গ্রহণ করে থাকেন দলিল। বাবু রানা দত্ত চৌধুরী ও মোহরার কৃপেষ আচার্য্য দলিল গ্রহীতাদের কাছ থেকে সরকারী ফি’র অতিরিক্ত দলিল প্রতি ৩শ থেকে ৫শ’ টাকা হারে ঘুষ গ্রহণ করে থাকেন। সাব-রেজিষ্ট্রার শাহ নেওয়াজ খানের অনুমতিতেই অতিরিক্ত এ টাকা আদায় করা হয়ে থাকে। ভোক্তভোগীরা এ ব্যাপারে সাব-রেজিষ্ট্রারকে জিজ্ঞেস করলে তিনি জানান, অফিসের বিভিন্ন সমস্যা ও কাজ আছে। এ কাজের জন্যই অতিরিক্ত টাকা নেয়া হয়ে থাকে। তিনি আরো বলেন, সরকার থেকে অফিসের কাজে কোন বরাদ্দ পাওয়া যায় না । তাই এ টাকা দিয়ে অফিসের নানা সমস্যা সমাধান করা হয়ে থাকে।
অভিযোগে আরো প্রকাশ, সাব-রেজিষ্ট্রার শাহ নেওয়াজ প্রায়ই অফিসে অনুপস্থিত থাকেন। তার স্থলে মোহরার কৃপেষ আচার্য্য ও অবসরপ্রাপ্ত সহকারী বাবু রানা দত্ত চৌধুরী সাবরেজিষ্ট্রারের আসনে বসেই দলিল রেজিষ্ট্রি করে নেন। এ সময় তারা ডিড রাইটারদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকাও আদায় করে থাকেন। ফলে ছাতক সাবরেজিষ্ট্রি অফিসে ঘুষের বাজার এখন সরগরম হয়ে উঠেছে।
অভিযোগের ব্যাপারে ছাতক সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসের অবসরপ্রাপ্ত সহকারী বাবু রানা দত্ত চৌধুরীর সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তখন তিনি ছাতক সাবরেজিষ্ট্রি অফিসেই অবস্থান করছিলেন। তিনি জানান, দু’বছর ধরে আমি অবসরে আছি, তবে মাঝে মধ্যে অফিসে আসি। অবসরে যাওয়ার পর অফিসের কাজ করার কোন নিয়ম নেই । তিনি তার মাধ্যমে ঘুষ গ্রহনের অভিযোগও সম্পূর্ন অস্বীকার করেন।
ছাতকের সাবরেজিষ্ট্রার শাহ নেওয়াজ খানের সাথে মঙ্গলবার (৩০ আগস্ট) বেলা ১টা ১৪মিনিটে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া গেছে।

Share





Related News

Comments are Closed