লন্ডনী কইন্যা ও ইমামের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেটে ‘লন্ডনী কইন্যা’ বিয়ের নামে প্রতারণা করে টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সেই লন্ডনী কইন্যা ও মসজিদের ইমামের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পারোয়ানা জারি করেছেন আদালত।
মঙ্গলবার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ১ এর বিচারক মো. গোলজার হোসেন এ পরোয়ানা জারি করেন।
এরা হচ্ছে বাগেরহাটের মোল্লারহাট উপজেলার নদলা এলাকার কাঞ্চন পুরের অধিবাসী বর্তমানের সিলেট নগরীর মানিকপীর রোড এলাকার লন্ডন প্রবাসী আব্দুল হান্নানের স্ত্রী প্রবাসী রুপসী নাহার চন্দা ও গোয়াইনঘাট উপজেলার মনাইকান্দি গ্রামের বাসিন্দা ও নগরীর বাগবাড়ী মরাটিলা মসজিদের তৎকালীন ইমাম মাওলনা আব্দুল গফুর।
২০১০ সালে চন্দার পিতা অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য ইউনুছ আলী ও তার সহযোগিরা মেয়ে বিয়ের নামে সিলেটের বিভিন্ন যুবকদের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন। প্রতারণার শিকার যুবকদের মধ্যে ছাতকের শিবনগরের মহিম উদ্দিন বাদি হয়ে তাদের বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মামলা করেন। এরমধ্যে গত ৭ জানুয়ারি মেট্রোপলিটন আদালতে চন্দা ও তার পিতা ইউনুছ, ভাই আরাফাত ও মধ্যস্থতাকারী ইমাম গফুরকে আসামী করে মামলা (সিআর ৩৩/১৬) দায়ের করেন। ওই মামলায় দুই জন জামিনে থাকলেও মঙ্গলবার অপর মামলায় দুইজন চন্দা ও গফুরের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়না জারি করেন আদালত। বর্তমানে চন্দা লন্ডনের ম্যানচেস্টার এলাকায় বসবাস করছেন।
ভোক্তভোগীসহ একাধিক সূত্রে জানা গেছে, ইউনুছ আলী পুলিশে চাকরি করার সুবাদে দীর্ঘদিন থেকে তিনি পরিবার নিয়ে সিলেট নগরীতে বসবাস করছেন। বর্তমানে তিনি পুলিশ বাহিনীতে কর্মরত নেই। ইউনুছ আলী সিলেটের আব্দুল হান্নান নামের এক ব্যক্তির সাথে তার মেয়ের বিয়ে দেন। ২০০১ সালে চন্দা যুুক্তরাজ্যে পাড়ি জমান। মাঝে মধ্যে দেশে আসতেন। ২০১০ ও ২০১১ সালে তিনি মেয়েকে নিয়ে প্রতারণা করেন। ওই সময় সিলেটের একাধিক যুবকের কাছ থেকে মেয়ে বিয়ে দেওয়ার নাম করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন। এরমধ্যে মহিম উদ্দিন একজন। ২০১০ সালের ২১ ফেব্রয়ারি ছাতকের শিবনগর গ্রামের মহিম উদ্দিনের সাথে চন্দার বিয়ে দেন পিতা ইউসুছ আলী। বিয়ের নামে তিনি ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা নেন। কয়েক মাস পর ইউনুছ আলীর প্রতারণার বিষয়টি বুঝতে পেরে মহিম বিচার প্রার্থী হন নগরীর ৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর রেজাউল হাসান কয়েস লোদীর কাছে। তিনি উভয় পক্ষকে ডেকে আনেন। এক পর্যায়ে মহিমকে সাড়ে ৭ লাখ টাকার চেক প্রদান করেন ইউনুছ। যদিও পরবর্তীতে চেকটি ডিজঅনার হয়। টাকা উদ্ধার না করতে পেরে এরমধ্যে গত ৭ জানুয়ারি মেট্রোপলিটন আদালতে চন্দা ও তার পিতা ইউনুছ, ভাই আরাফাত ও মধ্যস্থতাকারী ইমাম গফুরকে আসামী করে প্রতারণার মামলা (সিআর ৩৩/১৬) দায়ের করেন। সেই মামলায় আদালত চন্দা ও ইমামের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।
Related News
মে মাসে নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা ৩২৬টি, ধর্ষণের শিকার ৭৮
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: চলতি বছরের মে মাসে বাংলাদেশে মোট ৩২৬টি নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনাRead More
স্বপ্নার নতুন জীবনের শুরু
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: মাত্র চার বছর বয়সে সিলেট রেলওয়ে স্টেশনের ব্যস্ত প্ল্যাটফর্মে অসহায় অবস্থায় পাওয়াRead More



Comments are Closed