Main Menu

সিলেটে আপন ভাতিজীর সর্বনাশ করল চাচা!

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলার কুড়ারবাজার ইউনিয়নের পঞ্চম শ্রেণি পড়ুয়া ১১ বছর বয়সী আপন ভাতিজীকে ধর্ষণের অভিযোগে আপন চাচা হাছান আহমদ (৪০) বিরুদ্ধে ঘটনার এক মাস পর মামলা দায়ের করা হয়েছে। আর মামলা দায়েরের পর থেকেই অভিযুক্ত চাচা পলাতক রয়েছেন।

গত ১১ সেপ্টেম্বর ধর্ষিতার মা বাদি হয়ে মামলাটি দায়ের করেছেন। এর আগে, গত ৮ আগস্ট উপজেলার কুড়ারবাজার ইউনিয়নের খশির নয়াবাড়ি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত হাছান আহমদ একই গ্রামের মৃত আপ্তাব আলীর ছেলে। তিনি পেশায় একজন প্রাইভেটকার চালক।

মামলা ও ভুক্তভোগী শিশুর মা জানান, তার স্বামী বর্তমানে প্রবাসে আছেন। মেয়েকে নিয়ে তিনি বাড়িতে একাই বসবাস করছেন। ঘটনার দিন তিনি আসরের নামাজ আদায় করছিলেন। সেসময় স্বামীর বড়ভাই ভাসুর হাছান আহমদ তার মেয়েকে তার শয়নকক্ষে ডেকে নিয়ে হাত ও মুখ চাপা দিয়ে ধর্ষণ করেন।

তিনি আরও জানান, গত ৫ সেপ্টেম্বর ভুক্তভোগী শিশুকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। এ ঘটনায় তিনি তার ভাসুর হাছান আহমদকে অভিযুক্ত করে বিয়ানীবাজার থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা দায়ের করেছেন।

ভুক্তভোগী শিশুটির মা বলেন, যেহেতু বিষয়টি একই পরিবারের মধ্যে এবং চিকিৎসা সংক্রান্ত কাজে ব্যস্ত ছিলাম সেজন্য আমরা সময়ক্ষেপন করেছি। তিনি বলেন, আমার মেয়ের বয়স মাত্র ১১ বছর। আমি আর কিছুই বলতে চাই না, আমি শুধু ন্যায়বিচার এবং অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

কুড়ারবাজার ইউপি চেয়ারম্যান তুতিউর রহমান তোতা ও স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুল মালিক জানান, বিষয়টি বিভিন্ন মাধ্যমে আমাদের কানে এসেছে। তবে ভুক্তভোগীদের কেউই আমাদেরকে বিষয়টি জানায়নি।

মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বিয়ানীবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবু জাফর মো মাহফুজুল করিম বলেন, ঘটনার মাস খানেক পর ভুক্তভোগী শিশুটির মা বাদী হয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। তবে মামলার অভিযুক্ত হাছান আহমদ বর্তমানে পলাতক, তাকে গ্রেপ্তারের জন্য আমরা চেষ্টা চালাচ্ছি। ভুক্তভোগী শিশুটির ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে বলেও জানান তিনি।

Share





Related News

Comments are Closed