Main Menu

বালুচরে রাস্তাকেটে নেয়া হচ্ছে চোরাই পানির লাইন

বিশেষ প্রতিনিধি : সিলেট সিটি এলাকায় পানির জন্য সব সময হাহাকার লেগে থাকে। অথচ সিলেট সিটির বাইরের এলাকায় অবৈধভাবে নেয়া হচ্ছে সিসিকের সাপ্লাইয়ের পানির লাইন। পাশাপাশি কেটে ফেলা হচ্ছে সিলেট সদর উপজেলা পরিষদের পাকারাস্তা। সৃষ্টি করা হচ্ছে যান ও জনচলাচলে দূর্ভোগ। বুধবার (১০আগস্ট) সকালে শহরতলীর টুলটিকর ইউনিয়নের বালুচর নতুনবাজার এলাকায় রাস্তাকাটা ও চোরাই পানির লাইনের এ কাজ শুরু করা হয়েছে।
জানা গেছে, বালুচর নতুনবাজার এলাকার সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মরহুম মনির মিয়ার বাসায় ও পার্শ্ববর্তী সীমান্তিক ভবনে এর আগেও অবৈধভাবে সিটি কর্পোরেশনের সাপ্লাইয়ের পানির চোরাই লাইন নেয়া হয়। এখন সিটি এলাকা থেকে অর্ধকিলোমিটার দূরবর্তী বালুচর নতুনবাজারস্থ রাহেনা ভিলায় রাস্তা খুড়ে নেয়া হচ্ছে সিটি কর্পোরেশনের অবৈধ পানির লাইন। টাকার বিনিময়ে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ম্যানেজ করেই পানিচুরির এ লাইন বসানো হচ্ছে বলে স্থানীয়ভাবে অভিযোগে পাওয়া গেছে।
এ ব্যাপারে রাস্তা খোড়ার কাজের দায়িত্বপ্রাপ্ত গেদু মিয়াকে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি জানান, ইউপি মেম্বার কাছা মিয়ার নির্দেশে তিনি এ কাজের দায়িত্ব পেয়েছেন। পানির লাইন ও রাস্তা কাটার অনুমতির ব্যাপারে তার কিছুই জানা নেই।
এব্যাপারে টুলটিকর ইউপি মেম্বার কাচা মিয়ার সাথে মুটোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, পানির লাইন সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মুছব্বিরের আমল থেকেই। লাইন উপরে থাকায় পানি উপচে পড়ে রাস্তা ভেসে যায়, তাই আমরা রাস্তার তিন ফুট গভীর দিয়ে পানির লাইন নিতে সংশ্লিষ্টদের বলেছি। তবে সিলেট সিটি কর্পোরেশন থেকে পানির লাইন নেয়ার অথবা উপজেলা পরিষদ থেকে রাস্তাকাটার অনুমতি আছে কি না তা’ তার জানা নেই। তিনি আরো জানান, স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা জুয়েল সংশ্লিষ্ট বাসাগুলোর মালিকদের কাছ থেকে ঠিকাদারী নিয়ে গেদু মিয়াকে দিয়ে এ কাজ করাচ্ছেন।
এ ব্যাপারে সিলেট সদর উপজেলার টুলটিকর ইউপি’র নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান আলী হোসেনের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে পানির এ লাইন ও রাস্তা কাটা সম্পর্কে তিনি মোটেই অবগত নন বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন।

Share





Related News

Comments are Closed