ঠাকুরগাঁওয়ে বিদ্যুৎ বিল নিয়ে ভোগান্তি
আব্দুল আউয়াল, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: বিদ্যুৎ বিল নিয়ে ভোগান্তি পোহাচ্ছেন ঠাকুরগাঁও শহরবাসী। মিটার রিডাররা বাড়ি এসে মিটার দেখে বিল না করায় প্রতিমাসে ব্যবহার করা ইউনিটের চেয়ে বেশি বা কম হারে বিল পরিশোধ করছেন গ্রাহকরা। ফলে অতিরিক্ত বিল পরিশোধে বাধ্য হচ্ছেন তারা। গত দুই মাসে বিদ্যুৎ বিল নিয়ে ঠাকুরগাঁওয়ের অনেক গ্রাহক এ সমস্যার শিকার হয়েছেন। এ ঘটনায় গ্রাহকরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
ঠাকুরগাঁওয়ে বর্তমানে ২৬ হাজার গ্রাহক আছে পৌর এলাকায়। তার বিপরীতে সরকারীভাবে মিটার রিডার মাত্র ৩ জন। এই ৩ জন দিয়ে এত মিটার দেখা সম্ভব নয় বলে জানান বিদ্যুৎ অফিসের কর্মকর্তারা।
গ্রাহকদের অভিযোগে জানা যায়, বিদ্যুৎ বিলের কাগজে লেখা ইউনিটের সঙ্গে মিটারের ইউনিটের কোনো মিল পাওয়া যায় না। যে পরিমাণ বিদ্যুৎ ব্যবহার করা হয় তার চেয়ে বিলের টাকার পরিমাণ অনেক সময় বেশি লেখা থাকে। এ ছাড়া বিদ্যুৎ বিলের টাকা পরিশোধ করা হলেও লাইনম্যান মিটার থেকে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার ঘটনার উপক্রম হয়েছে। আদৌ কোনো বিল রিডার গ্রাহকদের মিটার দেখে বিল লিখেন না বলেও জানা যায়।
এছাড়াও নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা যায়, মিটার রিডারকে টাকা দিলে তারা প্রতি মাসে বিদ্যুৎ বিল কমিয়ে দেয়। বিভিন্ন বাড়িতে অটো চার্জার চার্জের জন্যও অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ দিতেও সহযোগিতা করে থাকে এসব মিটার রিডাররা। আবার মিটার রিডার কম হওয়ায় নিয়োগ প্রাপ্ত রির্ডাররা তাদের সহযোগিতার জন্য নিজ উদ্যোগে মিটার রির্ডারের নিয়োগ দিয়ে থাকে।
ঠাকুরগাঁও হাজিপাড়ার বাসিন্দা নাজমুল ইসলাম জানান, মিটার রিডাররা মিটার দেখে ইউনিট না লেখায় সারা বছরের ব্যবহৃত বিদ্যুৎ ইউনিটের অবশিষ্ট ইউনিটগুলো গ্রাহকদের বিদ্যুৎ বিলের কাগজে তুলে দেয়া হয়। হঠাৎ করে বেশি টাকা বিদ্যুৎ বিল আসায় গ্রাহকদের চোখ কপালে উঠে যায়।
ঠাকুরগাঁও আশ্রমপাড়া এলাকার বাসিন্দা মনসুর আলী জানান, মিটার রির্ডাররা মিটার না দেখে বিল দেয়। তাই দেখা যায় কোন মাসে বিল কম আসে আবার কোন মাসে বেশি আসে। এতে বিল দিতে আমাদের মতো সাধারণ মানুষকে হয়রানির শিকার হতে হয়।
ঠাকুরগাঁও বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের উপ-প্রকৌশলী মুক্তা মনি জানান, আমাদের লোকবল খুবই কম। প্রতি মাসে মিটার দেখে মিটার রিডারদের ইউনিট লিখার নিয়ম থাকলেও সেটা অনেক সময় সম্ভব হয় না। সে কারণে অনুমান করে বিদ্যুৎ বিলের কাগজে ইউনিট লিখা হয়। এতে বিল কম বেশি হতে পারে। কোনো গ্রাহকের এ ধরনের সমস্যা হয়ে থাকলে তারা অফিসে আসলে বিলের কাগজ ঠিক করে দেয়া হবে।
Related News
সিজারের কয়েক ঘণ্টা পর প্রসূতির মৃত্যু, নিউ অতিথি ক্লিনিক সিলগালা
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: লালমনিরহাটের নিউ অতিথি ক্লিনিক অ্যান্ড নার্সিং হোমে সিজার অপারেশনের কয়েক ঘণ্টা পরRead More
পঞ্চগড়ের আকাশে মায়াবী কাঞ্চনজঙ্ঘা, মেঘ সরতেই ধরা দিল হিমালয়ের রূপালি মুকুট
সফিকুল আলম দোলন, পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি: অপেক্ষার প্রহর শেষে মেঘের আড়াল ভেদ করে উত্তরের আকাশেRead More



Comments are Closed