Main Menu

শ্রীমঙ্গলে সিএনজি-মাইক্রোবাস শ্রমিক সংঘর্ষ, সাংবাদিকসহ আহত ২০

Manual4 Ad Code

শ্রীমঙ্গল সংবাদদাতা: মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে সিএনজি অটোরিকশা শ্রমিক ও মাইক্রোবাস শ্রমিকদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও হামলার ঘটনায় ৩ জন সাংবাদিকসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় প্রায় ২ ঘণ্টার বেশী সময় ধরে শ্রীমঙ্গল শহর এবং ঢাকা-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়, ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ যাত্রীরা।

মঙ্গলবার (১৯ মে) দুপুর দেড়টা থেকে বিকেল সাড়ে তিনটা পর্যন্ত শ্রীমঙ্গলের চৌমুহনা, স্টেশন রোড ও পেট্রোল পাম্প এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও শ্রমিক সূত্রে জানা যায়, হবিগঞ্জ রোডে সকালে এক সিএনজি শ্রমিকের সঙ্গে মাইক্রোবাস শ্রমিকদের বাকবিতণ্ডার ঘটনা ঘটে। পরে বিষয়টি কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

Manual2 Ad Code

অভিযোগ রয়েছে, ওই ঘটনার পর মাইক্রোবাস শ্রমিকদের কয়েকজন সিএনজি শ্রমিকদের স্ট্যান্ডে গিয়ে হামলা ও মারধর করেন। এর প্রতিবাদে সিএনজি শ্রমিকরা শ্রীমঙ্গল চৌমুহনা এলাকায় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন।

Manual5 Ad Code

অবরোধের ফলে ঢাকা-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কে দূরপাল্লার যানবাহনসহ স্থানীয় পরিবহন চলাচল ব্যাহত হয়। এতে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।

একপর্যায়ে মাইক্রোবাস শ্রমিকরা সংগঠিত হয়ে স্টেশন রোড ও পেট্রোল পাম্প এলাকায় অবস্থান নিলে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। পরে সংঘর্ষ আরও ছড়িয়ে পড়লে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে।

সংঘর্ষ চলাকালে স্থানীয় সাংবাদিকদের ওপরও হামলার ঘটনা ঘটে। এতে শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাবের সিনিয়র সদস্য ইসমাইল মাহমুদ, সাংবাদিক আমজাদ হোসেন বাচ্চু ও এহসানুল হক আহত হন। পরে স্থানীয় সাংবাদিকরা আহতদের উদ্ধার করে শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। সাংবাদিক আমজাদ হোসেন বাচ্চু কে বেদক মারধোর করা হয়।

এ ঘটনায় দুই পক্ষের বেশ কয়েকজন শ্রমিকও আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

Manual1 Ad Code

খবর পেয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মুজিবুর রহমান চৌধুরী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জিয়াউর রহমান, শ্রীমঙ্গল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জহিরুল ইসলাম মুন্না এবং ব্যবসায়ি সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. কামাল হোসেন, সহসভাপতি মো: শামীম আহমদ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে আহত সাংবাদিকদের খোঁজখবর নেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জিয়াউর রহমান বলেন, “ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

শ্রীমঙ্গল থানার ওসি জহিরুল ইসলাম মুন্না বলেন, “পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। উভয় পক্ষের সঙ্গে কথা বলে শান্তিপূর্ণ সমাধানের চেষ্টা চলছে।”

স্থানীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মুজিবুর রহমান চৌধুরী বলেন, “দুই পক্ষকে নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে একটি সুন্দর সমাধানে পৌঁছানোর চেষ্টা করা হবে।”

Manual7 Ad Code

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code