Main Menu

তেল শেষ হওয়ায় মাঝপথেই থেমে গেলো সিলেট থেকে ছেড়ে যাওয়া বাস

Manual2 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেট থেকে ৩০জন যাত্রী নিয়ে কক্সবাজার যাচ্ছিল হানিফ পরিবহনের একটি বাস। প্রায় ১৩ ঘণ্টা পর চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড পৌঁছায়। এরপর তেল শেষ হওয়ায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ওপরই বাসটি বন্ধ হয়ে পড়ে। ফলে গন্তব্যে যাওয়া নিয়ে ভোগান্তিতে পড়তে হয় যাত্রীদের।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকাল ৭টার দিকে সীতাকুণ্ড উপজেলার ভাটিয়ারী ইউনিয়নের বানুর বাজার এলাকায় বাসটির তেল শেষ হয়ে বন্ধ হয়ে পড়ে। এর আগে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সিলেট থেকে রওনা দেয় বাসটি।

যাত্রীরা জানান, জ্বালানি তেল নিতে বাসটির চালকের সহকারী বালতি নিয়ে আশপাশের ফিলিং স্টেশনে ঘুরছেন। তবে এক ঘণ্টা পার হলেও বাসটির জন্য জ্বালানি তেলের কোনও ব্যবস্থা করা যায়নি।

Manual8 Ad Code

বাসের যাত্রীদের একজন ওবায়দুর রহমান। তিনি জানান, কক্সবাজারের টেকনাফে যাওয়ার উদ্দেশে সিলেট থেকে বাসটিতে ওঠেন তিনি। মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টায় বাসটি যাত্রা শুরু করে। এরপর কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে গিয়ে সারিতে অপেক্ষার পর জ্বালানি তেল নিয়েছে। ১০, ২০ লিটার করে তেল দেওয়া হয়। ১০ লিটারের বেশি তেল পেতে দুটি ফিলিং স্টেশনে বাড়তি টাকাও দিয়েছেন চালক। এরপরও জ্বালানি তেল শেষ হয়ে যাওয়ায় বাসের ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে গেলো।

Manual4 Ad Code

আরেক যাত্রী বলেন, ‘সকাল ৯টায় কক্সবাজারে আমার পেশাগত একটি প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়ার কথা। অথচ সীতাকুণ্ডেই ৮টা বেজে গেলো। প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করতে আদৌ পারবো কি না জানি না।’

বাসচালক ওসমান গনি জানান, সিলেট থেকে কক্সবাজার যেতে তার বাসে ১৬০ লিটার জ্বালানি তেল লাগে। তিনি যাত্রা শুরু করেছেন ৭০ লিটার তেল দিয়ে। পথে অনেক ফিলিং স্টেশনে তেল নেওয়ার চেষ্টা করেছেন। তিনটিতে সামান্য তেল পেয়েছেন। বাকি ফিলিং স্টেশনে দীর্ঘ অপেক্ষার পরও তেল পাননি। তাই বাসের ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে গেছে। সীতাকুণ্ড থেকে কক্সবাজার যেতে তার আরও কমপক্ষে ৬০ লিটার জ্বালানি তেল লাগবে।

Manual6 Ad Code

ওসমান গনি বলেন, ‘কিছু যাত্রী চট্টগ্রামে নামার কথা। ওই যাত্রীদের কয়েকজনকে কিছু টাকাপয়সা দিয়ে লোকাল গাড়িতে তুলে দিচ্ছি। বাকি যাত্রীদের আমাদের কোম্পানির অন্য একটি গাড়িতে তুলে দেবো। আর কোনও উপায় নেই। তেলের জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছি।’

Manual5 Ad Code

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code