Main Menu

ওসমানীনগরে ওসির বাসার সামনে ছিনতাইয়ের শিকার গৃহবধূ

Manual1 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেটের ওসমানীনগরে মেয়েকে স্কুলে দিয়ে বাড়ি ফেরার পথে মিতা দেব নামের এক গৃহবধু ছিনতাইয়ের শিকার হয়েছেন। ওসমানীনগর থানার ভারপ্রপ্ত কর্মকর্তার বাসার সামনেই এ ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে।

Manual4 Ad Code

মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৯টায় দিকে ওসমানীনগর থানার পার্শ্ববর্তী গোয়ালাবাজার ইউপির ইলাশপুর গ্রামের আর কে টাওয়ারের সামনে ছিনতাইয়ের ঘটনাটি ঘটে।

Manual3 Ad Code

এসময় ছিনতাইকারীরা গৃহবধুর গলায় ধারালো অস্ত্র ধরে একটি স্বর্ণের চেইন ও একজোড়া কানের দোল লুট করে নিয়ে যায়।

ছিনতাইয়ের শিকার গৃহবধু মিতা দেব ইলাশপুর গ্রামের প্রমোদ দত্তের মেয়ে ও গোয়ালাবাজারের জননী পাদুকা গৃহের স্বত্তাধীকারী স্বপন দত্তের স্ত্রী।

ছিনতাইয়ে শিকার গৃহবধুর পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার ইলাশপুর লালাকৈলাশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণিতে পড়ুয়া তাদের কন্যা সন্তান মাধু দত্তকে স্কুলে দিতে যান মিতা দেব। সকাল সাড়ে ৯টায় বাড়ি ফেরার পথে ওসমানীনগর থানার পার্শ্ববর্তী ওসি মুরশেদুল আলম ভুইয়ার বাসা আর কে টাওয়ারের সামনে আসা মাত্র পিছন দিক থেকে মোটরসাইকেল যোগে আসা ৩জন ছিনতাইকারী মিতা দেবের গতিরোধ করে। এ সময় অজ্ঞাতনামা ছিনতাইকারীরা মিতা দেবের গলায় ধারালো ছুরি ও ধারালো অস্ত্র ধরে গলার স্বর্ণের চেইন ও একজোড়া স্বর্ণের কানের দোল লুট করে পালিয়ে যায়।

Manual8 Ad Code

থানার একদম নিকটবর্তী ও ওসির বাসার সামনেই সাজসকালে জনবহুল এলাকায় প্রকাশ্যে এমন ছিনতাইয়ের ঘটনায় ইলাশপুর এলাকার মানুষের মাঝে আতংক বিরাজ করছে। মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে ছিনতাইয়ের শিকার মিতা দেবের বাসায় ৩/৪জন সাংবাদিক গেলে ভয়ে আর আতংকে তারা বাসার গেইট খুলতে চাননি, কিছু সময় ডাকাডাকি করে সাংবাদিক পরিচয় দিলে তারা বাসার গেইট খুলে দেন। তবে ভয়ে মিতা দেব সাংবাদিকদের সাথে কোনো কথা বলতে রাজি হননি।

মিতা দেবের স্বামী স্বপন দত্তের সাথে গোয়ালাবাজারে তার দোকানে গিয়ে ছিনতাইয়ের বিষয় জানতে চাইলে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে তিনি বলেন, আমার মেয়েকে স্কুলে দিয়ে বাড়ী ফেরার পথে ওসি সাহেবের ভাড়া বাসা আর কে টাওয়ারের সামনে ৩জন ছিনতাইকারী ধারালো অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে আমার স্ত্রীর গলায় থাকা একটি স্বর্ণের চেইন ও কানের একজোড়া দোল নিয়ে যায়। ছিনতাইকারীদের মধ্যে একজনের মাথায় হেলমেট ছিল অন্য দুজনের মুখ খোলা ছিল তবে তাদেরকে আমার স্ত্রী চিনতে পারেননি। তবে এঘটনায় তারা আইনানুগ কোনো ব্যবস্থা এখনো গ্রহন করেননি বলে জানান তিনি।

ওসমানীনগর থানার ওসি মুরশেদুল আলম ভুইয়া বলেন, ঘটনাটি আমার জানা নেই, বিষয়টি খোঁজ নিচ্ছি।

Manual7 Ad Code

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code