গোয়াইনঘাটে ঝড়ে ব্যাপক ক্ষতি, বজ্রপাত ও বিদ্যুৎস্পৃষ্টে নিহত ২
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলায় গত দু’দিনের কালবৈশাখী ঝড়, শিলাবৃষ্টি আর বজ্রপাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বজ্রপাত ও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে নিহত হয়েছেন দু’জন। ঝড়ে শতাধিক ঘরবাড়ী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিপর্যস্ত রয়েছে বিদ্যুৎ ব্যবস্থা।
গত সোমবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩ টায় ও মঙ্গলবার রাত ১০টা ৫০ মিনিটে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে বয়ে যাওয়া কালবৈশাখী ঝড়ে ঘরবাড়ির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। গাছপালা উপড়ে পড়ে বৈদ্যুতিক লাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। বিভিন্ন বাড়ির উপর দিয়ে টানা ঝুঁকিপূর্ণ বৈদ্যুতিক লাইন আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। বিদ্যুৎ কর্মীরা কাজ করেও সরবরাহ স্বাভাবিক করতে পারছেন না। ফলে গোয়াইনঘাট সদর ছাড়া পল্লী এলাকায় গ্রাহকরা দুর্ভোগে রয়েছেন।
এদিকে, গত ২০ এপ্রিল দুপুরে ঝড়ে ছিড়ে পড়া তারে বিদ্যুতায়িত হয়ে নিহত হন লাবু গ্রামের ময়না মিয়ার ছেলে জসির উদ্দিন (২০)। একই দিন সন্ধ্যার পর কামাইদ বাজার থেকে বাড়ি যাবার পথে বজ্রপাতে নিহত হন কামাইদ গ্রামের হরেশ দাসের ছেলে তপন দাস (৩০)। এছাড়াও ঝড়ে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে শতাধিক ঘর বাড়ি।
১২ নং সদর ইউপির চেয়ারম্যান গোলাম রাব্বানী সুমন জানান, তার ইউপিতে অর্ধশত ঘর সম্পূর্ণ এবং শতাধিক ঘরবাড়ি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শিলাবৃষ্টিতে অসংখ্য ঘরের টিনের চাল ঝাজরা হয়ে গেছে। উপজেলা সদরে ডরমেটরি ভবনের সামনে বিশাল গাছ পড়ে সীমানা প্রাচীর ভেঙ্গে গিয়েছে। ফলে হাসপাতাল রোডে যান চলাচল বুধবার বেলা ৩টা পর্যন্ত বন্ধ থাকতে দেখা যায়। একই সাথে বাড়ছে গোয়াইন, পিয়াইন, সারি নদীর পানি। বোরো ফসল নিয়ে শঙ্কাগ্রস্ত রয়েছেন কৃষকরা। ঝড় শিলাবৃষ্টি আর বজ্রপাতে এলাকাবাসীর মনে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।
পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ গোয়াইনঘাট সাবজোনাল অফিসের এজিএম শহিদুল ইসলাম জানান, গত দুদিনের কালবৈশাখী ঝড়ে অনেক জায়গায় গাছ পড়ে বিদ্যুৎ লাইন ছিঁড়ে গেছে, লাইন চেক করে বিদ্যুৎ সরবরাহের চেষ্টা করছি।
Related News
সিলেটে ৭৫ লাখ টাকার ভারতীয় চোরাচালানি পণ্য জব্দ, আটক ১
Manual1 Ad Code বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেটের সীমান্তবর্তী এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৭৫ লাখ ৩৯ হাজারRead More
কানাইঘাটে ১৬৮০ কেজি ভারতীয় জিরাসহ গ্রেফতার ৩
Manual5 Ad Code বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেটের কানাইঘাট থানা পুলিশের অভিযানে প্রায় সাড়ে ৮ লক্ষRead More



Comments are Closed