Main Menu

ফেসবুকে পোস্ট নিয়ে দু’পক্ষের সংঘর্ষে আহত ২০

Manual1 Ad Code

সুনামগঞ্জ সংবাদদাতা: সামাজিক যেগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট দেয়াকে কেন্দ্র করে দুইপক্ষের সংঘর্ষে উভয়পক্ষের কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়েছেন।

রোববার (২২ মার্চ) রাতে সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার পাথারিয়া বাজারে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

Manual2 Ad Code

সংঘর্ষের সময় একটি মিনি মার্কেট ভাংচুর, দুটি দোকান লুট এবং তিনটি মোটর সাইকেল ভাংচুর করা হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থালে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেছে। সংঘর্ষস্থল থেকে সাতজনকে আটক করেছে সেনাবাহিনী। সোমবার ভোরে এই সাতজনকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।

স্খানীয়রা জানিয়েছেন, সংঘর্ষে জড়িত দুইপক্ষই স্থানীয় বিএনপির ফারুক আহমদ ও আনছার উদ্দিনের সমর্থক।

Manual6 Ad Code

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ফেসবুক আইডি থেকে দেওয়া স্ট্যাটাস নিয়ে গাজীনগর গ্রামের মনির মিয়া ও আঙ্গুর মিয়ার লোকজনের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। গ্রামের বয়োজ্যেষ্টরা বিষয়টি সামাজিকভাবে নিস্পত্তির জন্য রাত নয়টায় উভয়পক্ষকে নিয়ে সালিস বৈঠকে বসেন। একইসময় মনির মিয়ার লোকজন আঙ্গুর মিয়ার মার্কেটে হামলা করে। এসময় দোকানপাট ভাংচুর ও লুটপাট শুরু হয়। একপর্যায়ে আঙ্গুর মিয়ার পক্ষের লোকজনও এসে সংঘর্ষে যুক্ত হয়। দুইপক্ষের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছায়। পুলিশের উপস্থিতিতেও চলতে থাকে সংঘর্ষ। শেষে শান্তিগঞ্জ সেনাক্যাম্প থেকে সেনাবাহিনী যায় সেখানে। সেনাবাহিনী ঘটনাস্থল থেকে সাতজনকে আটক করলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

আঙ্গুর মিয়ার পক্ষের জিয়াউর রহমান জানান, ফেসবুক স্ট্যটাস কে বা কার উদ্দেশ্যে কোন আইডি থেকে দিয়েছে এটি জানি না। অপরিচিত আইডির স্ট্যাটাস বলেছেন অনেকে। মূলত: সরকারি যাত্রী ছাউনি মনির মিয়ার লোকজন ভেঙে ফেলায় বেশ কিছুদিন হয় উত্তেজনা বিরাজ করছে। এরমধ্যে ফেসবুক স্ট্যটাসকে উপলক্ষ করে একদিকে পরিকল্পিতভাবে সালিস বৈঠকে বসে মনির মিয়ার লোকজন অন্যদিকে তারাই রাজ্জাকের নেতৃত্বে আঙ্গুর মিয়ার মার্কেটে হামলা ভাংচুর ও লুটপাট চালায়। এসময় রেহান স্টোরের ক্যাশে রাখা আড়াই লাখ টাকা ও মালামাল লুট, বারাকাত রেস্টুরেন্ট ভেঙে গুড়িয়ে দেওয়া এবং তিনটি মোটর সাইকেল ভাংচুর করা হয়। মনির মিয়ার পক্ষের লোকজনের এলোপাতাড়ি হামলায় আমাদের পক্ষের কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়েছে। গুরুতর আহত আতাউর (২৯), জাবেদ (২০) ও ইউনুস (২৪) কে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

Manual7 Ad Code

মনির মিয়া বলেন, ফেসবুকে পাথারিয়া গ্রামের বিরুদ্ধে স্ট্যাটাস দিয়ে আমাদের বিরুদ্ধে উসকে দেওয়া হয়। পরে আঙ্গুর মিয়ার পক্ষের রেজু, নুরু মিয়া, রফিক, আছকির, রইছ আলী, আক্তার ও জাবেদ রামদা দিয়ে এলোপাতাড়ি আক্রমণ শুরু করে। তাদের রামদার আঘাতে আমাদের পক্ষের মোহাম্মদ আলী (৪৫), লিল মিয়া (৪০) ও মাহবুব আলী (১৮) গুরুতর আহত হয়। মোহাম্মদ আলীকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং অন্য দুজনকে দিরাই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। যাত্রীছাউনি ভাঙার বিষয়টি অসত্য বলে দাবি করেন তিনি। তিনি জানান, জাবেদ-ফাহিমসহ তাদের পক্ষের সাতজনকে সেনাবাহিনী আটক করে নিয়ে আসে।

Manual8 Ad Code

শান্তিগঞ্জ থানার মো. অলিউল্লাহ ওসি জানান, পাথারিয়ার ঘটনায় সেনাবাহিনী সাতজনকে আটক করে ভোর রাতে পুলিশের কাছে দিয়েছে। এই ঘটনায় সোমবার বেলা দেড়টা পর্যন্ত কেউ মামলা দায়ের করেনি।

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code