বিশ্বনাথে বিদ্যালয়ের চোরাই মালামালসহ যুবক আটক
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার ‘হাজরাই-আতাপুর সরকারি প্রাাথমিক বিদ্যালয়’ থেকে চুরি হওয়া সিলিং ফ্যান’সহ সাইফুল আমিন (২৪) নামের একজনকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ। সে উপজেলার লামাকাজী ইউনিয়নের আতাপুর গ্রামের মৃত ফিরোজ আলীর পুত্র।
বিদ্যালয়ে চুরি হওয়ার ঘটনায় উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শাহীন মাহবুব বাদি হয়ে থানায় দায়ের করার মামলায় (মামলা নং ৮ ও তারিখ ১৬.০৫.২০২৫ইং) শুক্রবার রাতে সাইফুল আমিনকে তার নিজ বাড়ি থেকে চোরাইকৃত সিলিং ফ্যান’সহ গ্রেপ্তার করে থানা পুলিশ।
থানা পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার লামাকাজী ইউনিয়নের ‘হাজরাই-আতাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে’ বিগত ৩ মাসে মধ্যে ৩ বার চুরি সংগঠিত হয়ছে। সর্বশেষ গত সপ্তাহে বিদ্যালয়ে চুরি সংগঠিত হয়। এসময় চুরের দল বিদ্যালয়ের ২টি সিলিং ফ্যান, ১টি মাল্টিমিডিয়ার সেট, ২টি প্লাস্টিকের চেয়ার, ১টি প্লাস্টিকের টেবিল চুরি করে নিয়ে যায়। চুরির ওই ঘটনায় ক্ষতি হয় বিদ্যালয়ের কয়েক হাজার টাকা।
অবশেষে শুক্রবার বিকেল থেকে থানার এসআই সামছুল হক সুমনের নেতৃত্বে একদল পুলিশ উপজেলার লামাকাজী ইউনিয়নের আতাপুর গ্রাম এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিদ্যালয়ের চোরাই মালামাল’সহ সাইফুল আমিনকে গ্রেপ্তার করে।
বিদ্যালয় একাধিকবার চুরি হওয়ার সত্যতা স্বীকার করে বিশ্বনাথ উপজেলার ‘হাজরাই-আতাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়’র প্রধান শিক্ষক সন্ধ্যা রাণী দাস বলেন, বিগত ৩ মাসে ৩ বার বিদ্যালয়ে চুরির ঘটনা সংগঠিত হয়েছে। এতে বিদ্যালয়ের ব্যাপক মালামাল চুরি করে নিয়ে গেছে চোরের দল। বিদ্যালয় চুরির হওয়ার বিষয়টি ‘উপজেলা শিক্ষা অফিস ও থানা পুলিশ’কে অবহিত করা হয়েছে।
বিদ্যালয় চুরি হওয়ার ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের সত্যতা স্বীকার করে বিশ্বনাথ থানার অফিসার ইন-চার্জ (ওসি) এনামুল হক চৌধুরী বলেন, বিদ্যালয়ের চোরাই মালামাল’সহ সাইফুল আমিন নামের একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
Related News
গোলাপগঞ্জে ১০ লাখ টাকার অবৈধ ভারতীয় পণ্যসহ পিকআপ আটক
Manual7 Ad Code বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেটের গোলাপগঞ্জে অবৈধভাবে ভারতীয় মসলা পাচারের সময় একটি পিকআপRead More
সিলেট সীমান্তে চোরাকারবারিদের হামলায় বিজিবির ২ সদস্য আহত
Manual6 Ad Code বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার বিছনাকান্দি সীমান্তে চোরাকারবারিদের হামলায় বর্ডার গার্ডRead More



Comments are Closed