Main Menu

লবঙ্গের ঔষধি গুণাগুণ

Manual3 Ad Code

লাইফস্টাইল ডেস্ক: লবঙ্গের সঙ্গে আমরা কম-বেশি সবাই পরিচিত। অনেকে লবঙ্গকে নাকফুল বলে থাকেন। রান্নার পাশাপাশি ওষুধ হিসেবেও বেশ সুনাম রয়েছে লবঙ্গের। লবঙ্গ থেকে ‘ইউজেনল’ নামের উপাদানের জন্য মিষ্টি সুগন্ধ পাওয়া যায়।

চলুন জেনে নেওয়া যাক লবঙ্গের বেশ কিছু ঔষধি গুণাগুণ-

লবঙ্গ খাওয়ার অনেক উপকারিতা রয়েছে। যেমন, রক্তে শর্করার মাত্রা কমাতে লবঙ্গের নাইজেরিসিন উপাদানটি দারুণ কাজ করে। তাই ডায়াবেটিসের রোগীরা এই রোগ নিয়ন্ত্রণের জন্য লবঙ্গ খাওয়ার অভ্যাস করতে পারেন।

সর্দি কাশির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলার পাশাপাশি শরীরে রোগ প্রতিরোধক্ষমতা অনেকটাই শক্তিশালী করে তোলে লবঙ্গ। দাঁত, মাড়ির সুস্থতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি এটি শীতল আবহাওয়ায় শরীরে তাপমাত্রা বাড়িয়ে তুলতে পারে।

Manual4 Ad Code

সাইনাসের মাথাব্যথায় বেশ কার্যকর লবঙ্গের তেল। এ ছাড়া বুকের ব্যথায় এর তেল মালিশে বেশ উপকার পাওয়া যায়। এর অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়া ও অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি গুণের জন্য দাঁতের ব্যথায় এটি খুব উপকারী।

দাঁত ও মাড়ি ব্যথায় লবঙ্গ পানির কুলকুচি নিয়মিতই করতে পারেন। এ ছাড়া অনেক কারণে পাকস্থলিতে আলসারের সমস্যা যেকোনো কারণেই হতে পারে। এ সমস্যা থাকলে প্রতিদিন দুটি করে লবঙ্গ খেতে পারেন। কেননা, এই লবঙ্গ পাকস্থলিতে মিউকাস উৎপাদনে সাহায্য করে। এই মিউকাসই সংক্রমণের হাত থেকে পাকস্থলিকে রক্ষা করতে ঢাল হিসেবে কাজ করে।

উপকারের কথায় চিন্তা করে মাত্রাতিরিক্ত লবঙ্গ খাওয়া একদমই উচিত না। গবেষণায় দেখা গেছে, অকারণে লবঙ্গ অনেকেই মুখে পুরে রাখেন, যা শরীরে উপকারের চেয়ে অপকারই ডেকে আনবে আপনার জীবনে।

Manual1 Ad Code

যাদের রক্তে শর্করার মাত্রা কম, তাদের কখনোই বেশি পরিমাণে লবঙ্গ খেতে নেই। কেননা, তাদের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত লবঙ্গ সেবন হাইপারগ্লাইসিমিয়ার কারণ হতে পারে।

Manual2 Ad Code

সতর্কতা :

লবঙ্গ বেশ টক্সিক একটি উপাদান। এতে ইউজেনলের গুণাগুণ অনস্বীকার্য। তবে মাথায় রাখবেন, অতিরিক্ত লবঙ্গ খেলে যকৃতের ক্ষতি হতে পারে। এ জন্য নিয়ন্ত্রিত মাত্রায় খেতে হবে। ১৫ বছরের নিচের শিশুদের আলাদা করে লবঙ্গ বা এর চা থেকে দূরে রাখবেন।

Manual8 Ad Code

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code