Main Menu

পাকিস্তানে নারীদের জন্য ‘গোলাপি স্কুটি’ প্রকল্প

Manual6 Ad Code

লাইফ স্টাইল ডেস্ক: পাকিস্তানের সিন্ধু প্রাদেশিক সরকার নারীদের চলাচল সহজ ও স্বনির্ভরতা বাড়াতে চালু করা ‘ফ্রি পিংক ইভি স্কুটি’ প্রকল্প এবার হায়দরাবাদ শহরে সম্প্রসারণের ঘোষণা দিয়েছে। এর আগে সুক্কুর শহরে সফল বাস্তবায়নের পর এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

গত বছরের সেপ্টেম্বরে চালু হওয়া এ প্রকল্পের উদ্বোধনের দিনই বিলাওয়াল ভুট্টো অন্তত ২০০ নারীকে বিনামূল্যে বৈদ্যুতিক গোলাপি স্কুটি প্রদান করেন। পরবর্তীতে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে আরও ৩০০ নারীকে স্কুটি দেওয়া হয়।

Manual5 Ad Code

সিন্ধুতে নতুন ও ব্যতিক্রমী এই উদ্যোগ দ্রুত আলোচনায় আসে। প্রাদেশিক সরকারের মতে, সুক্কুরে সফল বাস্তবায়নের পর প্রকল্পটির জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতা বেড়েছে, যার ধারাবাহিকতায় হায়দরাবাদে এটি সম্প্রসারণ করা হচ্ছে।

Manual7 Ad Code

প্রাদেশিক জ্যেষ্ঠ মন্ত্রী শারজিল ইনাম মেমন জানান, হায়দরাবাদের নারীরাও শিগগিরই এ সুবিধা পাবেন। এ কর্মসূচির আওতায় নারীদের শুধু স্কুটি দেওয়া নয়, পাশাপাশি ড্রাইভিং লাইসেন্স, হেলমেট এবং নিরাপদে চলাচলের প্রশিক্ষণও দেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, নারীদের ক্ষমতায়ন ও আত্মবিশ্বাস বাড়ানো সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। একই সঙ্গে ‘পিপলস বাস সার্ভিস’ নেটওয়ার্কও সুক্কুর ও শিকারপুরের বাইরে সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। নতুন রুট চালুর পরিকল্পনায় রয়েছে খায়েরপুর–রোহরি ও খায়েরপুর–রানিপুর। এছাড়া হায়দরাবাদে কোহসার হায়দর চৌক থেকে তান্ডো আল্লাহইয়ার পর্যন্ত বাসসেবা চালুর প্রস্তুতি চলছে।

Manual3 Ad Code

এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য নারীর ক্ষমতায়নের পাশাপাশি টেকসই পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলা। কর্মজীবী নারী ও শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ, সাশ্রয়ী ও স্বাচ্ছন্দ্যময় যাতায়াত নিশ্চিত করাই এর উদ্দেশ্য।

Manual1 Ad Code

তবে স্কুটি পাওয়ার জন্য নির্দিষ্ট যোগ্যতা রয়েছে। আবেদনকারীকে স্থানীয় বাসিন্দা হতে হবে, বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স থাকতে হবে এবং কর্মজীবী বা শিক্ষার্থী হিসেবে প্রমাণ দিতে হবে। এরপর স্বচ্ছ লটারির মাধ্যমে উপকারভোগী নির্বাচন করা হয় এবং স্কুটি পাওয়ার আগে দক্ষতা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হয়।

প্রকল্পের আওতায় নিবন্ধন, বীমা, হেলমেট ও চালনার প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি গড়ে তোলা হচ্ছে বৈদ্যুতিক চার্জিং স্টেশন।

যদিও উদ্যোগটি প্রশংসিত হচ্ছে, তবুও কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। এটি এখনো সীমিত পরিসরে বাস্তবায়িত হচ্ছে এবং লটারিভিত্তিক হওয়ায় সবার কাছে পৌঁছাতে পারছে না। এছাড়া ‘গোলাপি’ রঙ নিয়ে প্রতীকী সমালোচনাও রয়েছে।

তবে সব মিলিয়ে ‘পিংক স্কুটি’ প্রকল্পটি পাকিস্তানে নারী ক্ষমতায়নের একটি উদীয়মান ও আলোচিত উদ্যোগ হিসেবে দ্রুত পরিচিতি পাচ্ছে।

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code