টাক পড়া নিয়ে আর দুঃখ থাকবে না
লাইফস্টাইল ডেস্ক: মাথাভর্তি ঘন কালো চুল বাঙালির সৌন্দর্যের এক অন্যতম মাপকাঠি। সেই চুল ঝরে গিয়ে টাক পড়তে শুরু করলে অবসাদ, হীনম্মন্যতা ও মানসিক কষ্ট আসা স্বাভাবিক। অনেক ছেলেকেই টাক ঢাকতে টুপি বা পরচুলার আশ্রয় নিতে হয়।
এ থেকে পরিত্রান পেতে চুল প্রতিস্থাপন (হেয়ার ট্রান্সপ্ল্যান্ট) বা ঘরোয়া টোটকা নয়, এবার টাকের সমস্যা মেটাতে পারে একটি অতি পরিচিত ওষুধই— এমনটাই দাবি করেছেন গবেষকেরা। এটি বাজারে এলে বহু মানুষের দুশ্চিন্তা কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।
চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় অস্বাভাবিক চুল পড়াকে ‘অ্যালোপেসিয়া’ বলা হয়, যা এখন কমবয়সিদের মধ্যেও মাথাব্যথার কারণ। অ্যান্ড্রোজেন ও ডাইহাইড্রোটেস্টোস্টেরন হরমোনের তারতম্যের কারণেই মূলত অ্যান্ড্রোজেনিক অ্যালোপেসিয়ার সমস্যা বাড়ে, যার ফলে প্রথমে কপালের দু’ধার থেকে চুল উঠতে শুরু করে এবং পরে মাথার উপরের অংশ কেশশূন্য হয়ে যায়।
এই সমস্যা ঠেকানোর জন্যই আয়ারল্যান্ডের ওষুধ নির্মাতা সংস্থা একটি বড় সুখবর দিয়েছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, ব্রণ সারাতে ব্যবহৃত ‘ক্ল্যাসকোটেরন’ নামের ওষুধটি টাক পড়ার সমস্যা মোকাবিলায় বিশেষ ভূমিকা নিতে সক্ষম।
গবেষকদের দাবি, এই ওষুধটির ক্লিনিকাল ট্রায়াল সফল হয়েছে এবং এটি খুব ভালো ফল দিয়েছে। প্রায় ১৫০০ জন পুরুষের উপর ওষুধটির তৃতীয় ও চতুর্থ পর্যায়ের পরীক্ষা চালানো হয়।
ফলাফল থেকে জানা গিয়েছে, ওষুধটি শুধুমাত্র ত্বকের সমস্যার সমাধান করে তাই নয়, এটি চুল পড়ার সমস্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমায় এবং মাথার ত্বকের সংক্রমণও রোধ করে।
গবেষকেরা আশাবাদী যে, যদি ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফডিএ) এই ওষুধটিকে অনুমোদন দেয়, তবে খুব দ্রুতই এটি টাক পড়ার সমস্যা ঠেকানোর জন্য বাজারে আসবে এবং ‘অ্যালোপেসিয়া’ আক্রান্তদের জন্য এক নতুন আশার আলো নিয়ে আসবে।
Related News
ডিজিটাল স্ক্রিনে দিনে ব্যয় ৫ ঘণ্টা, মানসিক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে শিশুরা
Manual8 Ad Code লাইফ স্টাইল ডেস্ক: ঢাকার স্কুলগামী শিশুরা দিনে গড়ে প্রায় ৫ ঘণ্টা সময়Read More
গোপন যে তিনটি অভ্যাসের কথা জানালেন ১১১ বছর বয়সী এই প্রবীণ
Manual7 Ad Code লাইফ স্টাইল ডেস্ক: দীর্ঘ জীবন ও সুস্থতার রহস্য নিয়ে গবেষণা ও কৌতূহলেরRead More



Comments are Closed