Main Menu

শমশেরনগরে চা বাগানের খেলার মাঠ দখলের অভিযোগ

কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি: মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার শমশেরনগর চা বাগানের গলফ মাঠ সংলগ্ন খেলার মাঠ ও শ্মশানের একমাত্র রাস্তা চা বাগানের এক ব্যক্তি কর্তৃক জোরপূর্বক বেড়া দিয়ে দখলের অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্থানীয় চা শ্রমিকদের পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে শমশেরনগর চা বাগান ব্যবস্থাপক বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ প্রদান করা হয়েছে।
বাগান ব্যবস্থাপক বরাবরে লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘ ৩০ বছর যাবত শমশেরনগর চা বাগানের গলফ মাঠের পাশে এ খেলার মাঠ রয়েছে। এ মাঠে ৭টি পাড়ার প্রায় ২শ’ ছাত্রসহ এলাকার ছেলেরা নিয়মিত খেলাধুলা করে আসছে। এ অবস্থা চলতে থাকলে চা বাগানের ছেলেমেয়েদের এই খেলার মাঠ পুরো অংশই ভূমিদস্যুদের দখলে চলে যাবে। স্থানীয় বাগানের বাসিন্দা বাবুল রেলি নামে এক ব্যক্তি জোরপূর্বক শ্মশানঘাটের রাস্তাসহ খেলার মাঠের একাংশ বেড়া দিয়ে অবৈধ ভাবে দখল করায় স্থানীয় চা বাগানের যুবক ও শ্রমিকরা বাগানের পঞ্চায়েতের মাধ্যমে শমশেরনগর চা বাগান ব্যবস্থাপক বরাবর গত সোমবার একটি লিখিত অভিযোগ প্রদান করেছেন। সাধারণ চা শ্রমিকরা চা বাগানের পঞ্চায়েত, ইউপি সদস্য ও চা বাগান ব্যবস্থাপকের সরাসরি হস্তক্ষেপে অবৈধ দখলমুক্ত করে স্থায়ী পদক্ষেপ গ্রহনের দাবি জানান।
শমশেরনগর চা বাগানের চা শ্রমিকরা জানান, বাবুল রেলি অবৈধভাবে খেলার মাঠ দখল করে মাঠের মাটি কেটে নিয়ে বিক্রিও করছেন। এ নিয়ে স্থানীয় লোকজনসহ আমাদের পঞ্চায়েত কমিটিকে মৌখিকভাবে অভিযোগ করলেও এখন পর্যন্ত দখলমুক্ত করার কোন পদক্ষেপ গ্রহন করা হয়নি। এ নিয়ে সাধারণ চা শ্রমিকের মাঝে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। মৌখিক কোন ব্যবস্থা না নেওয়ায় মাঠের নিয়মিত খেলোয়াড় ও বেশ কয়েকজন চা শ্রমিক চা বাগান পঞ্চায়েত কমিটির মাধ্যমে বাগান ব্যবস্থাপক বরাবরে লিখিত অভিযোগ করেন।
শমশেরনগর চা বাগান পঞ্চায়েত সম্পাদক গোপাল কানু ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, দখলদারকে বলা হয়েছে তার বেড়া তুলে নেওয়ার জন্য।
শমশেরনগরের ইউপি সদস্য ইয়াকুব আলী ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, এ মাঠ বাগানের ব্যবস্থাপকের নিয়ন্ত্রনে রয়েছে। ব্যবস্থাপক আমাদের সহায়তা চাইলে বিষয়টি দেখা যাবে।
এ ব্যাপারে দখলদার বাবুল রেলি বেড়া দেওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, খেলার মাঠ থেকে বিভিন্ন লোকজন ঘর লেপার মাটি কুড়ে নেওয়ায় খেলার মাঠ রক্ষা করার জন্য বেড়া দিয়ে আটকে রাখা হয়েছে। অভিযোগের মূল বিষয়টি সঠিক নয় বলে জানান তিনি।
শমশেরনগর চা বাগানের ডেপুটি ম্যানেজার কে, জি, আজম লিখিত অভিযোগ প্রাপ্তির সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে দেখার জন্য চা বাগান পঞ্চায়েত নেতৃবৃন্দকে বলা হয়েছে।

Share





Related News

Comments are Closed