Main Menu

‘আব্দুল গফ্ফার আন্ডার ওয়ার্ল্ডের সন্ত্রাসী ও প্রক্সি ব্যবসায়ী’

Manual5 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ২৪ ডটকম: সিলেটে অবস্থানরত খুলনার আব্দুল গফ্ফারকে আন্ডারওয়ার্ল্ডের সন্ত্রাসী, পেশাদার মামলাবাজ ও প্রক্সি ব্যবসায়ী দাবি করে তার বিরুদ্ধে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে। সিলেট জেলা প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়। শহরতলী বিমানবন্দর ধোপাগুলের কবির আহমদ বুধবার (২আগস্ট) এ পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করেন।
সংবাদ সম্মেলনে কবির আহমদ জানান, খুলনার সুনাডাঙ্গা থানার শেখপাড়া বি.কে রায় রোডস্থ ১৩/১-এর আব্দুস ছত্তারের পুত্র আব্দুল গফ্ফার। বর্তমানে সে নগরীর আম্বরখানা দত্তপাড়াস্থ ঘূর্নি ১১-এর ভাড়াটিয়া। আব্দুল গফ্ফার সিলেটে অবস্থান করে ভূমিদস্যু অপরাধীচক্রের ভাড়াটে হয়ে সর্বক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে ভূমিদস্যুরা তাকে পেশাদার মামলাবাজ হিসেবে ব্যবহার করে থাকে। আব্দুল গফ্ফারের বিরুদ্ধে সিলেটে ডজন খানেক মামলা ও জিডি থাকলেও সে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। জেলে গেলেও স্থানীয় মনিবরা তাকে জামিনে বের করে নিয়ে আসেন। ২০১৫ সালে এয়ারপোর্ট থানার জিআর ১০৬/১৫ নং মামলায় পুলিশ আব্দুল গফ্ফারকে গ্রেফতার করে জেলে পাঠালেও ৯দিনের মাথায় তাকে জামিনে ছাড়িয়ে নিয়ে আসে তার মনিবরা।
লিখিত বক্তব্যে নাম প্রকাশ না করে বলা হয় সিলেট সদরের ছালিয়া ও ধোপাগুল এলাকাস্থ একটি ব্রিকফিল্ডসহ ব্যবসা প্রতিষ্টান নিয়ে জনৈক ব্যবসায়ীর সাথে কুতুব উদ্দিন গংদের বিরোধ চলে আসছিল । এ নিয়ে আদালতে একাধিক মামলা এবং স্থানীয় সালিশে বিচারও রয়েছে। স্থানীয় গন্যমান্যরা একাধিকবার বিষয়টি নিষ্পত্তি করে দিলেও সন্ত্রাসী আব্দুল গফ্ফারের কারণে তা নিষ্পত্তি হচ্ছে না। ভাড়াটে সন্ত্রাসী আব্দুল গফ্ফার ব্যবসায়ী সেজে কুতুব উদ্দিনদের নানা ভাবে হয়রানী করে চলেছে। আব্দুল গফ্ফার তার সহযোগী সন্ত্রাসীদের নিয়ে গত ২০১৫ সালের ২৮ জানুয়ারি ধোপাগুলবাজার ব্যবসায়ী সমিতির সদস্য আবু ইউসুফকে হত্যার চেষ্টা করে তার মোটরবাইক ভাংচুর ও টাকা ছিনিয়ে নেয়। এ ঘটনায় এসএমপি’র এয়ারপোর্ট থানায় আব্দুল গফ্ফার ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে ২২(১)১৫ নং মামলা হয়। আব্দুল গফ্ফারের বিরুদ্ধে ২০১৫ সালের ২৯ জানুয়ারী এয়ারপোর্ট থানায় ১২২২ নং সাধারণ ডায়েরীও করা হয়। এর পর আব্দুর গফ্ফার ২০১৫ সালের ২৭ জুন ধোপাগুলের ব্যবসায়ী আবু ইউসুফকে আবারো হত্যার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়।
সংবাদ সম্মেলনে আরো বলা হয়, খুলনা থেকে বিতাড়িত সশস্ত্র সন্ত্রাসী আব্দুর গফ্ফার-এর সিলেটে নিজস্ব কোন বাসাবাড়ি বা ব্যবসা প্রতিষ্টান নেই। ভাড়া বাসায় থেকে অন্যদের প্রক্সি হয়ে ব্যবসা ও প্রক্সি হয়ে হামলা-মামলা পরিচালনা করাই তার একমাত্র পেশা।
আব্দুল গফ্ফার ২০১৫ সালের ৪ মে স্থানীয় ব্যবসায়ী কুতুব উদ্দিনদের বিরুদ্ধে সিলেট এয়ারপোর্ট থানায় জিআর ৭৫/১৫ নং একটি ‘মিথ্যা’ মামলা করে। কিন্তু মামলায় তার মানিত সাক্ষী নাজিম উদ্দিন এমরান ও অপর সাক্ষী মানিক অধিকারী এফিডেভিট করে সাক্ষী হওযার বিষয়টি সম্পূর্ন মিথ্যা বলে ঘোষনা দেন। সিলেটে মামলা দিয়ে কাবু করতে না পেরে তার আব্দুল গফ্ফার দক্ষিণবঙ্গের গোপালগঞ্জে গিয়ে প্রতিপক্ষ কুতুব ও আবু ইউসুফদের বিরুদ্ধে সেখানকার জিআর ৬৫/১৫নং মামলা করে । পরে স্থানীয় আইনজীবিদের হস্তক্ষেপে ২০১৬ সালের ২৮ জুন এফিডেভিট করে মামলাটি প্রত্যাহার করে নিতে বাধ্য হয় সে।
সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়,নগরীর আম্বরখানার জনৈক ব্যবসায়ী এবং ব্যবসায়ী কুতুব গংদের মধ্যকার বিরোধের স্থায়ী নিষ্পত্তির জন্য স¤প্রতি এলাকায় একটি সালিশ বসে। সেই বিচারে একান্ত সালিশ হয়ে অংশ নেন এয়ারপোর্ট থানার ধোপাগুলের বিশিষ্ট মুরব্বি ও সালিশ ব্যক্তিত্ব নাছির উদ্দিন। বিচার পক্ষে না যাওয়ায় একপক্ষ সালিশ ভেঙ্গে চলে যায় এবং বাদী হয়ে গত ২৪ জুলাই ২০১৭ তারিখে এসএমপি’র এয়াপোর্ট থানায় ০৯(৭)১৭ (জিআর ৫১/১৭) নং একটি ‘মিথ্যা’ মামলা করে। মামলায় প্রতিপক্ষ কুতুব উদ্দিন গং ছাড়াও বিচারের সালিশ ব্যক্তিত্ব নাসির উদ্দিনকেও মিথ্যাভাবে আসামী করা হয়। মামলায় সিলেট সদর উপজেলার খাদিমনগর ইউপি চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেনকে সাক্ষী করা হয়। কিন্তু চেয়ারম্যান দেলোয়ার গত ২৫ জুলাই ২০১৭ তারিখে এফিডেভিট করে তার সাক্ষী হওয়ার বিষয়টি সম্পূর্ন অস্বীকার করেন। তখন থেকেই ভাড়াটে সন্ত্রাসী আব্দুল গফ্ফার আদাজল খেয়ে এলাকার সালিশ ব্যক্তিত্ব নাছির উদ্দিনের ক্ষতিসাধনে মেতে ওঠে। এর অংশ হিসেবে গত ২৯ জুলাই আব্দুল গফ্ফার ‘নাসির বাহনী’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলন করে মিথ্যার বেসাতি দিয়ে এলাকার বিশিষ্ট মুরব্বি ও সালিশ ব্যক্তিত্ব নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে অবমাননাকর অপপ্রচার চালায় । সংবাদ সম্মেলনে আব্দুর গফ্ফারের এহেন মিথ্যাচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য সাংবাদিকদের প্রতি আহŸান জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে ছিলেন এলাকার মুকিম মিয়া, আবু ইউসুফ,আব্দুল জব্বার,শাহ জামাল, উছমান মিয়া, মছরব আলী, লাল মিয়া, সৈয়দ মিয়া ও আমির আলী প্রমূখ।

 

Manual8 Ad Code

 

Manual7 Ad Code

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code