Main Menu

আউশ ধানের চারা রোপনে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা

মোঃ তোফাজ্জল হায়দার, দিনাজপুর প্রতিনিধি: দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার কৃষকরা চলতি বর্ষা মৌসুমে রোপা আউশ ধানের চারা রোপনের পুর্ব প্রস্তুতি নিতে ব্যস্ত। এই সময় বীরগঞ্জ উপজেলার কৃষক ও শ্রমিকদের দম ফেলার ফুরসত নেই।

ফজরের আযান দেয়ার সঙ্গে সঙ্গেই কৃষক হালের গরু, লাঙ্গল, জোঙ্গাল নিয়ে বেরিয়ে পড়ে জমিতে হাল দেয়া জন্যে। গত বোরো মৌসুমের পরেই দেখতে দেখতে এসে গেল বর্ষা মৌসুম। এই বর্ষা মৌসুমে আউশ ধানের চারা রোপনে এখন ধুম পড়েছে উপজেলার সকল গ্রাম গুলোতে।

কৃষক ও শ্রমিকরা এই সময় রোদে পুড়ে স্যালো মেশিন বা আকাশের বৃষ্টিতে ভিজে রোপা আউশ ধানের চারা রোপন করেছেন। কারো কারো ধানের বীজতলায় ধানের চারা প্রস্তুত হতে আরো সপ্তাহ খানেক সময় লাগবে। আবার কারো কারো বীজতলায় আগাম ধানের চারা সপ্তাহ খানেক আগেই রোপনের জন্য প্রস্তুত হয়েছে। কেউ কেউ আবার জমিতে হাল দিয়ে আউশ ধানের চারা রোপনের জন্য খাওনা জমিতে জাবর দিয়ে রাখছেন। যাতে ধানের খরের নাড়াগুলো পচেঁ যায়।

বাড়তি জৈব সারের চাহিদা ধানের খরের পচাঁ নাড়া হতে চলে আসে। এই সময় গত বোরো ধানের জমিগুলোতে গরুর হাল,পাওয়ার টিলারের হাল,হ্যারো এর হাল দিয়ে তিন থেকে পাচঁ বার করে হাল দিয়ে জমি প্রস্তুত করে নেন কৃষক। আবার কেউ ৭-১০দিন আগেই জমি প্রস্তুত করে আউশ ধানের চারা রোপনও করেছেন। এই চলতি বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টি হচ্ছে আবার থামছে।

তেমন বৃষ্টির জোর না থাকায় শহরি জমিগুলোতে স্যালো মেশিন দিয়ে সেচ দিয়ে রোপা আউশের চারা রোপন করেছেন অনেক কৃষক। রোপা আউশে বর্ষার মৌসুমে কাজের ধুম, যেন কাজ গুলো তাড়াতাড়ি শেষ হতেই চায় না। রোপা আউশ ধানের রোপনের সমস্ত কাজ চুক্তি ভিত্তিতে শ্রমিকরা করে থাকেন। বিঘা প্রতি (৫০শতাংশে) ১ হাজার বা ১২শত টাকা করে নেন শ্রমিকরা।

এই সময় দিন মুজুর পাওয়া খুবই কষ্টকর আবার শ্রমিকের অভাবের জন্যে অনেক কৃষক নিজেই ধানের চারা রোপন করে থাকেন। এই রোপা আউশ বর্ষা মৌসুমে সন্ধ্যার পরে বাজারগুলোতে শ্রমিকদের ভীর চোখে পড়ে। এই সময় তারা গৃহস্থদের কাছে ধানের চারা রোপনের পারিশ্রমিক চুক্তির টাকা বুঝে নিয়ে নিজেদের মাঝে কাজের টাকা ভাগাভাগি করেন। প্রতিদিন সন্ধ্যার সময় একই অবস্থা বাজারগুলোতে বিরাজ করছে যেন দেখলে মনে হয় কেউ শ্রমিকদের মিলন মেলার আয়োজন করেছেন।

Share





Related News

Comments are Closed