Main Menu

একাদশে ভর্তি: একজন শিক্ষার্থীও পায়নি সিলেটের ১০ কলেজ, আসন পায়নি ৪৫৫ জন

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেটে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তিতে একজন শিক্ষার্থীও না পাওয়া কলেজের সংখ্যা বাড়ছে। এবছরও একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির প্রথম ধাপে একজন শিক্ষার্থীও পায়নি সিলেট শিক্ষাবোর্ডের আওতাধীন ১০টি কলেজ। গত বছর শিক্ষার্থী না পাওয়া প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল পাঁচটি।

চলতি শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তিতে একজন শিক্ষার্থীও না পাওয়া ১০ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সিলেট জেলার দুটি, সুনামগঞ্জের দুটি, মৌলভীবাজারের দুটি ও হবিগঞ্জের চারটি। সিলেট শিক্ষাবোর্ড সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

সিলেট শিক্ষাবোর্ডের কলেজ পরিদর্শক শেখ মো. নজরুল ইসলাম বলেন, চলতি শিক্ষাবর্ষে সিলেট বোর্ডে একজন শিক্ষার্থী না পাওয়া প্রতিষ্ঠান সবগুলো স্কুল এন্ড কলেজ। বোর্ডের অধীনে বিভাগের চার জেলায় মোট ৩৪৯টি কলেজ রয়েছে। এর মধ্যে ১০ কলেজ কোনো শিক্ষার্থী পায়নি।

শিক্ষাবোর্ড সূত্রে জানা গেছে, যেসব প্রতিষ্ঠান একজন শিক্ষার্থীও পায়নি সেগুলো হলো- সিলেটের বিশ্বনাথের আশুগঞ্জ স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং জৈন্তাপুরের রাংপানি ক্যাপ্টেন রশিদ স্কুল অ্যান্ড কলেজ, সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার চনারচর এসইএসডিপি মডেল হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং দোয়ারাবাজারের মিতালী পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ।

মৌলভীবাজারের কুলাউড়ার উপজেলার রাউতগাঁও হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং শ্রীমঙ্গলের রেনার হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ।

হবিগঞ্জের চারটি কলেজগুলোর মধ্যে রয়েছে আজমিরীগঞ্জের হাজী আব্দুল হেকিম স্কুল অ্যান্ড কলেজ, বাহুবলের মানবকল্যাণ হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মাধবপুরের প্রেমদাময়ী হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং একই উপজেলার ডা. মহিউদ্দিন হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ।

অন্যদিকে, অনলাইনে আবেদন করার পরও কোনো কলেজে আসন বরাদ্দ পায়নি এমন শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৪৫৫ জন। শিক্ষাবোর্ড সূত্রে জানা গেছে, একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য আসন রয়েছে ১ লাখ ৪৩ হাজার ৫৬০টি। এর বিপরীতে প্রথম ধাপে আবেদন করেছেন ৪৮ হাজার ৩৩৬ জন শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে ৪৭ হাজার ৮৮১ জন শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য কলেজ পেয়েছেন। অর্থাৎ প্রথম ধাপে ৪৫৫ জন শিক্ষার্থী কোনো কলেজে ভর্তির জন্য নির্বাচিত হননি।

এদিকে, চলতি শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য অনলাইনে আবেদন করেও আসন বরাদ্দ না পাওয়া শিক্ষার্থীদের ভর্তিপ্রক্রিয়া কীভাবে হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

তবে আসন না পাওয়া শিক্ষার্থীদের উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান।

তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, যেসব শিক্ষার্থী আবেদন করেও কলেজ পায়নি বা আবেদন করতে পারেনি, তাদের জন্য আরেক দফায় সুযোগ দেওয়া হবে। প্রথম ধাপের ভর্তি শেষে ক্লাস শুরু হওয়ার পর আরেক দফায় আবেদনের সুযোগ দেওয়া হবে।

Share





Related News

Comments are Closed