Main Menu

এমসি কলেজ হোস্টেলে ছাত্রলীগের ভাঙচুর

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেট এমসি কলেজে ছাত্রলীগের দু’গ্রুপে সংঘর্ষের জের ধরে হোস্টেল ভাঙচুর করা হয়েছে। এ সময় ছাত্রলীগ কর্মীরা হোস্টেলের ৮/১০টি কক্ষ ভাঙচুর করে। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টায় এ ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এমসি কলেজ ও হোস্টেল এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এ ঘটনার পরপর কলেজ কর্তৃপক্ষ সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে সকল ছাত্রদের হল ছাড়ার নির্দেশ দেয়।
জানা যায়, বুধবার রাত ১০টার দিকে সঞ্জয় গ্রুপের অনুসারীরা ছাত্রাবাসে অস্ত্রের মহড়া দেয় এবং এর কিছু সময় আগে নগরীর টিলাগড় পয়েন্টে ছাত্রলীগ দুই গ্রুপে মারামারির ঘটনাও ঘটে। এতে আহত হওয়া ছাত্রলীগ কর্মী রাহাতকে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এ ঘটনার জের ধরে আজ বৃহস্পতিবার সকালে এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে ভাংচুর চালায় আওয়ামীলীগ নেতা রঞ্জিত সমর্থিত ছাত্রলীগ নেতা টিটু চৌধুরীর গ্র“পের নেতাকর্মীরা। ছাত্রাবাসের প্রথম ব্লকের ২টি কক্ষের দরজা-জানালা, ২য় ব্লকের একটি দরজা ও জানালা, শ্রীকান্ত ব্লকের ৬টি দরজা ও জানালা, ৫ম ব্লকের ১৪টি দরজা ও জানালা এবং ৪র্থ ব্লকের ১৬টি দরজা ও জানালা ভাংচুর করে তারা।
খবর পেয়ে শাহপরাণ থানার বিপুল সংখ্যক পুলিশ ছাত্রাবাসে মোতায়েন করা হয়েছে। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন শাহপরাণ থানার অফিসার ইনচার্জ আখতার হোসেন। এমসি কলেজের অধ্যক্ষ নিতাই চন্দ্র চন্দও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
শাহপরান থানার ওসি আকতার হোসেন জানান, এমসি কলেজে ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের উত্তেজনার জের ধরে হোস্টেলে ভাঙচুর করা হয়েছে। হামলাকারীরা কলেজ হোস্টেলের ৮/১০টি কক্ষের গ্লাস ভাঙচুর করেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
উল্লেখ্য ২০১২ সালের ৮ জুলাই ছাত্রলীগ ও শিবিরের সংঘর্ষের সময় পুড়িয়ে দেওয়া হয় ঐতিহ্যবাহী এমসি কলেজ হোস্টেল। এরপর প্রায় ৬ কোটি টাকা ব্যয়ে দ্রুত সময়ের মধ্যে হোস্টেলটি ফের নির্মাণ করা হয়। ২০১৩ সালে ৯ অক্টোবর শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ উদ্বোধন করেন এ ছাত্রাবাস। দীর্ঘদিন পর ছাত্রাবাসে শিক্ষার্থীদের তোলা হয়।

 

 

 

 

 

 

 

Share





Related News

Comments are Closed