Main Menu

মানবজমিনের বিরুদ্ধে সাংবাদিক রহিমের ফের মামলা

বিশেষ প্রতিনিধি: হুট করে কোন সাংবাদিককে কর্মচ্যুত করার চরম খেসারত দিতে হচ্ছে পাঠকপ্রিয় গনমাধ্যম মানবজমিনকে। কর্মচ্যুত সাংবাদিকের দীর্ঘ ৭ বছরের বেতন-ভাতাদি পরিশোধসহ তাকে স্বপদে বহাল রাখতে আদেশ দেয়া হয়েছে। আদালতের আদেশ অগ্রাহ্য করায় দ্বিতীয় দফায় মামলা হয়েছে মানবজমিন কর্তুৃপক্ষের বিরুদ্ধে। গত ৮ নভেম্বর চট্টগ্রামের দ্বিতীয় শ্রম আদালতে দ্বিতীয় দফায় এ মামলা ( নং৬৫/২০১৬) করেছেন মানবজমিনের কর্মচ্যুত সিলেট ব্যুরো প্রধান এম এ রহিম। মামলার বিবাদীরা হচ্ছেন, দৈনিক মানবজমিনের প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী ওরফে মতি ভাই, মতিউর রহমান চৌধুরীর সহধর্মীনি ও পত্রিকার সম্পাদক প্রকাশক মাহবুবা চৌধুরী, ব্যবস্থাপনা সম্পাদক কে এম আশরাফুল ইসলাম বাবর, নির্বাহী সম্পাদক শামীমুল হক, মহা-ব্যবস্থাপক আনিসুর রহমান ও প্রধান হিসাব রক্ষক নিজাম উদ্দিন।
জানা গেছে, দৈনিক মানবজমিনের সিলেটে ব্যুরো প্রধানের দায়িত্ব পালন করছিলেন সাংবাদিক এম এ রহিম। বিগত ২০০৭ সালে হঠাৎ করে মানবজমিনে সংবাদ আকারে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে কর্তৃপক্ষ এম এ রহিমকে (অব্যাহতি) কর্মচ্যুত করেন। বেতন ভাতা দেনা পাওনা পরিশোধ না করেই বিনা নোটিশে আকস্মিক এ কর্মচ্যুতিকে মেনে নিতে পারেননি পত্রিকার ব্যুরো প্রধান এম এ রহিম। তিনি ২০১০ সালের নভেম্বর মাসে স্বপদে বহাল সহ বেতন-ভাতা ও পাওনা-দেনা পরিশোধ দাবিতে চট্ট্রগ্রামের দ্বিতীয় শ্রম আদালতে মানবজমিন কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে আইআর ৩০/২০১০ নং মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ শুনানী শেষে আদালত এ বছরের ৪ অক্টোবর মামলার রায় ঘোষনা করেন। রায়ে সর্বশেষ ওয়েজ বোর্ড রোয়েদাদ অনুসারে আইনানুগ পাওনাদি ও সুবিধাদি প্রদানসহ এমএ রহিমকে সিলেট ব্যুরোতে স্বপদে বহাল রাখার নির্দেশ দেন। রোয়েদাদ অনুসারে বিগত ৭ বছরের পাওনা বেতন-ভাতাদির পরিমান তাৎক্ষনিক জানা না গেলেও প্রায় অর্ধকোটি টাকা হতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে।
সাংবাদিক এমএ রহিম গত ১৮ অক্টোবর মানবজমিন কর্তৃপক্ষ বরাবরে রায়ের অনুলিপিসহ যোগদান পত্র প্রেরণ করেন। কিন্তু মানবজমিন কর্তৃপক্ষ আদালতের রায় মেনে পাওনা-দেনা পরিশোধসহ এমএ রহিমকে স্বপদে বহাল করেননি। আদালতের আদেশ ‘অগ্রাহ্য’ করায় এমএ রহিম গত ৮ নভেম্বর মানবজমিন কর্তপক্ষের বিরুদ্ধে ফের আদালত অবমাননার এ মামলা করেন।
চট্টগ্রামের দ্বিতীয় শ্রম আদালতের চেয়ারম্যান সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মো. মফিজুল ইসলাম মামলাটি আমলে নিয়ে মানবজমিন কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে সমন জারি করেছেন। মানবজমিনের বিরুদ্ধে পত্রিকার ব্যুরো প্রধানের পর পর দুটি মামলার খবরে সিলেটে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

 

 

 

Share





Related News

Comments are Closed