Main Menu

মীর কাসেমের রিভিউ খারিজ, ফাঁসির দণ্ড বহাল


বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: যুদ্ধাপরাধী ও শীর্ষ জামায়াত নেতা মীর কাসেম আলীর রিভিউ খারিজ করে মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখে রায় দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার নেতৃত্বে পাঁচ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ মঙ্গলবার (৩০ আগস্ট) সকালে ৯টা ১ মিনিটে মীর কাসেমের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার চূড়ান্ত এ রায় ঘোষণা করেন।

অন্য বিচারপতিরা হলেন- বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী, বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার ও মোহাম্মদ বজলুর রহমান।

রায় ঘোষণার সময় আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম উপস্থিত ছিলেন।

একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের সময় চট্টগ্রামে হত্যা, লুণ্ঠন, অপহরণ ও নির্যাতনের দায়ে ২০১৪ সালের ২ নভেম্বর একাত্তরের বদর নেতা মীর কাসেম আলীকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের নির্দেশ দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করলে গত ৮ মার্চ মীর কাসেমের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন সর্বোচ্চ আদালত।

এরপর রায় পুনর্বিবেচনা (রিভিউ) চেয়ে চূড়ান্ত আবেদন করে আসামীপক্ষ। সেই রায়ও বিপক্ষে যাওয়ায় এখন ফাঁসির কাষ্ঠে ঝুলতে হবে মীর কাসেম। যার নৃশংসতার কথা বলতে গিয়ে আদালত বলেছেন কাসেম একাত্তরের বাঙালী খান।

মানবতাবিরোধী অপরাধের এ মামলায় ট্রাইব্যুনালের আদেশে ২০১২ সালের ১৭ জুন মীর কাসেম আলীকে গ্রেফতার করা হয়। সেই থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন।

সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার দপ্তরের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, রিভিউয়ের পূর্ণাঙ্গ রায়ের প্রত্যায়িত অনুলিপি শিগগিরই ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হবে।

মুক্তিযুদ্ধকালীন চট্টগ্রামের ত্রাস কাসেম রাজনৈতিক ও আর্থিক ক্ষেত্রে অসাধারণ ধূর্ততার স্বাক্ষর রেখে অত‌্যন্ত দ্রুততায় নিজের ও দলের উন্নতি ঘটান, পরিণত হন জামায়াতের আর্থিক মেরুদণ্ডে। তেষট্টি বছর বয়সী এই যুদ্ধাপরাধী এখন আছেন গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারের কনডেম সেলে।

কাসেম হলেন ষষ্ঠ যুদ্ধাপরাধী, যার সর্বোচ্চ সাজার রায় কার্যকরের পর্যায়ে এসেছে। তিনি হলেন জামায়াতের পঞ্চম শীর্ষ নেতা, শেষ বিচারেও যার মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে।

Share





Related News

Comments are Closed