Main Menu

পেসার মুস্তাফিজের সফল অস্ত্রোপচার

এম.হাসানুল হক উজ্জ্বল, লন্ডন থেকে: যুক্তরাজ্যের কেনসিংটনের বুপা ক্রমওয়েল হাসপাতালে বৃহস্পতিবার সফল অস্ত্রোপচারের পর শুক্রবার হাসপাতাল ছাড়ার কথা ছিল মুস্তাফিজুর রহমানের। কিন্তু অস্ত্রোপচারের পর ব্যথা যতটা কমার কথা ছিল, সেটি না কমায় আরও একদিন হাসপাতালে থাকতে হচ্ছে বাংলাদেশ দলের পেসার মুস্তাফিজকে।
পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, শুক্রবার সকালে (স্থানীয় সময়) মুস্তাফিজকে পর্যবেক্ষণ করেছেন শল্যবিদ অ্যান্ড্রু ওয়ালেস। প্রত্যাশা অনুযায়ী ব্যথা না কমায় দুপুরের পর চিকিৎসক তাঁকে আরেক বার দেখেন। তখনো ব্যথা না কমায় হাসপাতালেই রাখার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা। তাই মোস্তাফিজকে হাসপাতালে থাকতে হচ্ছে। ১৩ আগস্ট শনিবার তিনি ছাড়পত্র পাবেন কি না, তার ব্যবস্থা পত্র দেখার পর চিকিৎসক ওয়ালেস চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবেন।
তবে লন্ডনে অবস্থানরত বিসিবির চিকিৎসক দেবাশিস চৌধুরী বলেছেন, ‘মুস্তাফিজের ব্যথাটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। এটা সার্জিক্যাল ব্যথা। ঝুঁকি নিতে চাইনি বলেই হাসপাতালে থেকে যাওয়া।’
যেহেতু হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাননি, এখনো নির্ধারিত হয়নি মুস্তাফিজের দেশে ফেরার তারিখ। হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার পরও অন্তত তিন-চার দিন তাঁকে থাকতে হবে লন্ডনে। এই সময়ে তাঁকে নিয়মিত দেখা করতে হবে চিকিৎসকের সঙ্গে। চিকিৎসক ওয়ালেসের চূড়ান্ত পর্যবেক্ষণ শেষে জানা যাবে মুস্তাফিজের দেশে ফেরার তারিখ।

বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় বেলা দুইটায় অস্ত্রোপচার শুরু হওয়ার কথা থাকলেও বিকেল ৩টা ৪০ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় রাত ৮টা ৪০ মিনিট)। কেনসিংটনের বুপা ক্রমওয়েল হাসপাতালের শল্যবিদ অ্যান্ড্রু ওয়ালেস সফলভাবেই শেষ করেছেন মুস্তাফিজুর রহমানের বাঁ কাঁধের অস্ত্রোপচার। অস্ত্রোপচারে সময় লেগেছে ৫০ মিনিটের মতো। অস্ত্রোপচারের পর দুই ঘণ্টা অস্ত্রোপচার কক্ষেই রাখা হয় মুস্তাফিজকে। এরপর নিয়ে যাওয়া হয় বেডে।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, অস্ত্রোপচারের পর খেলায় ফিরতে সাধারণত পাঁচ-ছয় মাস লেগে যায়। তবে অস্ত্রোপচারের আগে অ্যান্ড্রু ওয়ালেস জানিয়েছেন, মুস্তাফিজ নেটে ফিরতে পারবেন ১২ সপ্তাহের মধ্যে।
বর্তমানে লন্ডনে অবস্থানরত বিসিবির চিকিৎসক দেবাশিষ চৌধুরীরও আশা, চার থেকে ছয় সপ্তাহের মধ্যেই পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠবেন মুস্তাফিজ। মাঠে ফিরতে পারবেন আগের মতোই দুর্বোধ্য বোলিং নিয়ে। অস্ত্রোপচারের সময় অস্ত্রোপচার কক্ষে ছিলেন তিনিও। ‘টেলিস্কোপ সার্জারি’ নামে পরিচিত এ ধরনের অস্ত্রোপচারে কাটাকাটি তেমন করতে হয় না। কাঁধ ও বাহুর সংযোগস্থলের সামনে ও পেছনে দুটি ছিদ্র করেই সারা হয় চোট সারানোর কাজ।

Share





Related News

Comments are Closed