Main Menu

ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনালে আর্জেন্টিনা

Manual5 Ad Code

স্পোর্টস ডেস্ক: টানা দ্বিতীয়বার ফাইনালে উঠল আর্জেন্টিনা। আটলান্টা স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ইউরোপের অন্যতম পরাশক্তি ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারায় দলটি।

Manual5 Ad Code

ইংল্যান্ডের কাছে গোল হজমের পর একাধিক সুযোগ নষ্ট হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত গোল শোধ দিলো আর্জেন্টিনা। ৮৫ মিনিটে এনজো করেন সমতা ফেরানো গোল। তারপর ইনজুরি টাইমে লাউতারো মার্টিনেজ গোল করলেন। ৯২ মিনিটে ২-১ গোলে এগিয়ে গেল আর্জেন্টিনা।

৬৪ মিনিটে লিয়ান্দ্রো পারেদেসের বদলি নেমেই ম্যাচে ছাপ রাখেন গঞ্জালেজ। পরের মিনিটে ডান দিক থেকে আসা একটি লম্বা বল হেড করেছিলেন। কিন্তু ইংল্যান্ড বিপদমুক্ত করে।

Manual2 Ad Code

৬৯ মিনিটে ডানদিক থেকে মেসির ক্রসে দারুণ এক হেড করেছিলেন গঞ্জালেজ। কিন্তু পিকফোর্ড নিচু ডাইভে অবিশ্বাস্য সেভে আর্জেন্টিনাকে হতাশ করেন।

৭২ মিনিটে আর্জেন্টিনা তিনটি পরিবর্তন আনে। সিমিওনে,  মলিনা ও লিসান্দ্রো মার্টিনেজকে উঠিয়ে দে পল, মোন্তিয়েল ও ওতামেন্দিকে নামান স্কালোনি।

চার মিনিট পর দে পলের বাড়ানো ক্রসে অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারের হেড গোলপোস্টে লেগে ফিরে আসে। পরের মিনিটে গঞ্জালেজের হেড গোলবারের পাশ দিয়ে যায়। লাইন্সম্যান ততক্ষণে অফসাইডের পতাকা ওড়ান।

৮৪ মিনিটে এনজোর শট গোলপোস্টের ওপর দিয়ে মাঠের বাইরে পাঠান পিকফোর্ড। পরের মিনিটে কর্নার থেকে মেসির বাড়ানো বলে ২৫ গজ দূর থেকে শট নেন তিনি। বল পিকফোর্ডের নাগালের বাইরে দিয়ে জালে জড়ায়।

বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে দ্বিতীয়ার্ধে পিছিয়ে পড়ল আর্জেন্টিনা। অ্যান্থনি গর্ডন ৫৫ মিনিটে তাদের জালে বল ঠেলে দিলেন। ইল্যান্ড এগিয়ে গেল।

ইংলিশ খেলোয়াড়রা ডান দিক থেকে গতি বাড়িয়ে পাল্টা আক্রমণ চালায়। কেইন নিচে নেমে রজার্সকে বল দেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু লিসান্দ্রো মার্টিনেজ অ্যাক্রোব্যাটিক ভঙ্গিতে বলটি ক্লিয়ার করে দেন। আলগা বলটি পেয়ে রাইস রজার্সকে খুঁজে নেন। তার দুর্দান্ত ক্রস বক্সের মধ্যে ঢোকে। ব্যাকপোস্টে গর্ডন মলিনার পেছন থেকে বল কেড়ে নিয়ে এমিলিয়ানো মার্টিনেজকে পরাস্ত করে বল জালে জড়ান।

এর আগে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে আর্জেন্টাইন কিপারের লম্বা পাসের পর ডান দিক থেকে ডি বক্সে আক্রমণ চালায় বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। সেখানে মেসি ও আলভারেজের দারুণ বোঝাপড়ায় আলভারেজ পোস্টে একটি জোরালো শট নেন।পিকফোর্ড চমৎকারভাবে বাঁচিয়ে দেন। ফিরতি শটটি জালের বাইরের অংশে লাগলেও সেটি সম্ভবত ডিফেন্ডারের গায়ে লেগেছিল এবং রেফারির পক্ষ থেকে কর্নারের সংকেত দেওয়া হয়।

আটলান্টায় বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের প্রথমার্ধে দুই দলের আক্রমণভাগের কোনো নৈপুণ্য দেখা যায়নি। লিওনেল মেসি ও হ্যারি কেইনরা এই সময়ে কোনো শট লক্ষ্যে রাখতে পারেননি। আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের ম্যাচের প্রথমার্ধ শেষ হয় গোলশূন্য স্কোরে। প্রথম ৪৫ মিনিটে ছিল ফাউলের ছড়াছড়ি।

হাইড্রেশন ব্রেকের আগেই ১১ ফাউল। আর্জেন্টিনার ৬টির বিপরীতে ইংল্যান্ডের পাঁচ। প্রথমার্ধের পানি পানের বিরতির আগে ম্যাচে শারীরিক লড়াইটাই বেশি হয়েছে। হাফটাইমের আগে বাকি সময়েও একই চিত্র দেখা গেছে। প্রথমার্ধ শেষে দুই দল মোট ১৯টি ফাউল করেছে। এর মধ্যে আর্জেন্টিনা করেছে ১২টি, বাকি সাতটি ইংল্যান্ডের। তবে রেফারি ইসমাইল বেশ সংযত ছিলেন। মাত্র দুইবার হলুদ কার্ড বের করেছেন তিনি, আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের একজন করে সেটা দেখেছেন।

প্রথম ৪৫ মিনিটে দুই দলের কেউই লক্ষ্যে কোনো শট নিতে পারেনি। এমনকি শট নিতেও দেখা যায়নি কাউকে। দুই দলই একে অন্যের অর্ধে গিয়ে আক্রমণ চালালেও সুবিধা করতে পারেনি। দুই কিপারকেও বড় কোনো পরীক্ষা দিতে হয়নি।

Manual4 Ad Code

এই সময়ে আর্জেন্টিনা ৫৮ শতাংশ বল দখলে রেখেছিল। তাদের প্রধান তারকা লিওনেল মেসিও ছিলেন নিজের ছায়া হয়ে। পানি পানের বিরতির আগে তার ফ্রি কিক জর্ডান পিকফোর্ড পাঞ্চ করে কর্নার বানান। কর্নারেও শট নেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। এনজো ফার্নান্দেজ পিকফোর্ডকে ফাউল করায় সেটি কাজে লাগেনি।

৩৩ মিনিটে বিপজ্জনক জায়গা থেকে ইংল্যান্ডের ফ্রি কিক ঠেকাতে হয়েছিল আর্জেন্টিনাকে। ডেক্লান রাইসের ফ্রি কিকে স্টোনসের হেড সাইড নেটে লাগে। দুই মিনিট পর ইংল্যান্ডের ফাইনাল থার্ডে তিন চারজন খেলোয়াড়ের বাধার মুখে পড়েন মেসি। এলিয়ট অ্যান্ডারসন তাকে কঠিন চ্যালেঞ্জ করে ম্যাচের প্রথম হলুদ কার্ড দেখেন। ফ্রি কিক থেকে মেসির পাস  ধরে ইংল্যান্ডের বক্স থেকে ফিরে আসা বলে শট নেন এনজো। ৩৯ মিনিটে তার শক্তিশালী শট অল্পের জন্য গোলবারের ওপর দিয়ে যায়।

Manual4 Ad Code

তিন মিনিট পর রজার্সকে পেছন থেকে টেনে ধরে হলুদ কার্ড দেখেন লিসান্দ্রো মার্টিনেজ। প্রথমার্ধে তিন মিনিটের ইনজুরি টাইমেও কোনো দল লক্ষ্যে শট রাখতে পারেনি। তবে বিরতি থেকে ফিরে এগিয়ে গেল ইংল্যান্ড।

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code