Main Menu

জৈন্তাপুরে ১৫ লাখ ঘনফুট বালু জব্দ

জৈন্তাপুর প্রতিনিধি : সিলেটের জৈন্তাপুরে সারী ও বড়গাং নদীর উৎস মুখে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন এবং সরকারি রয়েলটি আত্মসাতের দায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ৪টি মামলা দায়ের এবং প্রায় ১৫ লাখ ঘনফুট বালু জব্দ করা হয়েছে।
সারী ও বড়গাং বালু মহালের বৈধ ইজারাদার ২টি বালু মহাল গত ২৫ মে ১ কোটি ৩০ লাখ টাকা জামানত সহ সরকারি কোষাগারে জমা প্রদান করেন। পরবর্তীকালে ২টি বালু মহালের বৈধ কাজগপত্র সমজিয়া পাইলেও সরেজমিন দখল পাননি।
এদিকে কতিপয় বালু ব্যবসায়ী সরকারি রয়েলটি পরিশোধ না করে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও ক্রয় বিক্রয় করে আসছেন। এর ফলে ৪ মাস থেকে বৈধ ইজারাদার রয়েলটি আদায় করতে পারছেন না। এ নিয়ে ব্যবসায়ী ও ইজারাদারদের মধ্যে কয়েক দফা বাকবিতন্ডা হয়। পরবর্তীকালে জেলা প্রশাসক কার্যালয় সিলেট-এর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বালু ব্যবসায়ী উপজেলার গর্দ্দনা গ্রামের মৃত হরমুজ আলীর ছেলে হারুন মিয়া (৫৫), সরুফৌদ গ্রামের মৃত আতাউর রহমানের ছেলে মখলিছ মোল্লা (৪০), একই গ্রামের আব্দুল হান্নানের ছেলে আব্দুস ছোবহান মোল্লা (৪৯), আইয়ুব আলীর ছেলে লোকমান আহমদ (৩০), পাঁচ সেউতি গ্রামের ইসাক আলীর ছেলে দিলু আহমেদ (৩৫), ডুপি গ্রামের মৃত সিদ্দিক আলীর ছেলে মো. নুর উদ্দিন (৫০), আগফৌদ গ্রামের আব্দুর রহিমে ছেলে নজির আহমেদ (৪০), নিজপাট লামাপাড়া গ্রামের শক্তিপদের ছেলে শেখর বাবু (৪৫) উপজেলার লামনীগ্রামের মৃত তৈয়ব আলীর ছেলে আব্দুস সালামের (৪৫) নামোল্লেখ করে ইজারাদার অভিযোগ দায়ের করেন।
বৈধ ইজারাদারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত বৃহস্পতিবার বেলা ২টায় সারী ও বড়গাং নদীর উৎসমুখে জেলা প্রশাসক কার্যালয়, সিলেট-এর সিনিয়র সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন। অভিযান পরিচালনাকালে সারী ও বড়গাং নদীর উৎসমুখ হতে প্রায় ১৫ লক্ষ ঘনফুট বালু জব্দ করে ইজারাদার মনোনিত ৪ ব্যক্তির জিম্মায় রেখে যান। এছাড়া বিশৃঙ্খলা এড়াতে জৈন্তাপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জকে লিখিতভাবে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশ প্রদান করেন।
অভিযান পরিচালনাকালে উপস্থিত ছিলেন জৈন্তাপুর ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা শ্রামল সিংহ, দরবস্ত ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা রণবিজয় চক্রবর্তী, জৈন্তাপুর মডেল থানার এসআই আব্দুল মান্নান, এস.আই শাহেদ, এসআই রুমেন আহমদ প্রমুখ।

Share





Related News

Comments are Closed