বিশ্বনাথে ভারী বর্ষণে জলবদ্ধতা
বিশ্বনাথ (সিলেট) প্রতিনিধি: ভারী বর্ষনে সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে জলবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। গত তিনদিনের ভারী বৃষ্টিপাতের কারনে সব থেকে সমস্যায় পড়েছে নিচু এলাকার ঘরবাড়ি-হাট বাজার। এভাবে আরও দুই-তিন বৃষ্টি হলে বন্যার আশংকা করছেন উপজেলাবাসী। উপজেলা সদরের বিভিন্ন জায়গায় পানি নিস্কাশনের ব্যবস্থা না থাকা বিভিন্ন সরকারি অফিস-বাসার আঙ্গিনা জমা রয়েছেন। ফলে ওইসব এলাকার বাসিন্দাদের পুহাতে হচ্ছে দুর্ভোগ। টানা ভারী বর্ষণের ফলে উপজেলার বিভিন্ন নদ-নদী-খাল-বিলে দিনদিন পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। উপজেলা সদরের বাসিয়া নদীতে পানি বৃদ্ধি পাওয়া নদীর চর দখলে করে নির্মিত দোকান ঘরের পিছনের অংশ পানি জমা রয়েছে। এভাবে পানি বৃদ্ধি পেলে ওইসব দোকানঘর পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ার আশংকায় রয়েছেন বাজারের ব্যবসায়ীরা।
বৃহস্পতিবার উপজেলা সদরে ঘুরে দেখা যায়, উপজেলা পরিষদ রোডে অবস্থিত বিভিন্ন সরকারি কোয়াটার ও কৃষি অফিসের সামনে পানি জমা রয়েছে। এতে কৃষি অফিস আসা কৃষকরা পানির মধ্যে দিয়ে অফিসে প্রবেশ করছেন। উপজেলা সদরের নতুন বাজার এলাকার কয়েকটি বাসার আঙ্গিনায় বৃষ্টির পানি জমা হয়ে আছে। ফলে এসব বাসা-বাড়িতে বসবাসকারীদের পুহাতে হচ্ছে দুর্ভোগ।
এলাকার সচেতন মহল মনে করেন,উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় পানি নিস্কাসনের ব্যবস্থা না থাকায় প্রতি বছর বর্ষা মৌসুম আসলেই বিভিন্ন জায়গা পানি জমা হয়ে থাকে। তবে জরুরী ভিত্তিত্বে উপজেলার বিভিন্ন হাট বাজার ও বাসার সামনে ড্রেইনে ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।
উপজেলা সদরের নতুন বাজারের বাসিন্দা শফিকুল ইসলাম সফিক বলেন, পর্যাপ্ত পরিমানে ড্রেইন না থাকায় অল্প বৃষ্টি হলেই বাসার সামনে পানি জমে থাকে। এতে আমাদের দুর্ভোগ পুহাতে হয়।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাশহুদুল কবীর বলেন, বর্তমানে জলাবন্ধতা নিরসনের জন্য কোনো পরিকল্পনা নেই। তবে কোথায় ড্রেইনের ব্যবস্থা করলে পানি নিস্কাশন সম্ভব হবে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে হবে বলে তিনি জানান।
Related News
সবুড়ী নদী হতে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন, স্টিল নৌকা ও সরঞ্জাম জব্দ
Manual6 Ad Code জৈন্তাপুর প্রতিনিধি: সিলেটের জৈন্তাপুরের সবুড়ী নদী হতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের কারনে জৈন্তাপুরRead More
সিলেট সীমান্তে ৬৬ লাখ টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ
Manual5 Ad Code বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেটের সীমান্তবর্তী বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রায় ৬৬ লাখRead More



Comments are Closed