আত্মহত্যা কোনো অবস্থাতেই কাম্য নয়
এহসান বিন মুজাহির: সমাজে আত্মহত্যার প্রবণতা মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে নানা কারণে মানুষ আত্মহত্যায় লিপ্ত হচ্ছে। দিনে দিনে আত্মহত্যার সংখ্যা বৃদ্ধিই পাচ্ছে। পত্রিকার পাতা উল্টালেই পাওয়া যায় আত্মহত্যার নতুন খবর। বিভিন্ন পদ্ধতিতে আত্মহত্যাকারী আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়। কেউ গলায় ফাঁস নিয়ে, কেউ ছাদ থেকে ঝাঁপ দিয়ে, কেউ বিষ পান করে, কেউ বা ছুরি ব্যবহার করে, কেউ আবার ট্রেন কিংবা বাসের নিচে পড়ে আত্মহত্যা করে। এর কারণ বিশ্লেষণে দেখা গেছে, প্রেমে ব্যর্থ, পরীক্ষায় লজ্জাকর ফলাফল, পিতামাতা বা বন্ধুবান্ধবের সাথে রাগারাগি প্রভৃতি কারণ। গত বুধবার (১১ মে) ২০১৬ সালের এসএসসি ও সমমাননা পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হওয়ার পর পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়ে সারাদেশে এপর্যন্ত ১১জন ছাত্রছাত্রী আত্মহত্যা করেছেন বলে জাতীয় দৈনিক ও বিভিন্ন অনলাইনপোর্টাল থেকে খবর পাওয়া যায়। এভাবে প্রতিদিন পত্রিকার পাতায়, অনলাইন মিডিয়ায় আত্মহত্যার সংবাদ আমরা পাচ্ছি। অনেক আত্মহত্যার খবর আবার অগোচরেই রয়ে যায়। মানুষের জীবন এতোটা অর্থহীন নয় যে, আত্মহত্যার পথ বেঁচে নিতে হবে। পরীক্ষায় এ প্লাস না পেয়ে আত্মহত্যার খবর এখন সর্বত্র আলোচিত! সম্প্রতি এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হওয়ার পর ইতোমধ্যে বেশ কয়েকজন আত্মহত্যা করেছেন।
এপ্লাস প্রাপ্তরাই কেবল মেধাবী এমন চিন্তাটি সঠিক নয়! এ প্লাস না পেলে মেধাবী নয়- সমাজের এমন একচোখা দৃষ্টিভঙ্গির কারণেই শিক্ষার্থীরা পাঠ্যবই গোগ্রাসে গিলে উগড়ে দিচ্ছে পরীক্ষার খাতায়। যার ফলাফলস্বরূপ এ প্লাস অনেকেই পাচ্ছে ঠিকই, কিন্তু পরিপূর্ণ মেধাবী হয়ে উঠতে পারছে না। দুটি সার্টিফিকেটে সর্বোচ্চ নম্বর পাওয়ার জন্য দৌড়াতে গিয়ে ছিটকে পড়ছে জীবনের মূল লক্ষ্য থেকে। দুটি ছাপানো কাগজ যে শিক্ষার্থীদের ভাগ্য ও ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে দিতে পারে না একথাটি শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের বুঝতে আর কত সময় লাগবে!
পরীক্ষায় সর্বোচ্চ পয়েন্ট জিপিএ-৫ বা এ প্লাস পাওয়ার প্রত্যাশা থাকে সব শিক্ষার্থীর। সেই প্রত্যাশা পূরণের প্রচেষ্টায় সর্বোচ্চ প্রয়াসও তারা চালিয়ে যান। সবার ভাগ্যে জিপিএ-৫ না জুটলেও কারো কারো ভাগ্যে জুটে। আসলে সবই তাকদির। করুণাময় আল্লাহ তায়ালা সাহায্য না থাকলে হাজারো চেষ্ঠা করে কেউ এপ্লাস অর্জন করতে পারে না। পরীক্ষা শেষে সবাই ফল পাওয়ায় অধীর প্রতীক্ষায় থাকে। ফল পাওয়ার আগ পর্যন্ত স্কুলের সেরা মেধাবী ছাত্রদের মাঝেও অজানা একটা টেনশন থাকে। ফল প্রকাশের পর টেনশন-অস্বস্তি দুরিভূত হয়। পরীক্ষার মাধ্যমে ছাত্রছাত্রীদের মেধা যাচাই করা যায়। পরীক্ষা কাউকে সম্মানিত আবার কাউকে অসম্মানিত করে। পরীক্ষায় এপ্লসপ্রাপ্ত কৃতি ও কৃতকার্য ছাত্রছাত্রীরা আরও ভালো কিছু অর্জনের প্রয়াসে ব্যস্ত সময় কাটায়। অকৃতকার্য শিক্ষার্থীরা ফেল করাার অপমানে খারাপ পথ বেছে নেয়। কেউ গলায় দড়ি লাগিয়ে, কেউ বা বিষপানে আত্মহত্যা করে!
পরীক্ষায় ফেল করে আত্মহত্যার সংস্কৃতিটা এসমাজে দিনে দিনে ব্যাপকহারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে দেখা গেছে জেডেসি, জেএসসি থেকে শুরু করে এসএসসি, এইচএসসির শিক্ষার্থীরা এহীন কাজে বেশি লিপ্ত। সম্প্রতি ২০১৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় ফেল করে এ পর্যন্ত সারাদেশে ১১জন ছাত্রছাত্রী আত্মহত্য করেছেন বলে পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা যায়।
গত শনিবার (১৪ মে) মৌলভীবাজার শহরের ফিউচার ব্রাইট স্কুলের শিক্ষার্থী সাদিয়া ইসলাম ডানা নামের এক ছাত্রী বিষপানে আত্মহত্যা করেন। সাদিয়া ইসলাম ডানা (১৮) শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে শহরের মুসলিম কোয়াটারস্থ নিজ বাসায় বিষপানে আত্মহত্যা করেন। জানা যায় এসএসসি পরীক্ষায় অংক ও ইংরেজিতে ফেল করায় রেজাল্টের পর থেকেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে সাদিয়া। খুব কান্নাও করে। রাতে পরিবারের সঙ্গে খাবার খেয়ে তার নিজ রুমে গিয়ে হঠাৎই বিষপান করে। এসময় পরিবারের লোকজন সাদিয়াকে উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
পিরোজপুরের নাজিরপুরে এসএসসি পরীক্ষায় ফেল করে দিপা আক্তার নামের এক পরীক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে। সে চলতি বছরে উপজেলার হাজী আ: গনি মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে বরিশাল বোর্ডের অধীনে বানিজ্য বিভাগে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করে ফেল করে । বুধবার (১১ মে) দুপুরে ফলাফল প্রকাশের পর পরীক্ষর ফলাফল খারাপ হয়েছে শুনে সে মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়ে। স্কুল থেকে নিজ গৃহে ফিরে ঘরে থাকা কিটনাশক পান করলে বাড়ির লোকজন তাকে পার্শ্ববর্তী বাগেরহাট জেলার চিতলমারি উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই দিন বিকাল ৫টার দিকে সে মারা যায়।
চট্রগ্রাম নগরীর চান্দগাঁও থানার শরাফতউল্লাহ পেট্রোল পাম্প এলাকায় বুধবার দুপুরে এসএসসি পরীক্ষায় ফেল করায় সুপ্রিয়া ধর (১৬) নামে এক ছাত্রী গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। ‘দুপুরে এসএসসির পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর ফেল করার খবর পেয়ে নিজ রুমের দরজা বন্ধ করে ওড়না প্যাঁচিয়ে সিলিং ফ্যানের সাথে ফাঁস দেয় সুপ্রিয়া। বিকেল তিনটার দিকে পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি টের পেয়ে দরজা ভেঙে রুমে প্রবেশ করে তার ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান। পরে বিকেল সোয়া চারটার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন’।
বরিশাল নগরীর উদয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সর্বজিত ঘোষ হৃদয় ফলাফল জানার এক ঘণ্টার মাথায় নগরীর বহুতল একটি ভবন থেকে লাফিয়ে আত্মহত্যা করে।
বুধবার (১১ মে) বরিশাল নগরীর প্যারারা রোড এলাকায় সত্যজিৎ ঘোষ সিজান (১৭) পরীক্ষায় ফেল করায় আত্মহত্যা করে। সত্যজিৎ ঘোষ বরিশাল উদয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগ থেকে পরীক্ষায় অংশ নেয়।
দুপুর ২টার দিকে পরীক্ষার ফল জানতে পারে সিজান। এর পরপরই প্যারারা রোডে নির্মাণাধীন একটি বহুতল ভবনের ছাদ থেকে ঝাপ দিয়ে আহত হলে স্থানীয়রা তাকে শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতলে ভর্তি করে। এর কিছু সময় পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
হবিগঞ্জের মাধবপুর পৌরসভার নোয়াগাঁও গ্রামের কৃষ্ণ দেবনাথের মেয়ে লিপি দেবনাথ প্রেমদাময়ী বালিকা উচ্চবিদ্যলয় থেকে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। বুধবার পরীক্ষার ফল খারাপ হওয়ার খবর শুনে পরিবারের সবার অগোচরে ঘরের ফ্যানের সাথে ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করে সে।
এসএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়ায় ফেনীর সোনাগাজী উপজেলায় রেনু বালা দাস (১৬) নামে এক শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে। গতকাল বিকেলে উপজেলার চরচান্দিয়া গ্রামে নিজ ঘরে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে রেনু। দুপুরে নিজ ঘরের দরজা বন্ধ করে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে সে। কোনো সাড়া না পেয়ে পরিবারের লোকজন তার ঘরে গিয়ে ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পায়।
এসএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়ে টঙ্গীবাড়ীতে এক ছাত্রী আত্মহত্যা করেছে। বৃহস্পতিবার (১৩ মে) ভোররাতে বসতঘরের আড়ার সঙ্গে দড়ি দিয়ে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় তাকে ঝুলতে দেখে পরিবারের লোকেরা থানায় খবর দেয়। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার পুড়াপাড়া গ্রামের মো. বশিরের মেয়ে সুমাইয়া (১৬) সোনারং পাইলট উচ্চবিদ্যালয় থেকে কমার্স গ্রুপে এসএসসি পরীক্ষা দেয়। ফলাফল বের হওয়ার পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়ার খবর জেনে সে আত্মহত্যা করে।
পরীক্ষায় ফেল করায় ক্ষোভে সবার চোখের আড়ালে গলায় ফাঁসি দিয়েছে শ্রীপুর উপজেলার শিমলাপাড়া গ্রামে জসিম উদ্দিন (১৬) এসএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়ায় রোববার রাতে ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা করেছে। নিহত জসিম উদ্দিন গাজীপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র। সোমবার দুপুরে পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করেছে।
এসএসসি পরীক্ষায় ফলাফল খারাপ হওয়ায় খুলনার পাইকগাছায় শান্তি বিশ্বাস (১৭) নামে এক ছাত্রী গলায় ওড়না পেচিয়ে আত্মহত্যা করেছে। এসএসসি পরীক্ষার আশানুরুপ ফলাফল না পাওয়ায় পরিবারের উপর অভিমান করে শান্তি শনিবার রাত ১১টার দিকে পারিবারিক বাথরুমের মধ্যে গলায় ওড়না পেচিয়ে আত্মহত্যা করে।
মাধ্যমিক (এসএসসি) পরীক্ষায় পাস করতে না পেরে নেত্রকোনার খালিয়াজুরী উপজেলায় শাপলা আক্তার (১৬) নামের এক শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে। গতকাল বুধবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। সে জগন্নাথপুর এমইউএস উচ্চ বিদ্যালয়ের মানবিক বিভাগ থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। পরিবারের সদস্যদের বরাত দিয়ে খালিয়াজুরী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শওকত আলী জানান, পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর নিজের অকৃতকার্য হওয়ার বিষয়টি জানতে পেরে সন্ধ্যার দিকে লোকচক্ষুর অন্তরালে কীটনাশক খেয়ে ফেলে ওই ছাত্রী। পরিবারের লোকজন বিষয়টি টের পেয়ে তাকে খালিয়াজুরী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে পাঠান।
আত্ম্যহত্যা বা স্বেচ্ছা মৃত্যু কোনো অবস্থাতেই কাম্য নয়। একজন শিক্ষার্থী, যে কেবল জীবনের চৌকাঠে পা রেখেছে, কিন্তু ফেল করার অপমানে তারা দরজা থেকেই ফেরত যেতে হয়, কেন তাদেরকে আমরা ফুলেল ডালা নিয়ে বরণ করতে পারি না, কেন তাকে আমরা নিঃস্ব হাতে ফেরত পাঠাই, কেন বেছে নিতে বলি স্বেচ্ছামৃত্যুর মত করুণ উপসংহারকে!
মার্কিন লেখক এডওয়ার্ড ডালবার্গ বলেছেন, ‘যখন কেউ উপলব্ধি করে যে, তার জীবনের কোনো মূল্য নেই, তখন সে আত্মহত্যা করে।’
আত্মহত্যা সমাজে ঘৃণিত-নিন্দীত কাজ। ইসলামের দৃষ্টিতেও বড় গোনাহ আত্মহত্যা। তাই মহান আল্লাহ তায়ালা আত্মহত্যাকে হারাম করেছেন এবং আত্মহত্যাকারীর ভয়াবহ পরিণামের কথা জানিয়েছেন। ইসলামে আত্মহত্যা হলো মহাপাপ। আল্লাহ মানুষকে মরণশীল করে সৃষ্টি করেছেন। তিনিই মৃত্যু ঘটান। কিন্তু আত্মহত্যার ক্ষেত্রে বান্দা স্বাভাবিক মৃত্যুকে উপেক্ষা করে মৃত্যুকে নিজের হাতে নিয়ে নিজেই নিজেকে হত্যা করে ফেলে। এ কারণে এটি একটি গর্হিত কাজ।
আল্লাহতায়ালা এরশাদ করেছেন, ‘আর তোমরা আত্মহত্যা কর না, নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদের প্রতি দয়াশীল। (সুরা নিসা: ২৯)
আল্লাহপাক আরও এরশাদ করেন- ‘তোমরা তোমাদের নিজেদের ধ্বংসের মধ্যে নিক্ষেপ কর না। (সূরা বাকারা: ১৯৫ আয়াত)
হজর আবু হোরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত নবিজি (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি পাহাড় থেকে লাফিয়ে পড়ে আত্মহত্যা করবে, সে জাহান্নামে অনুরূপভাবে আত্মহত্যা করতেই থাকবে এবং এটিই হবে তার স্থায়ী বাসস্থান। যে ব্যক্তি বিষ পান করে আত্মহত্যা করবে, তার বিষ তার হাতে থাকবে, জাহান্নামে সে সর্বক্ষণ বিষ পান করে আত্মহত্যা করতে থাকবে। আর এটা হবে তার স্থায়ী বাসস্থান। আর যে ব্যক্তি লৌহাস্ত্র দিয়ে আত্মহত্যা করবে, সে লৌহাস্ত্রই তার হাতে থাকবে। জাহান্নামে সে তা নিজ পেটে ঢুকাতে থাকবে, আর সেখানে সে চিরস্থায়ীভাবে থাকবে।’ (বুখারি ও মুসলিম)
হজরত জুন্দুব বিন আব্দুল্লাহ (রা.) রাসুল (সা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন, ‘একজন ব্যক্তি জখম হলে, সে (অধৈর্য হয়ে) আত্মহত্যা করে। এর প্রেক্ষিতে আল্লাহ বললেন, ‘আমার বান্দাহ আমার নির্ধারিত সময়ের আগেই নিজের জীবনের ব্যাপারে দ্রত ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। আমি তার ওপর জান্নাত হারাম করে দিলাম। (বুখারি)
লেখক: সাংবাদিক, সাহিত্যিক ও কলাম লেখক।
Related News
ইউরোপের পথে প্রবাসীদের স্বপ্ন ও সংগ্রামের ব্যবচ্ছেদ
Manual2 Ad Code শামসুল ইসলাম: ইউরোপ, এক মায়াবী হাতছানির নাম। উন্নত জীবন-যাপন আর উজ্জ্বল ভবিষ্যতেরRead More
ইসলাম ও বিশ্বায়নে শ্রমজীবী মানুষ
Manual1 Ad Code মুহাম্মদ মনজুর হোসেন খান: ১২৫ বছর আগে ১৮৮৬ সালে ও বিশ্বের দেশেRead More



Comments are Closed