Main Menu

সিলেটে ঘন ঘন ডাকাতির প্রতিবাদে মানববন্ধন

Manual4 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ২৪ ডটকম: সিলেটের কয়েকজন আইনজীবীর বাসভবনে ডাকাতিসহ নগরীতে ঘন ঘন ডাকাতির প্রতিবাদে বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক আইনজীবী সমিতি সিলেট জেলা কমিটির উদ্যোগে ১১মে বুধবার দুপুর ২টায় নগরীর কোর্ট পয়েন্টে মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক আইনজীবী সমিতি সিলেট জেলার সিনিয়র আইনজীবী নিলেন্দু দেব এর সভাপতিত্বে ও যুগ্ম আহŸায়ক এড. আনোয়ার হোসেন সুমন এর পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন সিলেট জেলা বারের সাবেক সভাপতি এড. ই.ইউ শহিদুল ইসলাম শাহিন, এড. বেদানন্দ ভট্টাচার্য প্রমূখ। এতে সংহতি প্রকাশ করেন ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সিকান্দার আলী, বাসদ (মার্কসবাদী) এর এড. হুমায়ূন রশিদ শোয়েব, জাতীয় জনতা পার্টির আছকির আলী, উদীচীর বাদল কর, জেলা বারের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এড. অশোক দাশ পুরকায়স্থ, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক এড. দিলোয়ার আল আজহার, সাংবাদিক এড. তাজ উদ্দিন, এড. এম.এ কুদ্দুছ, এড. বিমান চন্দ্র দাস, এড. দেবতোষ দেব, এড. মোহিত লাল ধর, এড. নিতু কান্ত দাস, এড. ফজলুর রহমান শিপু, এড. মনির উদ্দিন, ্ এড. খলিলুর রহমান, যুব নেতা সুজিত কুমার দাস, বুলবুল আহমদ, এড. বুরহান উদ্দিন, এড. কাওছার আহমদ প্রমূখ।
বক্তারা বলেন, সিলেটে গত কয়েকমাস যাবৎ ডাকাতির তৎপরতা অত্যাধিক মাত্রায় বৃদ্ধি পেয়েছে। এসময়ে এড. মো: সামছুল হক, এড. শামীম সিদ্দিকী, এড. আজহার উদ্দিন ইয়াহিয়া, ডা. শাহানা ফেরদৌস এর বাসাসহ নগরীর বিভিন্ন পাড়া মহল­ায় ডাকাতি সংঘঠিত হয়েছে। এ বিষয়ে পুলিশ জনগণকে নিরাপত্তা না দিয়ে জনমনে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে। সন্দেহজনক পরিস্থিতিতে মসজিদের মাইকে ডাকাত এসেছে মর্মে প্রচার করে জনগণকে আইন হাতে তুলে নিতে উৎসাহ জোগাচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে অনেক পাড়া মহল­ায় জনসাধারণ নিজেরাই রাত জেগে পাহাড়ার ব্যবস্থা করছেন। এতে রাতের বেলা অপরিচিত স্থানে জনগণের স্বাভাবিক চলাচলে বিঘœ সৃষ্টি হচ্ছে। কোন কোন সময় ডাকাত সন্দেহে গণপিটুনিতে মারাত্মক আহত হওয়ার ঘটনা ঘটছে। পুলিশ নিজের তৎপরতা বৃদ্ধি না করে দায়িত্বহীন আচরণ করছে। সিলেটের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবণতির প্রেক্ষিতেই ঘন ঘন ডাকাতি সংঘঠিত হচ্ছে।
এছাড়াও বক্তারা বলেন, অনন্ত বিজয় দাস হত্যার এক বছর অতিক্রান্ত হলেও মামলার তদন্ত কার্যে উলে­খযোগ্য কোন উন্নত হয়নি। বরং যাদের গ্রেফতার করা হয়েছিল তারা তদন্ত কার্যে ব্যর্থতার কারণে জামিনে বের হয়ে যাচ্ছে।
বক্তারা বলেন, তনু হত্যা কান্ডের পর দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও এখন পর্যন্ত তদন্তে কোন অগ্রগতি হয়নি। সেনানিবাস এলাকায় সংঘঠিত এই হত্যাকান্ডে কাদেরকে রক্ষা করতে তদন্তকার্য স্বাভাবিক ভাবে এগুচ্ছে না ?
সভায় বক্তারা বলেন, পুলিশ জনগণের টেক্সের টাকায় চলে। তারপরও বিভিন্ন থানায় দেখা যায় পুলিশ প্রশাসন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি বা গোষ্ঠির কাজ থেকে সৌজন্য হিসেবে থানার সাইনবোর্ড থেকে শুরু করে বিভিন্ন আসবাবপত্র, গাড়ি ইত্যাদি গ্রহণ করছে। এতে করে পুলিশ বাহিনীর সুনাম ক্ষুন্ন হচ্ছে এবং তারা এইসব ব্যক্তি, গোষ্টি বা প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে ব্যবহৃত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে। এটা এখনই বন্ধ করতে হবে এবং যারা এটা করছে তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে।

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code