গোলাপগঞ্জে সোহেল হত্যার ৮দিনেও গ্রেফতার নেই
বৈশাখী নিউজ ২৪ ডটকম: সিলেটের গোলাপগঞ্জে সোহেল আহমদ (২৮) হত্যার ৮দিনেও আসামীদের ধরতে পারেনি পুলিশ। গত ১মে মুছা এন্ড সন্স মৎস্য কোম্পানীর পাশের খালের মধ্যে আসামীরা সোহেলকে হত্যা করে লাশ ফেলে যায়। খবর পেয়ে লাশ উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মর্গে প্রেরন করে পুলিশ। নিহত সোহেল গোলাপগঞ্জ উপজেলার গীতমোজা গ্রামের ইদ্রিস আলীর ছেলে। বর্তমানে তারা সিলেট নগরীর জালালাবাদ থানার সাহেবেরগাঁও গ্রামে বসবাস করতো।
পরে হাসপাতাল থেকে বেওয়ারীশ লাশ বলে সিলেট নগরীর মানিক পীরের টিলায় দাফন করার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় সোহেলের পরিবার খবর পেয়ে লাশ মানিক পীরের টিলা থেকে উদ্ধার করে পরে আতœীয়স্বজন দাফন সম্পন্ন করেন বলে জানান সোহেলের মা। সোহেলের মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনের জন্য তার মা মোছাম্মৎ রাজিয়া বেগম (৪৮) বাদী হয়ে তিন জনের নাম উল্লেখ্য করে ৫ মে গোলাপগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন। আসামীরা হলো মুছা এন্ড সন্স মৎস্য কোম্পানীর মালিক হাজী রুহেল আহমদ (৪০), হেলাল উদ্দিন (৩২) ও সামাদ (৩৫)। তারা সকলে গোলাপগঞ্জ উপজেলার সুন্দিসাইল গ্রামের বাসিন্দা।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২মে সোমবার বেলা ১১টায় অপরিচিত এক লোকের মোবাইল ফোনে রাজিয়া বেগম জানতে পারেন তার ছেলের লাশ গোলাপগঞ্জ থানায় রয়েছে। খবর পেয়ে রাজিয়া বেগম তার ছেলে সেলিম উদ্দিন, জাকারিয়া, জুয়েল, শাহ আলম ও লায়েককে নিয়ে গোলাপগঞ্জ থানায় গেলে থানা পুলিশ মৃত সোহেলের ছবি দেখায়। তখন তিনি তার ছেলের ছবি বলে পুলিশকে নিশ্চিত করেন। তার ছেলের লাশ কোথায় জানতে চাইলে পুলিশ জানায় তার লাশ ময়না তদন্তের জন্য সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। সোহেল কিভাবে মারা গেছে জানতে চাইল, পুলিশ জানায় গত ১ মে রোববার মুছা এন্ড সন্স মৎস্য কোম্পানীর পাশের খালে তার লাশ পাওয়া গেছে। দেরী না করে রাজিয়া বেগম তার ছেলেদের সাথে নিয়ে অটোরিক্সা যোগে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এসে জানতে পারেন বেওয়ারিশ হিসেবে দাফনের জন্যে সোহেলের লাশ সিলেট নগরীর মানিক পীরের টিলায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সাথে সাথে রাজিয়া বেগম তার ছেলেদের নিয়ে মানিক পীরের টিলায় গিয়ে সোহেলের লাশ দেখতে পেয়ে আত্মীয়-স্বজনদের খবর দেয়ন। খবর পেয়ে আত্মীয়-স্বজন এসে জানাযা শেষে সোহেলের লাশের দাফন সম্পন্ন করেন।
অভিযোগে বলা হয়, সোহেল আহমদ প্রায় এক মাস পূর্বে হাজী রুহেল আহমদ এর মাছের খামার মুছা এন্ড সন্স কোম্পানীর কর্মচারী হেলাল উদ্দিন এর মাধ্যমে কেয়ারটেকার হিসেবে চাকুরীতে যোগদান করে। যেহেতু চাকুরীতে কর্মরত অবস্থায় সোহেলের লাশ মুছা এন্ড সন্স কোম্পানীর পাশের খালে পাওয়া যায়। কিন্ত কোম্পানীর পক্ষ থেকে সোহেল মারা যাওয়ার সংবাদটি পরিবারের সদস্যদের জানানো হয়নি। এমনকি কোম্পানীর কাছে সোহেলের ঠিকানা থাকা সত্তে¡ও সুকৌশলে বেওয়ারিশ লাশ হিসেবে দাফনের চেষ্টা করা হয়েছে।
অভিযোগে সোহেলের মা রাজিয়া বেগম হাজী রুহেল আহমদ, হেলাল উদ্দিন ও সামাদকে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সোহেল খুনের রহস্য উদঘাটন হবে বলে তিনি দাবি করেন। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত খুনীদের গ্রেফতারের জোর দাবী জানিয়েছেন রাজিয়া বেগম।
Related News
বিশ্বনাথে এনসিপির আহবায়ক কমিটি গঠন
Manual4 Ad Code বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) বিশ্বনাথ উপজেলা আহবায়ক কমিটি গঠনRead More
গোলাপগঞ্জে গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার
Manual4 Ad Code বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলায় গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।Read More



Comments are Closed