Main Menu

নওগাঁয় চার খুন: আসামিদের ভয়ংকর বর্ণনা

Manual8 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার বাহাদুরপুর গ্রামে একই পরিবারের চারজনকে গলা কেটে হত্যার ঘটনার জট খুলতে শুরু করেছে। পুলিশ অভিযান চালিয়ে ইতোমধ্যে ৩ খুনিকে গ্রেপ্তার করেছে। তাদের মধ্যে দুইজন ঘটনার বর্ণনা দিয়ে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

Manual7 Ad Code

এই কিলিং মিশনে অংশ নেয় নিহত হাবিবুরের বোনের স্বামী শহীদুল মন্ডল, তার ছেলে শাহীন মন্ডল, ভাগ্নে সবুজ রানা এবং আপন চাচাতো ভাই স্বপনসহ আরও অজ্ঞাত দুইজন। এদের মধ্যে স্বপন ও বাকি অজ্ঞাতরা পলাতক রয়েছেন।

বুধবার (২২ এপ্রিল) দুপুরে নওগাঁ জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য দেন পুলিশ সুপার তারিকুল ইসলাম।

Manual7 Ad Code

তিনি জানান, আসামিদের তথ্য অনুযায়ী হত্যায় ব্যবহৃত অস্ত্র ইতোমধ্যে উদ্ধার করা হয়েছে। হত্যায় ব্যবহার করা হয় খরকাট ধারলো হাসুয়া এবং ধারালো ছুরি। আসামিদের জবানবন্দি অনুযায়ী, সম্পত্তির লোভে মূলত এই হত্যাকান্ড ঘটে।

Manual2 Ad Code

পুলিশ সুপার আরও জানান, নমির উদ্দিনের ৫ মেয়ে, ১ ছেলে। কিছুদিন আগে বাবা নমির উদ্দিন ছেলেকে সম্পত্তির বেশ কিছুটা অংশ লিখে দেন। তারপর থেকে মেয়ে শিরিন ও তার স্বামী শহীদুল মিলে নমির উদ্দিন ও তার ছেলে হাবিবুরকে নানান ভাবে ভয়ভীতি দেখাচ্ছিল। গত সোমবার রাতে ভাগ্নে সবুজ রানা তার নানা ও মামার সাথে রাতের খাবার খায়। তারপর গভীর রাতে পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রথমে হাবিবুরকে ধারালো ছুরি দিয়ে জবাই করে।

Manual8 Ad Code

আলাদা ঘরে ছেলে ও শিশু সন্তান সাদিয়াকে নিয়ে ঘুমিয়ে ছিলেন পপি খাতুন। পপি খাতুন রাতে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে গেলে ওত পেতে থাকা খুনিরা খরকাটা হাসুয়া দিয়ে তাকে জবাই করে হত্যা করে। এরপর পারভেজ ও শিশু কন্যা সাদিয়াকে গলাকেটে পৈশাচিক কায়দায় হত্যার মাধ্যমে নির্বংশ করার পরিকল্পনায় নানা বাড়ির সম্পত্তি পাওয়ার পরিকল্পনা করে খুনিরা।

পুলিশ সুপার আরও বলেন, নিহত পপি খাতুনের বাবা মোয়াজ্জেম হোসেন বাদি হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। আসামিদের আটক করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে।

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code