Main Menu

চৈত্রে ভোরের কুয়াশায় ঢেকে যায় পঞ্চগড়

Manual7 Ad Code

সফিকুল আলম দোলন, পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি: বাংলা চৈত্র মাসে সাধারণত তীব্র গরমের প্রভাব থাকার কথা থাকলেও চলতি বছরে এপ্রিল মাসের শুরুতে পঞ্চগড় জেলায় দেখা দিয়েছে ব্যতিক্রমী আবহাওয়া। ভোরবেলা ঘন কুয়াশায় ঢেকে যাচ্ছে পুরো জেলা , যা স্থানীয়দের মাঝে বিস্ময় সৃষ্টি করেছে।

Manual5 Ad Code

গত ২দিন ধরে ভোর থেকে সকাল ৭ টা পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন এলাকা ঘন কুয়াশায় আচ্ছন্ন থাকে। অনেক স্থানে দৃশ্যমানতা কমে যাওয়ায় যানবাহনগুলোকে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করতে দেখা গেছে। এতে করে কুয়াশার কারণে বিভিন্ন যানবাহন অত্যন্ত ধীরগতিতে চলাচল করতে দেখা গেছে ।

Manual2 Ad Code

স্থানীয় প্রবীণ বাসিন্দারা জানান, চৈত্র মাসে এমন কুয়াশা খুবই বিরল। অনেকেই শীতকালের মতো অনুভ‚তির কথা জানিয়েছেন। ভোরবেলা হালকা বাতাসও বইছে। সকালে ঘাসের ওপর শিশির জমে শীতের আমেজ তৈরি করেছে। টিনের চালে বৃষ্টির ফোঁটা চুইয়ে পড়ার মতো টুপটাপ শব্দ শোনা যায় ।চৈত্রের শেষে এসে এমন ঘন কুয়াশা এই অঞ্চলে সচরাচর দেখা যায় না। তবে কুয়াশা কেটে যাওয়ার পর জনজীবনে স্বাভাবিকতা ফিরে আসে।

Manual4 Ad Code

পঞ্চগড় আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বাতাসে অতিরিক্ত আর্দ্রতা, দিন ও রাতের তাপমাত্রার পার্থক্য এবং মেঘলা আবহাওয়ার কারণে এই কুয়াশা সৃষ্টি হচ্ছে। আবহাওয়া কর্মকর্তারা জানান, বর্তমানে মৌসুমি বায়ু সক্রিয় থাকার পাশাপাশি আকাশে মেঘের ঘনঘটা থাকায় এই কুয়াশা তৈরি হয়েছে। মূলত বায়ুমন্ডলের উপরিভাগের জলীয় বাষ্প ও মেঘের কারণে কুয়াশা হয়ে ঝরে পড়ছে। তবে এই কুয়াশা স্থায়ী হবে না এবং বেলা বাড়ার সাথে সাথে তাপমাত্রা আরও বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে বলে পূর্বাভাসে জানানো হয়। এটিকে বাষ্পীয় কুয়াশা বা “স্টিম ফগ” হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

হঠাৎ এই আবহাওয়াগত পরিবর্তনে স্থানীয়দের মধ্যে যেমন বিস্ময় তৈরি হয়েছে, তেমনি সব মিলিয়ে চৈত্র মাসে পঞ্চগড়ে ভোরের কুয়াশা একটি অস্বাভাবিক হলেও দৃষ্টি নন্দন প্রাকৃতিক দৃশ্য তৈরি করেছে। আবহাওয়া ও প্রকৃতির এমন বৈচিত্র্যময় আচরণে এই অঞ্চলের কৃষিতে কোনো প্রভাব পড়বে কি না, তা নিয়ে কৃষি সংশ্লিষ্টরা নিয়মিত পর্যবেক্ষণের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন।

Manual6 Ad Code

 

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code