Main Menu

ঘুমের মধ্যে হার্ট অ্যাটাক হওয়ার কারণ

Manual5 Ad Code

লাইফস্টাইল ডেস্ক: সুস্থ থাকতে রাতে সাত থেকে আট ঘণ্টা ঘুমের পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকরা। তবে শুধু ঘুমের সময় নয়, ঘুমের মানও যে সমান গুরুত্বপূর্ণ, তা অনেকেই গুরুত্ব দেন না। বিশেষজ্ঞদের মতে, স্লিপ অ্যাপনিয়া এমন একটি ঘুমের সমস্যা যেখানে ঘুমের মধ্যে বারবার শ্বাস বন্ধ হয়ে যায়। এতে হঠাৎ ঘুম ভেঙে হাঁসফাঁস করে ওঠার পাশাপাশি হৃদযন্ত্রের ওপর তৈরি হয় মারাত্মক চাপ।

Manual3 Ad Code

স্লিপ অ্যাপনিয়া সবচেয়ে সাধারণ ঘুমের রোগগুলোর একটি। শ্বাসপ্রশ্বাসে বারবার বাধা হৃদযন্ত্রের ওপর সরাসরি চাপ সৃষ্টি করে এবং দীর্ঘমেয়াদে নানা ধরনের কার্ডিওভাসকুলার জটিলতার জন্ম দেয়।

অক্সিজেনের ঘাটতি ও হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি

Manual8 Ad Code

ঘুমের মধ্যে শ্বাস বন্ধ হলে শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা দ্রুত কমে যায়। তখন মস্তিষ্ক শরীরকে জাগিয়ে তোলে যাতে শ্বাস স্বাভাবিক হয়। রাতজুড়ে এভাবে অক্সিজেনের ঘাটতি ও হঠাৎ জেগে ওঠা হৃদযন্ত্রে তীব্র চাপ সৃষ্টি করে। এর ফলে রক্তচাপ ও হার্ট রেট বেড়ে যায়, যা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে উচ্চ রক্তচাপ, অ্যারিদমিয়া এবং হৃদযন্ত্রের গঠনগত পরিবর্তন ঘটাতে পারে।

হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের আশঙ্কা

কার্ডিওলজিস্টরা জানান, ঘনঘন অক্সিজেনের ঘাটতি রক্তনালিতে স্থায়ী ক্ষতি করে। এতে রক্তনালির স্থিতিস্থাপকতা কমে গিয়ে সেগুলো শক্ত হয়ে যায়। ফলে হৃদ্‌রোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বহুগুণে বেড়ে যায়।

অনিয়মিত হার্টবিট ও হার্ট ফেইলিওর

Manual6 Ad Code

দীর্ঘদিনের স্লিপ অ্যাপনিয়া থেকে অ্যাট্রিয়াল ফিব্রিলেশনসহ অনিয়মিত হার্টবিট দেখা দিতে পারে। অক্সিজেনের ওঠানামা ও অতিরিক্ত অ্যাড্রেনালিন নিঃসরণ হৃদযন্ত্রের বৈদ্যুতিক কার্যকলাপকে অস্থিতিশীল করে তোলে। এ অবস্থাই রাতের বেলায় আকস্মিক কার্ডিয়াক অ্যারেস্টের ঝুঁকি বাড়ায়।

এ ছাড়া দীর্ঘমেয়াদে স্লিপ অ্যাপনিয়া হৃদযন্ত্রের পেশি দুর্বল করে দিতে পারে। এতে হার্ট ফেইলিওরের আশঙ্কা তৈরি হয়। যাদের আগে থেকেই হার্ট ফেইলিওর আছে, তাদের জন্য সেন্ট্রাল স্লিপ অ্যাপনিয়া পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। এতে বারবার হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে এবং বেঁচে থাকার সম্ভাবনা কমে যায়।

চিকিৎসকদের পরামর্শ

বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেন, স্লিপ অ্যাপনিয়া শুধু ঘুমের মান নষ্ট করে না, বরং হৃদযন্ত্রের জন্য মারাত্মক হুমকিও তৈরি করে। তাই ঘুমের মধ্যে হঠাৎ হাঁসফাঁস করে জেগে ওঠা বা ঘনঘন শ্বাসকষ্টের মতো লক্ষণ দেখা দিলে অবহেলা না করে দ্রুত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

Manual8 Ad Code

 

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code