Main Menu

দক্ষিণ সুরমায় প্রাইভেটকারে তুলে নিয়ে গৃহ পরিচারিকাকে ধর্ষণ

Manual5 Ad Code

বিশেষ প্রতিনিধি: সিলেটে এক নারী গৃহ পরিচারিকাকে প্রাইভেটকারে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ণণের অভিযোগ উঠেছে। ওই ধর্ষণের ঘটনায় ধর্ষণকারীর সাথে জড়িত অপর এক নারী সহযোগিসহ চার জনের নামে এসএমপির দক্ষিণ সুরমা থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।

সুনামগঞ্জের হতদরিদ্র পরিবারের পাঁচ সন্তানের জননী ভিকটিম এই অভিযোগ করেন।

অভিযুক্তরা হলেন, সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার নভাগ কামালবাজার গ্রামের মৃত আবু সালের ছেলে আবু সালমান ওরফে আবুল, একই গ্রামের মৃত মহিবুর রহমানের ছেলে মতিউর রহমান নাজমুল, মৃত আব্দুল হান্নান ওরফে সন্দ’র ছেলে ফাহিম, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ইসলামপুর গ্রামের আরশ আলীর স্ত্রী মাহমুদা বেগম।

Manual5 Ad Code

রোববার (২২ জুন) রাতে অভিযোগ প্রাপ্তির সত্যতা নিশ্চিত করেন এসএমপির দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি মিজানুর রহমান। তিনি জানান ওই নারী ভিকটিম ২১ জুন রোববার থানায় চারজনকে অভিযুক্ত করে লিখিত অভিযোগ করেছেন।

শনিবার (২০ জুন) রাতে ভিকিটিম ও থানায় দেয়া লিখিত অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, সুনামগঞ্জের দূর্গম গ্রামের হত দরিদ্র পরিবারের পাঁচ সন্তানের জননী স্বামী পঙ্গু হওয়ার কারনে সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ইসলামপুর গ্রামের অপর নারী গৃহপরিচারিকা মাহমুদার সাথে সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলার একই বাসায় গৃহ পরিচারিকার কাজ করতেন।

Manual8 Ad Code

কাজ শেষে ভাড়া বাসায় ফেরার পথে গেল ১৮ জুন বুধবার রাত ৯টার দিকে অন্য একটি বাসায় কাজের কথা বলে মাহমুদা অপর তিন ব্যাক্তির সাথে সহকর্মী নারী গৃহ পরিচারিকাকে তুলে দেন প্রাইভেটকারে।

Manual3 Ad Code

প্রাইভেট কারের ভেতরই ওই নারীর সাথে আপক্তিকর প্রস্তাবসহ তিন আরোহী শরীরের বিভিন্ন স্পর্শকাতর স্থানে জোর পূর্বক কয়েক দফা শ্লীলতাহানী ঘটায়।
ওই রাতে ঘন্টা খানেক প্রাইভেটকার চালিয়ে দক্ষিণ সুরমা উপজেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বাথরুমের পাশে ওই নারীকে জোরপূর্বক নামানো হয়।

এরপর দুই সহযোগিকে অদুরে পাহারায় রেখে আবু সালমান ওরফে আবুল ওই নারীকে হত্যার ভয় দেখিয়ে ধর্ষণ করে।

এক পর্যায়ে পাহারায় থাকা অপর দু’জন ফের ধর্ষণের চেষ্টা করলে ওই নারী কান্নাকাটি, চিৎকার শুরু করলে নারীকে বিদ্যালয়ের বাথরুমের পাশে ফেলে রেখে আবু সালমান ওরফে আবুল তার সহযোগিদের নিয়ে প্রাইভেটকারে বীরদর্পে চলে যায়।

Manual3 Ad Code

ভিকিটিম ভাড়া বাসায় ফিরে পরিবারের লোকজন ও স্থানীয় লোকজনকে ধর্ষণের ঘটনাটি অবহিত করেন।

এরপর পরিবারের লোকজন ২০ জুন শুক্রবার সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ওয়ান স্টপ ক্রাইসিজ সেন্টারে চিকিৎসার জন্য ভিকটিমকে ভর্তি করেন। টিকিৎসা গ্রহন, ডাক্তারী পরীক্ষা নিরীক্ষার পর ২১ জুন শনিবার ভিকিটিমকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দিলে ভিকটিম ওই দিনই দক্ষিণ সুরমা থানার ওসির নিকট ধর্ষণকারী, তার সহযোগিসহ চার জনের নামে লিখিত অভিযোগ করেন।

রোববার রাতে দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি মিজানুর রহমান জানান, অভিযোগে একাধিক ব্যক্তির নাম থাকায় তদন্তে সম্পৃক্ততা পেলে পরবর্তীতে থানায় মামলা রুজু করা হবে।

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code