পঞ্চগড়ে কনকনে শীত অব্যাহত, তাপমাত্রা ১০.৯ ডিগ্রি
মো. সফিকুল আলম দোলন, পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি: পঞ্চগড়ে বইছে হিমেল বাতাস। পঞ্চগড়ে গত কয়েকদিন ধরেই তাপমাত্রা ৯ থেকে ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে ওঠানামা করছে। এতে তীব্র শীত অনুভূত হচ্ছে।
উত্তরের হিমেল বাতাস আর হালকা কুয়াশায় কনকনে শীত অনুভূত হচ্ছে। বিকেলের দিকে সূর্যের দেখা মিললেও রশ্মির প্রখরতা নেই। কনকনে শীত অনুভূত হওয়ায় বিপাকে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ।
স্থানীয়রা জানান, শীতের তীব্রতায় রাতে কাঁথা-কম্বল ছাড়া ঘুমানো কষ্টকর হয়ে পড়েছে। অনেকে সন্ধ্যা-ভোরে খড়কুটো জ্বালিয়ে ঠান্ডা কমানোর চেষ্টা করছেন তারা।
তারা আরও বলেন, সন্ধ্যা থেকে পরের দিন সকাল সাড়ে ১১ টা পর্যন্ত তীব্র কনকনে শীতে হাড় কাঁপছে তাদের। রাতে তাপমাত্রা মাইনাস জিরো ডিগ্রিতে নেমে আসছে এমন অনুভব করছেন তারা।
মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন ১০ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। এসময় বাতাসের আদ্রতার পরিমাণ ছিল ৯৬ শতাংশ। তিন ঘণ্টা আগে, সকাল ৬টায় তেঁতুলিয়ায় ১১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। গতকাল সকাল ৯টায় ৯ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে বয়ে আসা হিমশীতল ঠান্ডা বাতাস আর কনকনে ঠান্ডা অব্যাহত রয়েছে এ জেলায়। সামনের দিনগুলোতে তাপমাত্রা আরও কমার সম্ভাবনা রয়েছে বলেও জানান এই কর্মকর্তা।
তেঁতুলিয়া প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত সহকারী কর্মকর্তা জিতেন্দ্র নাথ রায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আবহাওয়ার অফিসের ভাষ্য অনুযায়ী, ৮ থেকে ১০ ডিগ্রির নিচে তাপমাত্রা রেকর্ড হলে সেটাকে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ ধরা হয়। সেই হিসেবে মৃদু শৈত্যপ্রবাহের কবলে পড়েছে পঞ্চগড় ।
এদিকে ঠান্ডায় শীতজনিত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে জেলার হাসপাতালগুলোতে। যাদের বেশিরভাগ শিশু ও বয়স্ক। সর্দি, জ্বরসহ বিভিন্ন শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে অসংখ্য রোগী আসছেন হাসপাতালে। ফলে বাড়তি চাপ সৃষ্টি হয়েছে।
Related News
রংপুরে একই পরিবারের চারজনের মরদেহ উদ্ধার, হত্যার সন্দেহ
Manual3 Ad Code বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়া এলাকায় নিজ বাড়ি থেকে রংপুর জিলাRead More
সারাদেশে এক কোটি মানুষ মাদকের সাথে সম্পৃক্ত: পুলিশ সুপার
Manual8 Ad Code বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: দিনাজপুরের পুলিশ সুপার জেদান আল মুসা বলেছেন, সারাদেশে প্রত্যক্ষRead More



Comments are Closed