Main Menu

দ্রুত পরীক্ষা নেওয়ার দাবিতে জাবি শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

Manual6 Ad Code

জাবি প্রতিনিধি: জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৬ ব্যাচের (২০১৬-১৭ সেশন) চতুর্থ বর্ষের ফাইনাল পরীক্ষা দ্রুততম সময়ের মধ্যে শেষ করার দাবিত মানববন্ধন করেছে সেই ব্যাচের শিক্ষার্থীরা।

বৃহস্পতিবার (২৭জানুয়ারি) বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনারের সামনে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়। মানববন্ধনে শতাধিক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে।

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের ঘোষণা করেছে সরকার। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকেও অনুরূপ ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ফলস্বরূপ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনও সশরীরে সকল ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ করেছে। এতে বিপাকে পড়েছেন চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থীরা।

Manual1 Ad Code

মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা জানান, ফেব্রুয়ারির মধ্যে তাদের চতুর্থ বর্ষের ফাইনাল পরীক্ষা শেষ করে বিসিএস পরীক্ষায় বসার সুযোগ করে দিতে হবে। পরবর্তী ৩ কার্যদিবসের মধ্যে সিন্ডিকেট মিটিংয়ে পরীক্ষার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

Manual8 Ad Code

এছাড়া একই ব্যাচের বিগত পরীক্ষাগুলোর রেজাল্ট অতিদ্রুত প্রকাশ ও করোনার বন্ধে স্থগিত হওয়া পরীক্ষাগুলো নেওয়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ করার দাবি জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। অন্যথায় তারা আরও কঠোর কর্মসূচির ডাক দেবেন বলে হুঁশিয়ারি দেন।

মানববন্ধনে প্রাণিবিদ্যা বিভাগের শিক্ষার্থী নুর হোসেন বলেন, ‘পাঁচ বছরেও অনার্স শেষ করতে পারিনি। এখনও তৃতীয় বর্ষের রেজাল্ট পাইনি। এমন কি একই বর্ষে একাধিক ব্যাচের শিক্ষার্থী ক্লাস করছি। আমাদের সেশনের বন্ধুরা শিক্ষাজীবন শেষ করে চাকরি করছে। এই হতাশার শেষ কোথায়! আমরা চাই ফেব্রুয়ারির মধ্যেই আমাদের পরীক্ষা শেষ করে বিসিএস পরীক্ষায় বসতে।’

এসময় বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী মির্জা সোহাগ বলেন, ‘জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৬ তম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের (২০১৬-১৭ সেশন) দীর্ঘ ৫ বছরেও স্নাতক পরিক্ষা শেষ হয় নি। এর ফলে শিক্ষা ও ক্যারিয়ার চরম মাত্রায় ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা হতাশায় পর্যবসিত হচ্ছে, অনতিবিলম্বে স্নাতক পরিক্ষা সম্পন্ন করার আহ্বান জানাচ্ছি।’

Manual4 Ad Code

শিক্ষার্থীদের দাবির সাথে সংহতি জানিয়ে ছাত্র ইউনিয়ন জাবি সংসদের সভাপতি রাকিবুল রনি বলেন, ‘এই ব্যাচের শিক্ষার্থীরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মহামারীর কারণে বারবার তাদের পরীক্ষা দেরি হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা ঠিক মতো ক্লাস-পরীক্ষা নেন না। ফলে বারবার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে তারা।’

মানববন্ধন শেষে উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলাম বরাবর স্মারকলিপি দেন শিক্ষার্থীরা। উপাচার্যের পক্ষে স্মারকলিপি গ্রহণ করেন ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার রহিমা কানিজ। এসময় কয়েকজন সহকারী প্রক্টর উপস্থিত ছিলেন।

এ বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার রহিমা কানিজ বলেন, ‘তাদের যে দাবি সেগুলো পেয়েছি। স্মারকলিপি উপাচার্যের কাছে পাঠানো হবে।’

Manual1 Ad Code

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code