Main Menu
শিরোনাম
ছাতকে ১০ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল         ছাতকে প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেপ্তার         বিশ্বনাথে দুই হত্যা মামলার প্রধান আসামী সাইফুল গ্রেপ্তার         কোম্পানীগঞ্জে বজ্রপাতে দুইজনের মৃত্যু         গোলাপগঞ্জে গৃহবধূকে ধর্ষণ, যুবক গ্রেপ্তার         শান্তিগঞ্জে পানিতে ডুবে দুই চাচাতো বোনের মৃত্যু         কামাল উদ্দিন রাসেল’র উপর মামলা প্রত্যাহারের দাবি         বিশ্বনাথে ‘ব্লাকমেইল’ করে গৃহবধুকে ধর্ষণ, ধর্ষক আটক         দক্ষিণ সুরমা কলেজে শিক্ষার্থীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা         গোলাপগঞ্জে ফ্রি চক্ষু চিকিৎসা সেবা অনুষ্ঠিত         জৈন্তাপুরে রেস্টুরেন্ট কর্মচারীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার         লাখাই থেকে ২৭২৫ পিস ইয়াবাসহ দু’জন আটক        

চাঁদাবাজির অভিযোগে অভিনেত্রী লীনা গ্রেপ্তার

বিনোদন ডেস্ক: প্রেমিক বন্দী জেলে। কিন্তু তার অপরাধের সাম্রাজ্য পরিচালনা করছেন প্রেমিকা অভিনেত্রী। ২০০ কোটি টাকার চাঁদাবাজি করেছেন তিনি। সেই অভিযোগের প্রমাণ থাকায় গ্রেপ্তার হয়েছেন লীনা মারিয়া পল।

রোববার (৫ সেপ্টেম্বর) দিল্লি পুলিশের ইকোনমিক অফেন্সেস উইং তাকে গ্রেপ্তার করে। জেলবন্দি প্রেমিকের হয়েই এই চাঁদাবাজির কাজ করছিলেন লীনা অভিযোগের সত্যতা মিলেছে।

লীনা বলিউডের পরিচিত মুখ। ২০১৩ সালে ‘মাদ্রাজ কাফে’-তে দেখা গিয়েছিল তাকে। এরপর অবশ্য খুব বেশি নিয়মিত কাজ করতে দেখা যায়নি তাকে।

লীনার প্রেমিক এস চন্দ্রশেখর। গেল কয়েক মাস ধরে কারাগারে রয়েছেন। তাকে দিল্লির রোহিণী জেলে রাখা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, প্রতারণা-সহ একাধিক অভিযোগ আছে। সব মিলিয়ে মোট ২১টি অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। বন্দি অবস্থাতেও তিনি এই সমস্ত কুকর্ম চালিয়ে যাচ্ছিলেন বলে পুলিশ জানতে পারে।

পুলিশ সূত্রে খবর, এই কাজে তাকে জেলের দু’জন অফিসারও সাহায্য করছিলেন। পাশাপাশি প্রেমিকা, অভিনেত্রী লীনা এবং আরও দুই সহযোগী ছিলেন চন্দ্রশেখরের। লীনার সঙ্গে ওই দুই সহযোগী এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট জেল সুপারিটেন্ডেন্ট এবং ডেপুটি সুপারিটেন্ডেন্টও গ্রেপ্তার হয়েছেন। অপরাধের কথা স্বীকারও করেছেন রোহিণী জেলের দায়িত্বে থাকা এই দু’জন।

গত ৭ অাগস্ট ফর্টিস হেলথকেয়ারে প্রাক্তন প্রোমোটার শিবিন্দর সিংহের স্ত্রী পুলিশে অভিযোগে জানান, গত জুন মাসে আইন মন্ত্রকের সিনিয়ার অফিসার সেজে তার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন এক ব্যক্তি। বড় অঙ্কের টাকার বিনিময়ে তার স্বামী শিবিন্দর সিংহের জামিন পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছিলেন। তার স্বামী আসলে আর্থিক তছরুপের অভিযোগে জেলবন্দি ছিলেন তখন। কিন্তু আশ্বাস মতো কাজ না হলে তিনি পুলিশের দ্বারস্থ হন।

পরে তদন্তে চন্দ্রশেখরের নাম উঠে এসেছিল। পুলিশ জানতে পেরেছিল, জেলবন্দি অবস্থায় চন্দ্রশেখরই আইন মন্ত্রণালয়ের অফিসার সেজে তার সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং চন্দ্রশেখরের কথাতেই অভিযোগকারিণী অদিতির থেকে ২০০ কোটি টাকা নিয়েছিলেন লীনা।

0Shares





Related News

Comments are Closed